× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার

মহারাষ্ট্র ও হরিয়াণায় বিজেপি জয়ী হলেও জোর ধাক্কা খেয়েছে

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ২৫ অক্টোবর ২০১৯, শুক্রবার, ১১:৩০

প্রায় সব বুথ ফেরত সমীক্ষার পূর্বাভাষে মহারাষ্ট্র এবং হরিয়াণায় বিজেপি ও তার সহযোগীদের জয় সহজ বলে বলা হলেও বাস্তবে দেখা গিয়েছে, বিজেপির জয় সহজ হয়নি। বরং বলা যায় কয়েক মাসের ব্যবধানে বিজেপি বড় ধাক্কা খেয়েছে। দুটি রাজ্যেই ক্ষমতায় রয়েছে বিজেপি ও তার শরিকরা। বরং নির্বাচনের ফল থেকে স্পষ্ট হয়েছে কংগ্রেসকে অস্থিত্বহীন বলা হলেও তারা কিন্তু এই নির্বাচনে গা ঝাড়া দিয়ে জেগে উঠেছে। মারাঠা নেতা শারদ পাওয়ারও হারিয়ে যাননি তারও প্রমাণ মিলেছে নির্বাচনের ফলে। সর্বশেষ ফলাফলে জানা গেছে, মহারাষ্ট্রে সংখ্যাগরিষ্ঠতার চেয়ে বেশি আসন পেয়েছে এনডিএ-শিবসেনা জোট। ২৮৮ আসন বিশিষ্ট বিধানসভায় বিজেপি জোট পেয়েছে ১৬২টি আসন। গতবারের চেয়ে ২৪টি আসন কম পেয়েছে তারা।
অন্যদিকে গতবারের চেয়ে ১৯টি আসন বেশি পেয়ে কংগ্রেস-এনসিপি জোট পেয়েছে ১০৪টি আসন। অন্যান্যরা পেয়েছে ২২টি আসন। মহারাষ্ট্রে সরকার গঠন নিশ্চিত হলেও হরিয়াণায় ত্রিশঙ্কু ফল হয়েছে। বিজেপি জোড় সংখ্যাগরিষ্ঠতা থেকে অনেকটাই পিছিয়ে রয়েছে। হরিয়ানা বিধানসভার ৯০টি আসনের মধ্যে বিজেপি জোট পেয়েছে ৪০টি আসন। গতবার তাদের আসন সংখ্যা ছিল ৪৭টি। এই রাজ্যে কংগ্রেস জোর টেক্কা দিয়েছে গেরুয়া শিবিরের সঙ্গে। তারা গতবারের চেয়ে ১৬টি আসন বাড়িয়ে মোট ৩১ টি আসনে এবার জয় লাভ করেছে। লোকদল নেতা দেবীলালের নাতি দুষ্মন্ত্য চৌথালার নবগঠিত জেজেপি দল ১০টি আসন লাভ করে রাজ্যে সরকার গঠনে কিং মেকার হয়ে উঠেছে। বিজেপি এবং কংগ্রেস উভয় দলই জেজেপির সমর্থন লাভের জন্য জোর চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। অন্যান্যরা পেয়েছে ৯টি আসন। মহারাষ্ট্রে বিজেপি ও শিবসেনা জোটের জয়লাভ হলেও নির্বাচনী ফলাফল বিজেপি শিবিরকে হতাশই করেছে। কেন্দ্রে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহর প্রবল প্রভাব এবং রাজ্যে মুখ্যমন্ত্রী দেবেন্দ্র ফডনবিশের উজ্জ্বল ভাবমূর্তির কাছে কংগ্রেস-এনসিপিকে কেউ ধর্তব্যের মধ্যে আনেনি। বরং শরদ পাওয়ার ও তাঁর দলের দু নম্বর নেতা প্রফুল্ল প্যাটেলের বিরুদ্ধে ভোটের আগে দুর্নীতির অভিযোগ আনা হয়েছিল। এনসিপি নেতা পাওয়ারকে গ্রেপ্তার করার সমনও জারি হয়েছিল। পাশাপাশি কংগ্রেস ও এনসিপির বড় নেতাদের ভাঙাতে উঠেপড়ে নেমেছিল বিজেপি। নরেন্দ্র মোদি ও অমিত শাহ জুটি প্রচারে ঝড় তোলারও চেষ্টা করেছেন। বিজেপির জাতীয়তাবাদের অস্র এই ভোটে আদৌ কাজ করেনি। অন্যদিকে হরিয়াণায় গত লোকসভা নির্বোচনে সব কটি আসন বিজেপি জোট পেলেও এইবারের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির এক অর্থে ভরাডুবিই হয়েছে। আসলে বিরোধীরা ক্রমাগত দুনীর্তি, অর্থনৈতিক মন্দা, বিরোধীদের কণ্ঠরোধ  এবং অসহিষ্ণুতা সাম্প্রদায়িক বিভাজনের বিরুদ্ধে সোচ্চার হয়েছেন সেটাই মানুষ সমর্থন জানিয়েছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর