× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার

টিন্ডারে ডেট, সেক্সের সময় খুন, এরপর পর্ন দেখে ফের ডেট

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৭ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১১:১৫

এই নৃশংস খুনের কাহিনী পিলে চমকে দেওয়ার মতো। বৃটিশ তরুণী গ্রেস মিলেন সময় পেলেই ব্যাকপ্যাক গুছিয়েই চলে যান ঘুরতে। ২২ বছর বয়সী এই লাস্যময়ী গিয়েছিলেন নিউ জিল্যান্ডে ঘুরতে। অকল্যান্ডে অনলাইন ডেটিং অ্যাপ টিন্ডার-এর মাধ্যমে এক স্থানীয় পুরুষের সঙ্গে তার পরিচয়। ওই পুরুষই তাকে গলা চেপে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে সেক্সের সময়! মিলেনের শরীর যখন মেঝেতে পড়ে ছিল, তখনই ওই ব্যক্তি ফের দেখতে শুরু করেন সহিংস পর্ন। পর্ন দেখা শেষে দেখা করতে চলে যান টিন্ডারে পরিচয় হওয়া আরেক মেয়ের কাছে। আদালতে দাখিলকৃত বিবরণীর বরাতে এ খবর ছেপেছে বৃটিশ দৈনিক দ্যা সান।
খবরে বলা হয়, আইনি কারণে ওই খুনির নাম প্রকাশ করা যাচ্ছে না। অভিযুক্তের দাবি, মিলেনই তাকে বলেছিলেন সেক্সের সময় গলা চেপে ধরতে।
তখন দুর্ঘটনাক্রমে তিনি মারা যান। কিন্তু সরকারী কৌঁসুলিরা বলছেন ভিন্ন কথা। তাদের যুক্তি, ২৭ বছর বয়সী ওই ব্যক্তির পরবর্তী আচরণ থেকেই স্পষ্ট এটি ছিল খুন; কোনো দুর্ঘটনা নয়।
২০১৮ সালের ডিসেম্বরে নিজের জন্মদিনের ঠিক আগের দিন অকল্যান্ডে জীবিত দেখা যায় মিলেনকে। তার পিতামাতা ডেভিড ও জিলিয়ান বসবাস করেন এসেক্সে। কৌঁসুলি রবিন ম্যাককুবরি আদালতকে বলেছেন যে, মিলেনের নাক দিয়ে রক্ত বের হওয়ার আগ পর্যন্ত তার শ্বাসরোধ করে রেখেছিলেন ওই ব্যক্তি। এরপর একটি স্যুটকেসে বিকৃত অবস্থায় পাওয়া যায় মিলেনের লাশ।
রবিন ম্যাককুবরি এরপর বলেন, খুনের পর আসামী এরপর প্রায় এক ঘণ্টা ধরে গবেষণা করছিলো কীভাবে লাশ লুকিয়ে ফেলা যায়। এরপর নিজের ফোনে খুবই সহিংস পর্ন দেখতে শুরু করে সে। এমনকি নিজের পুরুষাঙ্গেরও ছবি তোলে। এরপর দিন সে একটি স্যুটকেস কিনে সেখানে মিলেনের দেহ ঢুকিয়ে রাখে ও দূরের এক বনে মাটিচাপা দিয়ে আসে। এরপর একটি গাড়ি ভাড়া করে ও পরিষ্কার করার যন্ত্রপাতি কিনে খুব ঠান্ডামাথায় ও শান্তভাবে মেঝের কার্পেট থেকে মিলেনের রক্তের দাগ পরিষ্কার করে।
ঠিক একই সময়ে অভিযুক্ত ব্যক্তি টিন্ডারে পরিচয় হওয়া আরেক মেয়ের সঙ্গে দেখা করতে চলে যায়। তবে আসামীর আইনজীবী ইয়ান ব্রুকি বলেছেন, মিলেনকে তার মৃত্যুর জন্য দায়ী করা হচ্ছে না। কিন্তু এটি ছিল একটি দুর্ঘটনা। তার ভাষ্য, ‘যৌন আনন্দ বাড়াতে দু’ জন একটি কাজ করেন। কিন্তু তা দুর্ঘটনায় পরিণত হয়। ফলস্বরূপ মিলেন মারা যান।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর