× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৯ জুলাই ২০২০, বৃহস্পতিবার

সুন্দরী নারী ছিনতাইকারী চক্রের কবলে উবার চালক

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, চট্টগ্রাম থেকে | ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৮:৪৬

যাত্রীবেশী সুন্দরী নারী ছিনতাইকারী চক্রের কবলে পড়ে সর্বস্ব হারালেন উবার চালক খোরশেদ আলম চৌধুরী। ছাড়া পেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় চট্টগ্রামের বায়েজিদ থানায় অভিযোগ দায়েরের পর এই চক্রের একজনকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। বায়েজিদ থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খন্দকার আতাউর রহমান বলেন, চট্টগ্রাম নগরীতে নারীকে ব্যবহার করে যাত্রীবেশে উবার চালককে আটকে রেখে নির্যাতনের পর সর্বস্ব হাতিয়ে নিয়েছে। এ ঘটনায় হাসান নামের একজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। বাকি অপরাধীদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। ওসি জানান, ভুক্তভোগী উবার চালক খোরশেদ আলম চৌধুরী বায়েজিদ থানায় এসে বিষয়টি জানানোর পর বুধবার রাতে তাৎক্ষণিক অভিযান চালিয়ে হাসানকে গ্রেপ্তার করা হয়। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে। হাসানকে গতকাল বৃহস্পতিবার আদালতে পাঠানো হয়েছে।
উবার চালক খোরশেদ আলম জানান, গত ৫ই নভেম্বর নগরীর জিইসি মোড়ে গাড়ি নিয়ে উবার অ্যাপস চালু করে যাত্রীর অপেক্ষায় ছিলাম। এ সময় অপেক্ষমাণ এক নারী বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ যাওয়ার জন্য ১০০ টাকা ভাড়ায় বাইকে ওঠেন। রৌফাবাদে পৌঁছার পর টাকা ভাংতির কথা বলে ওই নারী গাড়ি থেকে নেমে কয়েকজন যুবকের সঙ্গে কথা বলেন। একপর্যায়ে সেখানে আগে থেকে অবস্থান করা ৭-৮ জনের একদল যুবক আমার সামনে চলে আসে।

এরপর তারা বলে, তুমি এই মহিলাকে খারাপ উদ্দেশ্যে এখানে নিয়ে এসেছো। এই কথা বলে সবাই মিলে আমাকে মারধর করতে শুরু করে। এরপর সবাই টেনে হিঁচড়ে আমাকে একটি ঘরে নিয়ে যায়। এ সময় তারা জোর করে আমার পরনের কাপড় খুলে ভিডিও করতে থাকে। এ ঘটনার পর ভিডিওটি ইন্টারনেটে ছেড়ে দেয়ার হুমকি দিয়ে আমার গাড়িতে থাকা নগদ টাকা, ব্যাংকের এটিএম কার্ড, মোবাইল সেট হাতিয়ে নেয়। খোরশেদ আলম বলেন, এটিএম কার্ড নিয়ে ওই চক্রের কয়েকজন সদস্য এটিএম বুথে গিয়ে টাকা তোলার চেষ্টা করে। কিন্তু পিনকোড ভুল হওয়ায় কার্ড আটকে যায়। পরে তারা আমাকে আবারো মারধর করতে থাকে। এরপর খোরশেদের আত্মীয় স্বজনকে ফোন করে টাকা দাবি করে। রাত সাড়ে ১০টার দিকে মোবাইল রেখে দিয়ে আমাকে ছেড়ে দেয় এবং ৫০ হাজার টাকা ওই মোবাইলের বিকাশে পাঠাতে বলে। ছাড়া পেয়ে বুধবার সন্ধ্যায় থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। এরপর পুলিশ রাতে অভিযান চালিয়ে হাসান নামে একজনকে গ্রেপ্তার করে। স্থানীয়  লোকজন জানান, নগরীর বায়েজিদ থানার রৌফাবাদ এলাকায় কথিত বড় ভাই সাগরের ছত্রছায়ায় থেকে এ চক্রটি ছিনতাইসহ নানা অপরাধ কর্মকাণ্ড করছে। এর আগে রৌফাবাদ সরকারি শিশু পরিবারে মেয়েদের উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে সাগরসহ কয়েকজনের নামে থানায় জিডি করেছিল শিশু পরিবার।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
শুক্কুর
৭ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১১:৪৪

এইগ্রুপের উৎপাতে এলাকায় বসবাস করা মুশকিল হয়ে গেছে। এইগুলাকে এখনি দমন করা উচিৎ,,,,,

অন্যান্য খবর