× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২১ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

নিষেধাজ্ঞা উপেক্ষা করে জাবিতে দিনভর বিক্ষোভ

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার, জাবি থেকে | ৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৯:১৯

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের পদত্যাগের দাবিতে নিষেধাজ্ঞা অমান্য করেই গতকাল দিনভর বিক্ষোভ করেছেন আন্দোলনকারী শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। পূর্ব ঘোষণা অনুযায়ী গতকাল বেলা ১টার দিকে ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে আন্দোলনকারীরা মিছিল নিয়ে বের হয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে ভিসির বাসভবনের সামনে অবস্থান নেন তারা। ‘আওয়ার ক্যাম্পাস আওয়ার রাইট, সেভ দ্য ক্যাম্পাস জয়েন দ্য ফাইট’ এমন অনেক স্লোগান দেন তারা। এর আগে বুধবার আবাসিক হল বন্ধ ঘোষণা করে বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে সব ধরনের সভা সমাবেশে নিষেধাজ্ঞা জারি করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। কয়েক দফা সময় বাড়িয়ে সন্ধ্যার মধ্যে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়। সন্ধ্যায় তালা ঝুলিয়ে দেয়া হয় সব কটি হলে। তবে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসেই অবস্থান করে আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। যদিও বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীরা হল ছেড়ে গেছেন।


তবে ছাত্রলীগের কিছু নেতাকর্মীকে হল এলাকায় অবস্থান করতে দেখা যায়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্দেশ অমান্য করে সকাল থেকেই কর্মসূচির প্রস্তুতি নিতে থাকেন আন্দোলনকারীরা। সাংবাদিকতা ও গণযোগাযোগ বিভাগের শিক্ষার্থী ফারহানা আক্তার বলেন, আন্দোলনে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে। কারণ ভিসির মনে দুর্বলতা আছে। দুর্বলতা আছে বলেই পালিত গুন্ডা বাহিনী দিয়ে হামলা চালিয়েছে। তার মনে রাখা উচিত ক্যাম্পাস তার একার নয়। আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক ছাত্র ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক সুদীপ্ত দে জানান, ভিসির অপসারণ না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে। এদিকে পূর্ব ঘোষণা অনুযায় ভিসির বাসভবনের সামনে প্রতিবাদী কনসার্টের আয়োজন করেন আন্দোলনরতরা। তারা দুর্নীতি বিরোধী বিভিন্ন স্লোগান গানে নিজেদের প্রতিবাদ কর্মসূচি চালিয়ে যান। রাত নয়টা পর্যন্ত চলে কনসার্ট। শিক্ষার্থীদের কর্মসূচি ঘিরে সকাল থেকেই ক্যাম্পাসে বিপুল সংখ্যক পুলিশ সদস্য মোতায়েন ছিল। তারা ভিসির বাসভবনেরও নিরাপত্তায় দায়িত্ব পালন করেন।

এদিকে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের বক্তব্যের ব্যাপারে আন্দোলনের অন্যতম সংগঠক অধ্যাপক সাঈদ ফেরদৌস বলেন, ‘মন্ত্রী যে কথা বলেছেন সেই কথার সঙ্গে আমরা দ্বিমত পোষণ করছি। উনি আমাদের সাথে সাক্ষাৎ করে শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রমাণ সহকারে লিখিত অভিযোগ করতে বলেছেন। আমরা তো বিষয়টি প্রমাণ করতে আসিনি, আমরা অভিযোগ তুলেছি। এখন তদন্ত করে এই অভিযোগের সত্যতা নিশ্চিত করার দায়িত্ব সংশ্লিষ্টদের।’তিনি আরো বলেন, ‘তদন্তে যদি ভিসি নির্দোষ হয়; তখন কোনো কথা হবে না। কিন্তু এটা প্রমাণ করার দায়িত্ব যখন কেউ নিচ্ছেন না তখনই আমরা আন্দোলনে নেমেছি।

ভিসি অধ্যাপক ফারজানা ইসলামের বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগ এনে তার পদত্যাগ দাবিতে আন্দোলন করে আসছেন শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা। ‘দুর্নীতির বিরুদ্ধে জাহাঙ্গীরনগর’ ব্যানারে চলা এ আন্দোলনে মঙ্গলবার হামলা চালায় ছাত্রলীগ। এতে বেশ কয়েকজন আহত হন। পরে প্রশাসন বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করে শিক্ষার্থীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়। কয়েক দফা নির্দেশনার পরও আন্দোলনরতরা ক্যাম্পাসেই অবস্থান করেন। তারা আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর