× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৬ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার

বরগুনায় নিখোঁজ প্রথম শ্রেণির ছাত্রীর বিবস্ত্র মরদেহ ডোবা থেকে উদ্ধার

বাংলারজমিন

বরগুনা প্রতিনিধি | ৯ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার, ৭:৫৯

বরগুনার বেতাগী উপজেলায় স্কুলে যাওয়ার পর নিখোঁজ প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থীর মরদেহ বিবস্ত্র অবস্থায় বাড়ির পাশের ডোবা থেকে উদ্ধার করা হয়েছে। তাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে বলে অভিযোগ স্বজনদের। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার পর শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত শিশু শিক্ষার্থীর নাম তামিমা আক্তার (৭)। সে বেতাগী উপজেলার ৪নং মোকামিয়া ইউনিয়নের মাছুয়াখালী গ্রামের মো. শহিদুল ইসলাম হাওলাদারের মেয়ে ও স্থানীয় মাছুয়াখালী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির শিক্ষার্থী। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যার দিকে হাফেজ উসমান গনি নামে এক ব্যক্তির পরিত্যক্ত পুকুরে তামিমার লাশ ভাসতে দেখা যায়। এ বিষয়ে স্থানীয়রা জানায়, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবার  সকালে বিদ্যালয়ের নির্ধারিত পোশাক পরে স্কুলে যায় তামিমা। বিদ্যালয় ছুটি শেষে বিকাল পর্যন্ত বাড়িতে না ফেরায় খোঁজাখুঁজি ছাড়াও এলাকায় নিখোঁজ সংবাদ জানিয়ে মাইকিং করা হয়।
অবশেষে সন্ধ্যার দিকে বাড়ির অদূরে ডোবার পানির মধ্যে হাবিব ও শামিম নামের দুই প্রতিবেশী দেখতে পেয়ে তাদের পরিবারকে জানায়। স্থানীয় মোকামিয়া ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মো. মাহবুবুল আলম সুজন বলেন,  লাশ ও আলামত দেখে মনে হচ্ছে শিশুটিকে ধর্ষণ করা হয়েছে। তাকে হত্যা করে পুকুরে ফেলা হয়েছে।
বেতাগী থানার ওসি মো. কামরুজ্জামান জানান, শিশুটিকে বিবস্ত্র অবস্থায় পাওয়া গেছে। মরদেহের পাশেই পাওয়া গেছে স্কুল ব্যাগ ও পরনের পাজামা। ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে। শিশুটির পরিবার অভিযোগ করেছে, শিশুটিকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়েছে। বিষয়টি ময়নাতদন্তের পর নিশ্চিত হওয়া যাবে। এ ঘটনায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Reza
৯ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার, ২:৪৭

নিষ্ঠুরতার ভয়াবহ চিত্রে স্তম্ভিত বাংলাদেশ ! ধর্ষক'রা ধর্ষণ ও নির্মম হত্যার ভয়াববতা একের এক দেখিয়ে যাচ্ছে অথচ আইন এপর্যন্ত কোনো কঠোর শাস্তি দেখাতে পারেনি! ব্যর্থ হতে চলেছে সুকান্তের কালজয়ী কবিতা ছাড়পত্রের সেই পংক্তিটুকু---'' এ বিশ্বকে এ শিশুর বাসযোগ্য করে যাব আমি, নবজাতকের কাছে যে আমার দৃঢ় অঙ্গীকার।''

অন্যান্য খবর