× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

ভাঙা সেতুতে ঝুঁকি নিয়ে চলছে হাজারো মানুষ

বাংলারজমিন

মো. সোহাগ হোসেন, মির্জাগঞ্জ (পটুয়াখালী) থেকে | ৯ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার, ৮:০২

ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল করছে দুই উপজেলার হাজারও মানুষ। যে কোনো সময় সেতুটি ভেঙে ঘটতে পারে বড় রকমের দুর্ঘটনা। উপজেলার আমড়াগাছিয়া ইউনিয়নের ডোনরাবাদ এলাকায় বেড়েরধন খালের ওপর নির্মিত ডোনরাবাদ- জলিশা সংযোগ সেতুর এ বেহাল দশা। সেতুটি যেন এখন মরণফাঁদে পরিণত হয়েছে। ২০০৬ সালে ৭ই এপ্রিল মাসে সেতুটি নির্মিত হয়েছে। সেতুটির পশ্চিম পারে পার্শ্ববর্তী উপজেলার জলিশা ও পূর্ব পারে মির্জাগঞ্জ। সেতুটি দিয়ে উপজেলার ডোনরাবাদ, উত্তর আমড়াগাছিয়া, মধ্য আমড়াগাছিয়া ও ওপারের জলিশা এলাকার কয়েক হাজার মানুষ প্রতিনিয়ত যাতায়াত করে। বিপজ্জনক এ সেতুটি দিয়ে প্রতিনিয়ত ডোনরাবাদ, দক্ষিণ আমড়াগাছিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও জলিশা আদর্শ মাধ্যমিক বিদ্যালয়সহ এলাকার প্রায় সবগুলো স্কুলের কোমলমতি ছাত্রছাত্রীরা ঝুঁকি নিয়ে যাওয়া আসা করে।
বিদ্যালয়ের শিক্ষকরা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এ সেতুর কয়েক স্থান দেবে গিয়ে বিপজ্জনক অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে যে কোন মুহূর্তে বড় ধরনের দুর্ঘটনা ঘটতে পারে। এলাকাবাসী অভিযোগ করে বলেন, খালটি দিয়ে বড় বড় ইঞ্জিনচালিত মালবাহী ট্রলার চলাচল করায় এসব ট্রলারের ধাক্কায় সেতুটির নিচ দিয়ে বিভিন্ন স্থান ভেঙে নিচের দিকে হেলে পড়েছে। এ ছাড়াও সেতুটির কয়েক স্থানে ভেঙে গিয়ে গর্তের সৃষ্টি হয়েছে এবং এক পাশের রেলিংও ভেঙে গেছে। প্রয়োজনের তাগিদে মানুষ সমূহ বিপদের আশঙ্কার কথা নিশ্চিত যেনেও প্রতিনিয়ত জানমালের ঝুঁকি নিয়ে ঝুঁকিপূর্ণ সেতু দিয়ে চলাচল করছে। ডোনরাবাদ এলাকার নুরুল ইসলাম সিকদার জানায়, যে কোন সময় সেতুটি ভেঙে প্রাণহানিসহ বড় ধরনের দুর্ঘটনা তো ঘটবেই সঙ্গে সেতুটি ভেঙে গেলে দুই উপজেলার যোগাযোগও বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়বে। এতে ওইসব এলাকাগুলোর কৃষি, শিক্ষা, চিকিৎসা ও ব্যবসা বাণিজ্যের ওপর বিরূপ প্রভাব পড়বে বলেও জানান তিনি। আমড়াগাছিয়া ইউপি চেয়ারম্যান সুলতান আহমেদ জানান, ‘দুই উপজেলার ৪ গ্রামবাসী ঝুঁকি নিয়ে এ সেতুটি দিয়ে যাতায়াত করে।’ এ বিষয়ে উপজেলা প্রকৌশলী মো. শেখ আজিজুর জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতুটি জন গুরুত্বপূর্ণ বলে আমরা বন্ধ করতে পারছি না, তবে যত দ্রুত সম্ভব এই সেতুর পাশে নতুন একটি সেতু নির্মাণ করে ঝুঁকিপূর্ণ এই সেতুটি সরিয়ে ফেলা উচিত। এদিকে মাত্র ১৩ বছর আগে নির্মিত এই সেতুটি এই বেহাল দশা ও সরকারের লাখ লাখ টাকা গচ্চার জন্য সংশ্লিষ্ট ঠিকাদার ও কর্তা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়াসহ দ্রুত সেতুটি পুনর্নির্মাণের দাবি জানিয়েছেন এলাকাবাসী।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর