× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৯ নভেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

ইউপি চেয়ারম্যানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের অভিযোগ

বাংলারজমিন

পত্নীতলা (নওগাঁ) প্রতিনিধি | ৯ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার, ৮:২৩

নওগাঁর পত্নীতলায় নজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাদেক উদ্দিনের বিরুদ্ধে এক কলেজছাত্রীকে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে শারীরিক সম্পর্কের অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি করেছে। অনুসন্ধানে জানা যায়, অভিযোগ ঠেকাতে চৌকিদার পাহারায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবারকে। এ ঘটনার প্রতিকার চেয়ে জেলা পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপ কামনা করেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান ওই কলেজছাত্রী। তিনি উপজেলার দিবর ইউনিয়নের বাকরইল গুচ্ছগ্রামের মৃত অনিল চন্দ্রের মেয়ে ও সাপাহার সরকারি কলেজের অনার্স ৩য় বর্ষের ছাত্রী। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী। ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, নজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান দীর্ঘ ৫ বছর ধরে বিয়ের কথা বলে দৈহিক সম্পর্ক চালিয়ে আসছিল। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রী গর্ভবতী হয়ে পড়লে বাচ্চা নষ্ট করার জন্য চেয়ারম্যান চাপ সৃষ্টি করেন।
গর্ভের বাচ্চা নষ্ট করতে না চাইলে ছোট মেয়ের বিয়ের পর তারা আনুষ্ঠানিকভাবে বিয়ে করবে বলে বাচ্চা নষ্ট করতে বাধ্য করেন। সম্প্রতি, তাকে বিয়ের করার কথা বললে ভুক্তভোগীর কাছে ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করেন চেয়ারম্যান সাদেক। অভিযোগ ঠেকাতে গত সোমবার থেকে চৌকিদার পাহারায় অবরুদ্ধ করে রাখা হয়েছে ভুক্তভোগীর পরিবারকে। এতে সহযোগিতা করছেন দিবর ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল হামিদ সরকার ও দিবর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি হারুন-অর রশীদ। ভুক্তভোগী ছাত্রীর মা অভিযোগে জানান, স্থানীয় একটি প্রভাবশালী মহল ওই চেয়ারম্যানের সঙ্গে আঁতাত করে ঘটনা ধামা-চাপা দেয়ার চেষ্টা করছে। সেই সঙ্গে ৪০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করছে। আমরা নিজেরাই আশ্রয়ণ প্রকল্পের গুচ্ছগ্রামে বসবাস করছি। মানুষের বাড়িতে দিন মজুরের কাজ করে জীবিকা নির্বাহ করি। বর্তমানে মেয়েকে নিয়ে নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছি। অভিযুক্ত নজিপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যন ও ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সহসভাপতি সাদেক উদ্দিনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তিনি এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি। পত্নীতলা থানার ওসি পরিমল কুমার চক্রবর্তী বলেন, গ্রাম পুলিশকে সরিয়ে নেয়া হয়েছে। এ বিষয়ে আমরা উভয়পক্ষকে  একটি সমাধান করার জন্য ডেকেছি। ধর্ষণের মামলা না করে উল্টো ভিকটিমের বিরুদ্ধে সালিশের সমাধান করার এখতিয়ার পুলিশ আছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসপি স্যারের নির্দেশেই ডাকা হয়েছে। নওগাঁ জেলা পুলিশ সুপার প্রকৌশলী আব্দুল মান্নান মিয়ার সঙ্গে যোগযোগ করা হলে তিনি বলেন, আমি ওই ছাত্রীকে উদ্ধারের জন্য থানা পুলিশকে বলেছি। বিষয়টি তদন্ত করে সত্যতা যাচাই পূর্বক আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Reza
৯ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার, ৫:৪১

এই জাতীয় কুলাঙ্গার,ধর্ষক ,অর্থলোভী,অপকর্মের হোতা'রা আওয়ামীলীগকে যত রকম ভাবে পচানো যায় তা ইতিমধ্যেই করে ফেলেছেন। অপরাধ জগতের মহাকাশের সমস্ত গ্রহ - নক্ষত্র জয় তাদের দ্বারা হয়ে গেছে। ''ওরে মদন !আর নিচে নামিস না''-কথা গুলো বলার আগেই মদন পাতাল ছুঁয়ে ফেললো !

Kazi
৮ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ১০:৪০

Shame

অন্যান্য খবর