× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

আইএসের অধীনে ভয়াবহতার কথা জানালেন ইয়াজিদি নারী

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৪ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৭:৫৬

জঙ্গি গোষ্ঠী আইএসের হাত থেকে মুক্তি পাওয়া ইমান আব্দুল্লাহসহ আরো বেশ কয়েকজন ইয়াজিদি নারী সমপ্রতি মাদার তেরেসা অ্যাওয়ার্ড জিতেছেন। ইমানের বয়স যখন মাত্র ১৩ বছর তখন তাকে অপহরণ করে আইএস জঙ্গিরা। এরপর আইএসের যৌনদাসী বিক্রির বাজারে বেশ কয়েকবার বিক্রি হয়েছেন তিনি। মুক্তি পাওয়ার আগে বেশ কয়েক জনের হাতে ধর্ষণের শিকার হতে হয়েছিলো তাকে। বর্তমানে তিনি তার পরিবারের কাছে ফিরে যেতে পেরেছেন এবং ভারতের মুম্বইতে এসেছিলেন সাহসিকতার জন্য মাদার তেরেসা পুরস্কার গ্রহণ করতে।

ইয়াজিদিরা ইরাকের একটি সংখ্যালঘু গোষ্ঠী যারা আইএসের নৃশংসতার অন্যতম টার্গেট ছিল। ইমান জানান, জঙ্গিরা শুধু ইয়াজিদি মেয়েদের যৌনদাসীই বানাতো না, আমাদেরকে ধর্মান্তরিত করতেও বাধ্য করেছে। আমরা সেখানে শারীরিক ও মানসিক উভয়ভাবেই নির্যাতিত হয়েছি।

ইরাকের সিনজার শহর হচ্ছে মূলত ইয়াজিদিদের আবাসস্থল।
২০১৪ সালে সেটি দখল করে নেয় আইএস। এরপর ইয়াজিদি মেয়েদের ধরে নিয়ে যেতে শুরু করে আইএস যোদ্ধারা। নিজেদের তথাকথিত খেলাফতের মধ্যে তাদেরকে যৌনদাসী হিসেবে বিক্রি করতো তারা। ২০১৭ সালের শেষদিকে শহরটি পুনরায় উদ্ধার করে মার্কিন সেনারা। আস্তে আস্তে মুক্তি পেতে থাকে ইয়াজিদি নারীরা।

তবে এখনো আতঙ্কে রয়েছেন ইয়াজিদিরা। তাদের নিয়ে কাজ করা একটি সংস্থার প্রধান আল কাইদি বলেন, মার্কিন সেনা প্রত্যাহারের পর তুরস্কের বাহিনী কুর্দিদের ওপর হামলা চালিয়েছে। কুর্দি সেনারা বাধ্য হয়েছে বন্দি আইএস সদস্যদের ছেড়ে দিতে। এখন ইয়াজিদিরা আশঙ্কা করছে, মুক্ত আইএস সদস্যরা আবারো ইয়াজিদিদের লক্ষ্য করে হামলা চালাবে। তিনি আরো বলেন, কুর্দিরা নিজেদের নিয়ে গর্ব করে। মুসলিম, খ্রিস্টান ও ইয়াজিদিদের নিয়ে এ বাহিনী গঠিত। এখন মুক্ত আইএস সদস্যরা তাদের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। বিশ্বের দেশগুলোকে অবশ্যই এসব বিষয় দেখতে হবে এবং ইয়াজিদিদের আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্ধার করতে হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর