× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার

মশাকাণ্ড, স্ত্রীর হামলায় স্বামী হাসপাতালে, মামলা

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৪ নভেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ২:১৫

মশা হামলা চালিয়েছে। এর জন্য দায়ী স্বামী। এই অপরাধে একজন গৃহিনী তার স্বামীর ওপর চড়াও হয়েছেন। পুরোমাত্রায় হামলা চালিয়েছেন তার ওপর। এতে ক্ষতবিক্ষত হয়েছেন ভুপেন্দ্র লুভা নামের ওই স্বামী। মশা নিয়ন্ত্রণে ভারতের বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ চাপ সৃষ্টি করেছে। কিন্তু নারোদার ওই নারী আরো একটু বেশি অগ্রসর হয়েছেন। মশা কেন তাকে কামড়েছে, এ কারণে তিনি প্রতিশোধ তুলেছেন স্বামীর ওপর।
তিনি কেন মশা নিবারণে ব্যর্থ হয়েছেন এটাই তার দোষ। ফলে স্বামী বেচারার ওপর যখন ওই নারী হামলা চালান তখন তার সঙ্গে যোগ দেয় তাদের এক কন্যাও। এ খবর দিয়েছে অনলাইন টাইমস অব ইন্ডিয়া।

হামলার শিকার ওই স্বামীর নাম ভুপেন্দ্র লুভা (৪০)। তিনি নারোদার সঞ্জয়পার্ক সোসাইটির একজন বাসিন্দা। বুধবার সকালে তার স্ত্রীর ওপর মশায় হামলা চালায়। এর ফলে তার ওপর ওই নির্যাতন নেমে আসে। পরে দিনের শেষের দিকে তিনি নারোদা পুলিশ স্টেশনে গিয়ে হাজির হন। এফআইআর করেন। তিনি অভিযোগে বলেন, গাড়িতে করে তিনি বিক্রি করেন এলইডি লাইট। এ কাজ করছেন কয়েক মাস। সম্প্রতি এ থেকে তার আয় কমে গেছে খুব বেশি। ভুপেন্দ্র লুভা পুলিশকে বলেছেন, এ কারণে গত দু’মাস তিনি বিদ্যুত বিল দিতে সক্ষম হচ্ছিলেন না। এ জন্য তার বিদ্যুত সংযোগ বিচ্ছিন্ন করা হয়েছে।

অভিযোগে তিনি আরো বলেছেন, মঙ্গলবার রাতের শেষের দিকে তিনি নিজে, স্ত্রী সঙ্গীতা (৩৬) ও মেয়ে ছিতাল (২০) মোটেও ঘুমাতে পারেন নি। রাত শেষে বুধবার ভোরের দিকে সঙ্গীতা অভিযোগ করেন যে, তাকে মশায় কামড়াচ্ছে। এতে তার খুব কষ্ট হচ্ছে। বিদ্যুত সংযোগ না থাকায় তারা ফ্যানও চালাতে পারছিলেন না। এ সময় সঙ্গীতাকে ভুপেন্দ্র বলেন, তুমি যদি আমার সঙ্গে ঘুমাও এক বিছানায় তাহলে কিছুটা স্বস্তিতে ঘুমাতে পারবে। আমার এ কথায় সঙ্গীতা রেগে যায়। সে রান্নাঘরে ছুটে যায় এবং মশলা পেষার একটি ছেঁছনি নিয়ে ফেরে। ফিরেই সে আমাকে মাটিতে ফেলে দেয়। ওই ছেঁছনি দিয়ে সে আমার কপালে অনেকবার আঘাত করে। তার সঙ্গে যোগ দেয় আমার মেয়ে।

মশার হামলাকে কেন্দ্র করে স্বামীর ওপর এমন নির্যাতনের সময় ভুপেন্দ্র চিৎকার করতে থাকেন। তার চিৎকারে প্রতিবেশীরা এগিয়ে যান। তাদের একজন ভুপেন্দ্রর ছোটভাই মাহেন্দ্রকে ডেকে নেন। তিনিই ভুপেন্দ্রকে উদ্ধার করে একটি হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে তার কপালে, ডান চোখের ওপরে সাতটি সেলাই দেয়া হয়েছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Citizen 21
১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৯:৫৯

বিষয়টা আমি অন্য ভাবে দেখতে পাই। সঙ্গীতা দেখিয়ে দিলেন কি করে দ্বায়িত্বে ব্যর্থতার প্রতিবাদ করতে হয়!

অন্যান্য খবর