× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার

ঘণ্টায় পিয়াজের দাম বাড়ছে ২ টাকা

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৪:২২

পিয়াজ যেন পাগলা ঘোড়া। লাগাম টেনে ধরার কেউ নেই। বেড়েই চলছে দাম। একদিনের ব্যাবধানে বেড়েছে আরও ৪০ থেকে ৫০ টাকা। অতীতের সব রেকর্ড ভেঙে খুচরা বাজারে এখন প্রতিকেজি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৬০ টাকায়। যা গতকালও ছিলো ২১০ থেকে ২২০ টাকা। প্রতি ঘণ্টায় দাম বাড়ছে দুই টাকা করে।

গত চার দিনে পিয়াজের দাম বাড়লো ৮০-১০০ টাকা।
এর আগে কখনো দেশের বাজারে এত দামে পিয়াজ বিক্রি হয়নি। দাম আরও বাড়ার আশঙ্কা করছেন ক্রেতা ও ব্যবসায়ীরা।

কারওয়ান বাজারের গিয়ে দেখা গেছে, পাইকারী বাজারেই প্রতি কেজি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। যা খুচরা বাজারে গিয়ে বিক্রি হচ্ছে ২৫০টাকা থেকে ২৬০ টাকায়। ব্যবসায়ীরা জানান, দেশি পিয়াজ গতকাল ২০০ থেকে ২১০ টাকায় বিক্রি হয়েছে। শুক্রবার তা বিক্রি হচ্ছে ২৫০-২৬০ টাকা দরে। দাম আরও বাড়তে পারে বলেও জানান তারা।

মগবাজারের আল আমিন জানান, সেখানে দেশি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৬০ টাকায়। মিশর থেকে আমদানি করা পিয়াজ ২৩০ থেকে ২৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ধানমন্ডির এএসএম মুসা জানান, শুক্রাবাদ বাজারে ভালো মানের পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৫০ থেকে ২৫৫ টাকায়। একটু   নিম্নমানের পিয়াজ ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

শাফি বাবু বলেন, বাড্ডা থেকে আমি খুবই নি¤œমানের পিয়াজ কিনলাম ১৯০ টাকা আর একটু ভালোগুলো বিক্রি হচ্ছে ২৩০-২৫০ টাকায়। রায়ের বাজারের শাওন জানান, সেখানে দেশি পিয়াজ বিক্রি হচ্ছে ২৪০ টাকায়। আর একটু নি¤œমানেরগুলো ২২০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোহাম্মদপুরের দ্বীপ জানান, সেখানেও একই দামে বিক্রি হচ্ছে পিয়াজ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
md.saheb ali
১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৯:৪৯

আপনারা ভয়ে বলছেন দুই টাকা ! বাস্তবটা আরও বেশি।

Kabir
১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৮:২৮

I like to give thank you to our commerce minister. He has controlled PEAZ market.

Kazi
১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৮:২৫

যতই সংকট থাক আমদানি মূল্যের সঙ্গে যৌক্তিক লাভ যোগ করে মূল্য নির্ধারণের উপরে (আমদানির দ্বিগুণ দামে) বিক্রি দন্ডনীয় অপরাধ । দেশে প্রচুর লুকানো মজুত আছে ।

no name
১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৫:১৩

some conspiracy are involve. investigation committee to be formed. result - opposition involved

Alam
১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৩:৪৪

ভাবছি বন্ধুরা কেহ ছুটিতে বাংলাদেশে গেলে সিংগাপুর থেকে পারফিউম, শাম্পু না পাঠিয়ে এক কেজি পেঁয়াজ পাঠিয়ে দিবো।

অন্যান্য খবর