× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ১৪ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার

উল্লাপাড়ায় ট্রেনের বিষয়টি নাশকতা কি না খতিয়ে দেখা হচ্ছে: রেলমন্ত্রী

দেশ বিদেশ

সিরাজগঞ্জ প্রতিনিধি | ১৬ নভেম্বর ২০১৯, শনিবার, ৮:৩৯

সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়ায় রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনের ইঞ্জিন ও বগি লাইনচ্যুত হয়ে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনাটি নাশকতা কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। কারণ ইঞ্জিনে আগুন লাগার পর কিভাবে তা পেছনের ২টি বগিতে ছড়িয়ে পড়লো এই বিষয়টি আমাদের ভাবাচ্ছে। ২০১৩ ও ১৪ সালে বিএনপি-জামায়াত নেতাকর্মীরা এই অঞ্চলে ট্রেন পুড়িয়ে দিয়েছিল। আবারো পরিকল্পিতভাবে তেমন কোনো সন্ত্রাস ও নাশকতামূলক কর্মকাণ্ড এখানে ঘটেছে কিনা তা তদন্ত করা হচ্ছে। গতকাল বিকালে ট্রেনের দুর্ঘটনাস্থল পরিদর্শন শেষে রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন। মন্ত্রী আরো বলেন, ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবায় কুয়াশা বা অন্য কোনো কারণে দুর্ঘটনা হতে পারে। কিন্তু এখানে তো মিটারগেজের লাইন। মিটারগেজের লাইনে মিটারগেজ ট্রেনই যাবে।
এখানে ট্রেনটির স্টপেজও ছিল না, ক্রসিংয়েরও কোনো ব্যাপার ছিল না। এখানে ডিটেইলমেন্টটা হওয়ার কোনো কথা নয়। লাইন ক্লিয়ার দেয়ার ব্যাপারে কারও কোনো গাফিলতি আছে কিনা সেটাও খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
অগ্নিকাণ্ড প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, ইঞ্জিনের তেল থেকে ইঞ্জিনে আগুন লাগতে পারে। কিন্তু অন্য বগির ভেতরে কিভাবে আগুন লাগলো, এর পেছনে কোনো ষড়যন্ত্র আছে কি না সেটাও তদন্ত করে দেখা হবে। উল্লাপাড়ার দুটি ঝুঁকিপূর্ণ রেলসেতু ও রেল লাইনের প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, জয়দেবপুর থেকে ঈশ্বরদী পর্যন্ত রেললাইন ডাবল লেন করা হবে। ইতিমধ্যে প্রকল্প অনুমোদন হয়েছে। তবে সেটা সময় সাপেক্ষ ব্যাপার। তবে দ্রুত সময়ে ঝুঁকিপূর্ণ রেল সড়ক সংস্কারের আশ্বাস দেন তিনি। এ সময় রেল মন্ত্রণালয়ের সচিব মোফাজ্জল হোসেন, অতিরিক্ত সচিব মুহাম্মদ জিয়াউর রহমান, জেলা প্রশাসক ড. ফারুক আহাম্মাদ, উল্লাপাড়া উপজেলা চেয়ারম্যান শফিকুল ইসলাম শফি, উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আরিফুজ্জামান ও পৌর মেয়র এস এম নজরুল ইসলাম উপস্থিত ছিলেন। প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবার দুপুরে ঢাকা থেকে রংপুরগামী রংপুর এক্সপ্রেস ট্রেনটি সিরাজগঞ্জের উল্লাপাড়া স্টেশন অতিক্রম করার একটু আগে ইঞ্জিনটি লাইনচ্যুত হয়। এরপর পেছনের পাওয়ার কারসহ ৬টি বগি লাইনচ্যুত হয়। এ অবস্থায় ইঞ্জিনটিতে আগুন ধরে গেলে তা আরো ২টি বগিতে ছড়িয়ে পড়ে। এ কারণে ঢাকার সঙ্গে উত্তর ও দক্ষিণাঞ্চলের ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। লাইনচ্যুত বগিগুলো সরিয়ে নেয়ার ৬ ঘণ্টা পর থেকে এখানে একটি ব্রডগেজ লাইন দিয়ে ট্রেন চলাচল করছে। উদ্ধারকারী ট্রেন গতকাল বিকাল পর্যন্ত লাইনচ্যুত বগি ও ইঞ্জিন উদ্ধার করতে পারলেও লাইনের মেরামত এখনো চলছে।
মিটারগেজ লাইন সচল না হওয়ায় এই পথে এখনো মিটারগেজে চলাচলকারী ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। এ সকল ঘটনার তদন্তে রেল বিভাগ ও সিরাজগঞ্জ জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৪টি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই তদন্ত কমিটিগুলো কাজ শুরু করেছে।


 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
ahammad
১৫ নভেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ২:২৬

জানাব,আপনারাতো বেঙ পেসাব করলেও সড়যন্ত্রের গন্ধ পেয়ে থাকেন। অহেতুক হবিঝাবি না বকে কর্যকর ব্যবস্হা নিন সবই ঠিক হয়ে যাবে। প্রথমত দূনীতিবন্দ করুন,দ্বিতীয়ত কর্মকর্তা কর্মচারীরা যার যার সঠিক দাতীত্ব পালন করছে কিনা কঠোর ভাবে তদারকি করুন। রেলওয়ের ২/৩ কর্মকর্তা, কর্মচারী কাজ না করেই হাজিরাবহি মেন্টেন করে বেতন নিয়ে যায়। বিশেষ করে খালাসীরা যদি সঠিক দায়িত্ব পালন করতো তাহলে রেলের বগিগুলা লাইনচ্যুত হইতো না। একটি কথা আমরা সকলেই জানি এবং বুঝি লাইন ও স্লিপার ঠিক থাকলে কখনো বগি লইনচ্যুত হতে পারে না। অহেতুক পন্ডুশ্রম না করে লাইনগুলো ঠিক করুন দূর্ঘটনা কমে যাবে ইনশাআল্লাহ।

অন্যান্য খবর