× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ৮ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার
জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলা

২৫ নভেম্বর ফুল কোর্টে খালেদার আপিল শুনানি

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার | ১৭ নভেম্বর ২০১৯, রবিবার, ৫:০৯

জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দৃর্নীতির মামলায় বিএনপি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন আবেদনের শুনানি হবে আগামী ২৫শে নভেম্বর আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে। আজ রোববার খালেদা জিয়ার করা আপিলের শুনানি শেষে আপিল বিভাগের চেম্বার জজ বিচারপতি মো. নুরুজ্জামান এই দিন ধার্য করেন। এদিন আদালতে খালেদার পক্ষে শুনানি করেন সিনিয়র আইনজীবী জয়নুল আবেদীন। অপরদিকে, রাষ্ট্রপক্ষে এটনী জেনারেল মাহবুবে আলম এবং দুদকের পক্ষে অ্যাডভোকেট খুরশীদ আলম খান শুনানী করেন।
এ সসময় আদালতে উপস্থিত ছিলেন ব্যারিস্টার মওদুদ আহমেদ, ব্যারিস্টার জমিরউদ্দিন সিরকার, অ্যাভোকেট খন্দকার মাহবুব হোসেন, ফজলুর রহমান, এজে মোহাম্মদ আলী, মীর নাসির, ব্যারিস্টার মাহবুব উদ্দিন খোকন, বদরুদ্দোজা বাদল ও ব্যারিস্টার একেএম এহসানুর রহমান সহ প্রমুখ।
এর আগে গত ১৪ই নভেম্বও, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে হাইকোর্টের খারিজাদেশের বিরুদ্ধে আপিল বিভাগের সংশ্লিষ্ট শাখায় ১৪০১ পৃষ্ঠার আপিল আবেদন করেন অ্যাডভোকেট অন রেকর্ড জয়নুল আবেদন তুহিন। এ বিষয়ে বিএনপির আইন বিষয়ক সম্পাদক ব্যারিস্টার কায়সার কামাল বলেন, জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় বেগম খালেদা জিয়ার জামিন চেয়ে হাইকোর্টের রায়ের বিরুদ্ধে আপিল আবেদন করা হয়েছে। আপিল নম্বর ১৬৭৭। এর আগে চ্যারিটেবল মামলায় গত ৩১শে জুলাই বিচারপতি ওবায়দুল হাসান ও বিচারপতি এস এম কুদ্দুস জামানের সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্ট বেঞ্চ খালেদা জিয়ার জামিন আবেদন খারিজ কওে দেন। এর ধারাবাহিকতায় জামিন চেয়ে হাইকোর্টের খারিজ আদেশের বিরুদ্ধে আপিল দায়ের করলেন তার আইনজীবীরা।
প্রসঙ্গত, গত ৩০শে এপ্রিল জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট দুর্নীতি মামলায় সাত বছরের দ-ের বিরুদ্ধে খালেদা জিয়ার আপিল শুনানির জন্য গ্রহণ করেন হাইকোর্ট।
একইসঙ্গে অর্থদ- স্থগিত এবং সম্পত্তি জব্দের ওপর স্থিতাবস্থা দিয়ে দুই মাসের মধ্যে ওই মামলার নথি তলব করেছিলেন আদালত। এরপর ২০শে জুন বিচারিক আদালত থেকে মামলার নথি হাইকোর্টে পাঠানো হয়। গত বছরের ১৮ই নভেম্বর হাইকোর্টের সংশ্লিষ্ট শাখায় আপিল করা হয়। এর আগে ২০১৮ সালের ২৯শে অক্টোবর পুরান ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের প্রশাসনিক ভবনের সাত নম্বর কক্ষে স্থাপিত ঢাকার বিশেষ জজ আদালত-৫ এর বিচারক মো. আখতারুজ্জামান জিয়া চ্যারিটেবল ট্রাস্ট মামলায় খালেদা জিয়াকে সাত বছরের সশ্রম কারাদ- ও অর্থদ- দেন।

 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর