× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

দেড়শ’ বছরেও চা শ্রমিকের মজুরি দেড়শ’ টাকা হয়নি

বাংলারজমিন

শ্রীমঙ্গল (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি | ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৮:১৯

দেশের চা শিল্প দেড়শ’বছর পার করতে যাচ্ছে, কিন্তু এই দেড়শ বছরেও চা শ্রমিকদের দৈনিক মজুরী দেড়শ’ টাকা হয়নি। উপযুক্ত শিক্ষা, স্বাস্থ্য, বাসস্থান- সব ক্ষেত্রে চা শ্রমিকরা বঞ্চিত। চাবাগানগুলোতে পর্যাপ্ত সরকারি স্কুল নেই, স্বাস্থ্য কেন্দ্র নেই, ঠিকমত খাবার পায় না, অথচ এই চা শ্রমিকদের শ্রমে ঘামে দেশের চা শিল্প আজ এত দূর এগিয়ে গেছে। শনিবার সন্ধ্যা ৭টায় শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের আয়োজনে অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার উপমহা পরিদর্শকের কার্যালয়ে চা শ্রমিক এবং সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের সঙ্গে ‘কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি সহিংসতা এবং যৌন ও প্রজনন স্বাস্থ্য অধিকার’-শীর্ষক সভায় জুড়ী চা ভ্যালির সহ সভাপতি ও চানারী নেত্রী শ্রীমতি বাউরী এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের সচিব কে এম আলী আজম। কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের উপমহা পরিদর্শক মো.মাহবুবুল হাসানের সভাপতিত্বে সভায় বিশেষ অতিথি ছিলেন কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের মহাপরিদর্শক শিবনাথ রায়, শ্রম অধিদপ্তরের মহাপরিচালক এ কে এম মিজানুর রহমান (অতিরিক্ত সচিব), শ্রীমঙ্গল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নজরুল ইসলাম, শ্রম অধিদপ্তরের উপপরিচাল কনাহিদুল ইসলাম প্রমুখ। এছাড়াও সভায় কলকারখানা ও প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদপ্তরের তথ্য ও গণসংযোগ কর্মকর্তা ফোরকান আহসান, বাংলাদেশ চা শ্রমিক ইউনিয়নের সভাপতি মাখনলাল কর্মকার ও সাধারণ সম্পাদক রাম ভোজন কৈরি সহ চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা উপস্থিত ছিলেন। চা শ্রমিক সংশ্লিষ্ট অংশীজনদের নিয়ে উক্ত সভায় বৃহত্তর সিলেটের বিভিন্ন চা ভ্যালি থেকে আসা চা শ্রমিক নেতৃবৃন্দরা অংশ নেয়।
শ্রীমতি বাউরি আরো বলেন, ‘এখনও চা বাগান গুলোতে বাবু সাহেবদের দ্বারা নারী শ্রমিকরা প্রতিনিয়ত যৌন নির্যাতন ও হয়রানির শিকার হচ্ছেন। সামাজিক পরিস্থিতি আর জীবিকার তাগিদে মুখ ফুটে তারা প্রতিবাদ করতে পারে না’- এমন অভিযোগ করে শ্রীমতি বাউরি এর প্রতিকার চান। প্রধান অতিথির বক্তব্যে সচিব বলেন, জেহুার ভিত্তিক সহিংসতা রোধ এবং নারী শ্রমিকদের প্রজনন স্বাস্থ্য বিষয়ক সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয় ও এর অধীন দপ্তর গুলো কাজ করে যাচ্ছে। ২০৪১ সালে উন্নত দেশ হিসেবে প্রতিষ্ঠা লাভ করতে হলে বাংলাদেশের অর্ধেক জনগোষ্ঠী নারীগণকে এগিয়ে আসতে হবে। আর নারীর প্রতি সহিংসতা বজায় থাকলে এটি কখনোই সম্ভব হবেনা। বর্তমান সরকার শ্রমবান্ধব সরকার উল্লেখ করে সচিব বলেন, নারীরা এখন দেশের বড় বড় জায়গা থেকে দেশে অবদান রাখছেন। কর্মক্ষেত্রে নারীর প্রতি সহিংসতা এবং যেকোন ধরনের অশোভন আচরণ রোধে সরকার প্রস্তুত রয়েছে।

 

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর