× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার

শামিকে দেখে প্রস্তুতি রাহীর

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার, ইন্দোর (ভারত) থেকে | ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৯:০২

ইন্দোরের হোলকার স্টেডিয়ামে গতকাল দুটি সেন্ট্রাল উইকেটে অনুশীলন করে বাংলাদেশ ও ভারত দল। বিকাল থেকে শুরু করে সন্ধ্যা পর্যন্ত গোলাপি বলে প্রস্তুতি নেয় দুই দল। বলতে গেলে দুই দেশের বোলার ও ব্যাটসম্যানরা দারুণ রোমাঞ্চিত ইডেনে দিন-রাতের গোলাপি বলের টেস্ট নিয়ে। ইন্দোর টেস্টে বাংলাদেশের সফল বোলার সিলেটের আবু জায়েদ চৌধুরী রাহীও জানালেন তিনি মুখিয়ে আছেন। বিশেষ করে গোলাপি বলের সুইংটাই যে ভীষণ টানছে তাকে। নিজেকে প্রস্তুতও করছেন তিনি। গতকাল অনুশীনের আগে জানালেন কেবল ভারতের নয়, এই সময় ক্রিকেট বিশ্বের অন্যতম সেরা পেসার মোহাম্মদ শামিকে দেখেই তিনি নিজের প্রস্তুতি নিচ্ছেন। মাঠে তার বোলিং দেখে হয়েছেন দারুণভাবে অনুপ্রাণিত।
রাহী বলেন, ‘ম্যাচটা ভীষণ শিক্ষণীয় ছিল। তারা যেহেতু অনেক সিনিয়র বোলার। অনেকগুলো টেস্ট খেলেছে তারা। শামি ভাইয়ের সঙ্গে কালকেও (শনিবার) কথা বলেছি আমি। যেহেতু তার সঙ্গে আমার সিমিংটা একটু মেলে। দুজনই সিমিং বোলার। আমি তার বল অনেক সময় ধরে দেখেছি। ম্যাচের মধ্যে যখন ছিলাম তার বল মনোযোগ দিয়ে দেখেছি। মাঝে মাঝে হাইটও মিলিয়েছি। আমাদের চেয়ে বেশি নাকি সমান হাইট। তখন মনে হয়েছে হয়তো শামি ভাইয়ের মতো বল করতে পারবো।’

ইন্দোরে রাহীর চার শিকারের মধ্যে রয়েছে বর্তমান বিশ্বের সেরা দুই ব্যাটসম্যান বিরাট কোহলি ও রোহিত শর্মার উইকেট। যা তাকে ইডেনে দ্বিতীয় টেস্টে দিচ্ছে দারুণ অনুপ্রেরণাও। তিনি বলেন, ‘অবশ্যই ভালো অনুভূতি ছিল। কারণ তারা (বিরাট-রোহিত) বিশ্বের এক, দুই নম্বর ব্যাটসম্যান বলতে গেলে। যেহেতু বিরাট কোহলি বিশ্বের এক নম্বর ব্যাটসম্যান, তাকে আউট করতে পারা মানে স্বপ্নের উইকেট। অবশ্যই কোহলি আমার লাইফের স্বপ্নের উইকেট।’ ইডেনে রাহীদের জন্য অপেক্ষা করছে গোলাপি বল ও দিন-রাতের টেস্ট লড়াইয়ের চ্যালেঞ্জ। ইন্দোর টেস্ট তিন দিনে শেষ হয়ে যাওয়াতে নিজেদের প্রস্তুতির সুযোগটা পেয়েছেন দারুণভাবে। যা কাজে লাগাতে ব্যস্ত টাইগারদের এই পেস বোলার। তিনি বলেন, ‘ঢাকায় যখন অনুশীলন হয়েছে আমি জাতীয় লীগে ছিলাম। আমি একদিনও অনুশীলন করতে পারিনি। আজ (গতকাল) যেহেতু অনুশীলন আছে, অনুশীলনে বোলিং করলে এবং সিমিং করলে বুঝতে পারবো পার্থক্যটা। গোলাপি বলে দুই টিমই নতুন, যারা ভালো খেলবে তারাই রেজাল্ট পাবে। আমরা আশাবাদী। চেষ্টা করেছি বলটা সুইং করাতে পারি কিনা। সুইং করে ব্যাটসম্যানকে বিট করতে হয়। আমি চেষ্টা করেছি ভালো জায়গায় বোলিং করার। আমাদের লাইন এবং লেন্থে মনোযোগ দেয়া উচিৎ। কারণ, টেস্ট বোলারদের লাইন এবং লেন্থ ঠিক রেখে জায়গায় বল করলে ব্যাটসম্যানরা ভুল করলে কিন্তু চান্স হয়। প্রথম ম্যাচে অনেক বাউন্ডারি হয়েছে। এগুলো না হলে আরেকটু ভালো হতো।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর