× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার

দামামা বাজছে গোলাপি লড়াইয়ের

শেষের পাতা

ইশতিয়াক পারভেজ, ইন্দোর থেকে | ১৮ নভেম্বর ২০১৯, সোমবার, ৯:২২

ইন্দোর টেস্টের চতুর্থ দিন। বাংলাদেশ-ভারত দুই দলই উপস্থিত হোলকার স্টেডিয়ামে। না, এই টেস্টতো শেষ তিন দিনেই। ভারত জিতে নিয়েছে ইনিংস ও ১৩০ রানের ব্যবধানে। তবে কেন দুই দল মাঠে! আর কি, কলকাতার গোলাপি যুদ্ধের দামামা যে বাজতে শুরু করেছে ইন্দোরেই। বিকালে মুমিনুল হক  ও কোহলিবাহিনী অনুশীলন করেছে ফ্লাড লাইটের আলোয়। স্থানীয় সময় বিকাল চারটায় মাঠে আসেন তারা।

সেখানে আকর্ষণের কেন্দ্রে ছিল গোলাপি বল। যে বলে ভারত ও বাংলাদেশ এখনো খেলেনি রাতের আলোয়।
অনুশীলন চলে রাত পর্যন্ত। প্রস্তুতির এই সুযোগ হাতছাড়া করেনি দুদলই। ইন্দোর টেস্টে লাল বলে খেলার মাঝেও ঘুরে ফিরে চলেছে গোলাপি বল নিয়ে নানা আলোচনা। অন্যদিকে, বাংলাদেশ দলের নয়া অধিনায়ক জানিয়েছেন তার অপেক্ষার কথা। তিনি বলেছেন, ‘আমরা কখনো গোলাপি বলে দিবা-রাত্রির টেস্ট খেলিনি। আমার জন্য রোমাঞ্চের বিষয় এই এমন একটি টেস্ট খেলা ও নেতৃত্ব দেয়া। এক কথায় বলবো বিশাল সুযোগই অপেক্ষা করছে আমাদের জন্য। কারণ আমরা জানি না এর পর আবার এমন একটা টেস্ট খেলার আয়োজন আমাদের জন্য কবে হবে। আমরা মুখিয়ে আছি কলকাতার সেই টেস্টের জন্য।’ কলকাতার ইডেন গার্ডেন্সে দিবা-রাত্রির টেস্ট ম্যাচ মাঠে গড়াবে আগামী ২২শে নভেম্বর।

নাইমুর রহমান দুর্জয় বাংলাদেশ দলের প্রথম টেস্টের অধিনায়ক সেই ২০০০এ ভারতের বিপক্ষে নিজেদের অভিষেক ম্যাচে হেরেছিলেন ৯ উইকেটের ব্যবধানে। ১৯ বছর পর বাংলাদেশ দলের ১১তম অধিনায়ক মুমিনুল হক সৌরভ নেমেছেন ভারতের মাটিতে প্রথম পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলতে। কিন্তু সেখানে বিরাটের দলের বিপক্ষে হেরেছে বড় এক ব্যবধানে। এবার তিনি দাঁড়িয়ে আছেন দ্বিতীয় টেস্ট কলকাতায় দেশের হয়ে নতুন সূচনার দ্বারপ্রান্তে। এই ম্যাচ দিয়েই টাইগাররা প্রবেশ করবে গোলাপি বলের টেস্ট ইতিহাসে। অন্যদিকে ভারতের অধিনায়কের জন্যেও দারুণ উত্তেজনার ম্যাচ বলেই তিনি জানিয়েছেন। তবে, তিনিও আছেন এই দিনটির অপেক্ষায়। তিনি সংবাদ সম্মেলনে বলেছেন, ‘আমি এর আগে কখনও গোলাপি বলে খেলিনি। তাই আমি চেয়েছিলাম এই বলকে একটু দেখে নিতে। পিঙ্ক বল নিয়ে আমার ভাবনা-চিন্তা ছিল। আমার মনে হয়, সকলেই ভালো খেলবে। যেহেতু লাল বলে খেলে আমরা অভ্যস্ত সেহেতু গোলাপি বলে খেলতে হলে বাড়তি মনোযোগ দিতে হবে, এবং রিফ্লেক্সের ওপরও কাজ করতে হবে। নেটে লাল বলে অনুশীলন করে গোলাপি বলে খেলাটা খুব কঠিন। সে কারণেই এটা দেখে নেয়া হল। এর পিছনে আর কো?নও কারণ নেই।’

গোলাপি বলে খেলা নিয়ে যেমন আছে উত্তেজনা তেমনি আছে ভয়ও। কারণ বলে দারুণ সুইং পান পেসাররা। সেই ভয়ের কথাও জানিয়েছেন ভারতের অধিনায়কও। বিরাট কোহলি বলেছেন, ‘আমি গোলাপি বলে খেলেছিলাম, আমার মনে হয় লাল বলের চেয়ে অনেক বেশি সুইং থাকবে গোলাপি বলে। কারণ, বলের উপর বাড়তি বার্নিশ থাকবে। এবং খুব দ্রুত যাবে না। যদি পিচ বোলারদের সাহায্য করে তাহলে বোলাররা ভালো করবে, বিশেষ করে ফাস্ট বোলাররা।’

অন্যদিকে, বাংলাদেশের অধিনায়কও আছেন ভারতের সুইংয়ের ভয়ে। ইন্দোরে শামি-যাদবরা যে সুইং দেখিয়েছে তাতে ইডেনে কি হবে তার ভাবনাও কম নয়। বিকালে হোলকার স্টেডিয়ামে কড়া নিরাপত্তার মধ্য দিয়ে অনুশীলন শুরু করে দুই দল। নেটে প্রায় এক ঘণ্টা সময় কাটান টাইগার ওপেনার ইমরুল কায়েস। অন্যপাশে মুমিনুলকে বল করেন মোস্তাফিজুর রহমান, আল আমিন হোসেন ও আবু জায়েদ রাহীরা। অনুশীলনের আগে পেসার আবু জায়েদ চৌধুরী রাহীকে দারুণ উচ্ছ্বসিত মনে হচ্ছিল। তিনি বলেন, ‘আজই (গতকাল) প্রথম অনুশীলন করবো গোলাপি বলে। অবশ্য একটা বাড়তি উত্তেজনা কাজ করছে। যতটুকু সম্ভব প্রথম টেস্টের কথা ভুলে ইডেন টেস্টের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।’

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর