× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা ইলেকশন কর্নার মন ভালো করা খবরসাউথ এশিয়ান গেমস- ২০১৯
ঢাকা, ১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার
বারনামার রিপোর্ট

বাংলাদেশে রাসায়নিকের বড় বাজার দেখছে মালয়েশিয়া

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২ ডিসেম্বর ২০১৯, সোমবার, ১১:১২

রাসায়নিক ও রাসায়নিক পণ্য বাংলাদেশে রপ্তানির বড় সুযোগ দেখছে মালয়েশিয়া। ঢাকায় মালয়েশিয়া এক্সটার্নাল ট্রেড ডেভেলপমেন্ট করপোরেশন (মাট্রেড) এক্সপোর্ট এক্সেলারেশন মিশন (ইএএম) মালয়েশিয়ার এসব খাতের সক্ষমতাকে অনুমোদন করবে। এর ফলে উচ্চ গুণসম্পন্ন কৃষিজাত রাসায়নিক সামগ্রী বাংলাদেশে রপ্তানি করতে পারবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানিগুলো। এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে কীটনাশক, ডিটারজেন্ট, অ্যাক্রাইলিক সরঞ্জাম, অপটিক্যাল সোলার ফিল্ম, পরিবেশ সুরক্ষা বিষয়ক সেবা, শিল্পে ব্যবহৃত রাসায়নিক পণ্য, আবর্জনা ব্যবস্থাপনা বিষয়ক রাসায়নিক পণ্য সহ বিভিন্ন রকম লজিস্টিক সেবা।  এ খবর দিয়েছে মালয়েশিয়ার সরকারি বার্তা সংস্থা বারনামা।

মাট্রেডের তেল ও গ্যাস, রাসায়নিক ও জ্বালানি বিভাগের পরিচালক এস জয়শঙ্কর এক বিবৃতিতে বলেছেন, শিল্পায়ন বৃদ্ধির ফলে বাংলাদেশে রাসায়নিক পণ্যের চাহিদা ও এর বাণিজ্য ব্যাপকভাবে বেড়ে গেছে। জাতীয় বাণিজ্য প্রচারণা বিষয়ক এজেন্সি হিসেবে আমরা এই সুযোগ নিতে চাই। সঙ্গে আমাদের সংশ্লিষ্ট রপ্তানিকারকরাও এ সুবিধা নেবেন। ক্রমবর্ধমান এই বাজারে শক্তিশালীভাবে উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পারবেন এই মিশনের সব অংশীদার।


বাংলাদেশ ব্যাংকের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ২০১৭-২০১৮ সালে ২০৬ কোটি ডলারের রাসায়নিক পণ্য আমদানি করেছে বাংলাদেশ। ১০ বছর আগের তুলনায় এই অংক অনেক বেশি। ওই সময়ে এই অংক ছিল ৭১ কোটি ৮০ লাখ ডলার। বাংলাদেশে রয়েছে ৩০০০ কোটি ডলারের বস্ত্র ও তৈরি পোশাক খাত। তারাই আমদানি করা রাসায়নিকের বড় ক্রেতা। এসব রাসায়নিক পদার্থ তারা ডাই ও কাপড় ধোয়ার কাজে ব্যবহার করে। এর বাইরে ওষুধ প্রস্তুতকারক কোম্পানি এবং খাদ্য প্রক্রিয়াকরণ শিল্পে রাসায়নিকের ব্যবহার হয়।

২০১৮ সালে বাংলাদেশে মালয়েশিয়ার রাসায়নিক পণ্য রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে শতকরা ০.৭ ভাগ। এ সময়ে বাংলাদেশে মোট রপ্তানি হয়েছে ৬ কোটি ৪৯ লাখ রিঙ্গিতের রাসায়নিক পণ্য। সবচেয়ে বেশি যেসব রাসায়নিক পণ্য বাংলাদেশে এসেছে মালয়েশিয়া থেকে তার মধ্যে রয়েছে প্লাস্টিক, জৈব রাসায়নিক, বিভিন্ন রকম রাসায়নিক পণ্য, ট্যানিং, ডাই, পেইন্ট, পুটি ও অজৈব রাসায়নিক পণ্য। বাংলাদেশ বা দক্ষিণ এশিয়ার বাজারে যেসব মালয়েশিয়ার কোম্পানি রপ্তানি করতে চায় তাদেরকে যোগাযোগ করতে বলা হয়েছে মাট্রেড-এর চেন্নাই ও মুম্বইয়ে অবস্থিত ট্রেড অফিসের সঙ্গে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর