× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৫ ডিসেম্বর ২০২০, শনিবার

এফিডেভিট শাখায় সিসি ক্যামেরা বসিয়েও অনিয়ম রুখতে পারছি না

প্রথম পাতা

স্টাফ রিপোর্টার
৩ ডিসেম্বর ২০১৯, মঙ্গলবার

সিসি ক্যামেরা বসানোর পরেও সুপ্রিম কোর্টের এফিডেভিট শাখায় অনিয়ম বন্ধ না হওয়ায় হতাশা প্রকাশ করেছেন প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন। গতকাল সকালে আপিল বিভাগে একটি মামলার শুনানিকে কেন্দ্র করে প্রধান বিচারপতি সৈয়দ মাহমুদ হোসেন এই মন্তব্য করেন। নির্ধারিত মামলার শুনানি করতে গিয়ে অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম আদালতকে বলেন, একটি মামলা আজ (গতকাল) শুনানির তিন নম্বর সিরিয়ালে (আপিল বিভাগের কার্যতালিকায়) থাকার কথা। কিন্তু অদৃশ্যভাবে তা ৮৯ নম্বর সিরিয়ালে গেছে। কীভাবে এতো পেছনে গেলো, তা আপিল বিভাগের কাছে জানতে চান তিনি। এ সময় প্রধান বিচারপতি বলেন, কী আর করবো বলেন? সিসি ক্যামেরা বসালাম (এফিডেভিট শাখা কক্ষে), এখন সবাই বাইরে এসে এফিডেভিট করে। সিসি ক্যামেরা বসিয়েও অনিয়ম রুখতে পারছি না। তখন অ্যাটর্নি জেনারেল বলেন, অনেকেই মামলার তালিকা ওপর-নিচ করে কোটিপতি হয়ে গেছে।
এরপর প্রধান বিচারপতি বলেন, রাষ্ট্রপক্ষের অনেক আইনজীবীও আদালতে আসেন না। বেতন বেশি হওয়ার কারণে এমন হচ্ছে। বেতন কম হলে তারা ঠিকই কষ্ট করে আদালতে আসতেন।পরে প্রধান বিচারপতি তাৎক্ষণিক ডেপুটি রেজিস্টার মোহাম্মদ মেহেদী হাসানকে আপিল বিভাগে তলব করেন। তলবে হাজির হয়ে তিনি এর ব্যাখ্যা দেন। পরে ডেপুটি রেজিস্ট্রারকে সঠিকভাবে দায়িত্ব পালনের নির্দেশ দেন প্রধান বিচারপতি।

অ্যাটর্নি জেনারেল মাহবুবে আলম মানবজমিনকে বলেন, আজ একটি মামলা শুনানির ৩ নম্বর সিরিয়ালে থাকার কথা ছিল। কিন্তু অদৃশ্যভাবে তা ৮৯ নম্বর সিরিয়ালে গেছে। কীভাবে এতো পেছনে গেলো, তা আপিল বিভাগের কাছে জানতে চাই। তখন প্রধান বিচারপতি ডেপুটি রেজিস্টারকে তলব করেন। এ বাপারে ডেপুটি রেজিস্টার বলেন, প্রধান বিচারপতি প্রায়ই তলব করেন। তলবে হাজির হয়ে ব্যাখ্যা দেই। তারই ধারাবাহিকতায় আজও (সোমবার) ডেকেছিলেন। আদালতে তলবের ব্যাখ্যা দিয়েছি।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর