× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার

মিয়ানমার সফরে সম্পর্ক উন্নয়নে আলোচনা হবে

শেষের পাতা

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ৫ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ৯:৩৯

মিয়ানমার সফরকে সামনে রেখে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. একে আবদুল মোমেনের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল আজিজ আহমেদ। পররাষ্ট্র  মন্ত্রণালয়ে বুধবার ওই সাক্ষাৎ-বৈঠক শেষে উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে সেনাপ্রধান বলেন, সফরকালে দুই দেশের মধ্যে সামরিক সহযোগিতা ও কার্যক্রম সমপ্রসারণের উপায় এবং বিদ্যমান সম্পর্ক উন্নয়ন সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয় নিয়ে আলোচনা করবেন তিনি। গত মাসে পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. মোমেন বলেছিলেন- সেনাপ্রধানের মিয়ানমার সফর বাংলাদেশের জন্য ভালো হবে, যা রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনে দুই দেশের মধ্যে আলোচনার আরেকটি পথ খুলে দেবে। রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় এক অনুষ্ঠান শেষে মন্ত্রীর ভাষ্যটি ছিল এমন ‘এই সফরের মধ্য দিয়ে আরেকটি লাইন অব নেগোশিয়েশন তৈরি হবে।’ জেনারেল আজিজের মতে, আস্থা আর বিশ্বাস পুনঃস্থাপনই তার সফরের অন্যতম উদ্দেশ্য।

উল্লেখ্য, আগামী সপ্তাহে তাৎপর্যপূর্ণ সফরে সেনা প্রধান মিয়ানমার যাচ্ছেন। সফরটিকে ঘিরে কূটনৈতিক মহলে ব্যাপক কৌতুহল। বিশেষ করে চীন সফরের পর তাঁর মিয়ানমার যাত্রা। পর্যবেক্ষকরা বলছেন, তিনি এমন এক সময়ে মিয়ানমার যাচ্ছেন যখন আন্তর্জাতিক মহলের দৃষ্টি পূর্ণমাত্রায় নিবদ্ধ দেশটির ওপর। প্রেক্ষাপট যাই হোক, রোহিঙ্গা সংকটের কারণে দু’দেশের সম্পর্ক এখন হিমশীতল।
প্রায় ১১ লাখ রোহিঙ্গার বোঝা বাংলাদেশের ঘাড়ে। তাদের প্রত্যাবাসনে মিয়ানমারের ওপর ক্রমাগত চাপ দিয়ে যাচ্ছে বিশ্ব সম্প্রদায়। বাংলাদেশ অনেকটা এগিয়ে গিয়ে মিয়ানমারের সঙ্গে প্রত্যাবাসন চুক্তি করেছিল, কিন্তু একজন রোহিঙ্গাকেও ফেরত পাঠানো যায়নি দেশটির অসহযোগিতার কারণে। উল্লেখ্য, পাঁচ বছর ধরে দু’দেশের সেনাবাহিনীর শীর্ষ পর্যায়ে সফর বিনিময় বন্ধ রয়েছে। সর্বশেষ, ২০১৪ সালে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীর প্রধান জেনারেল ইকবাল করিম ভুঁইয়া মিয়ানমার সফর করেছিলেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর