× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৩ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার

শ্বেত ভাল্লুকের দখলে রুশ গ্রাম

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ৬ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ২:০৪

রাশিয়ার দূরবর্তী উত্তরাঞ্চলের এক গ্রাম দখল করে নিয়েছে কয়েক ডজন শ্বেত ভাল্লুকের একটি দল। নিজেদের আবাসস্থল ছেড়ে মানব বসতিতে নেমে এসেছে তারা। তাদের উপস্থিতিতে একপ্রকার অচল হয়ে পড়েছে গ্রামটি। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সব ধরনের কাজকর্ম। স্কুলগুলোয় অবস্থান নিয়েছেন অনেকে। সেখানে পাহারা বসানো হয়েছে। এ খবর দিয়েছে বিবিসি।
খবরে বলা হয়, রাশিয়ার চুকোতকা অঞ্চলের রাইরক্যাপি গ্রামে সম্প্রতি ছোট-বড় মিলিয়ে ৫০টির বেশি শ্বেত ভাল্লুক হাজির হয়েছে। রিয়ারক্যাপির ভাল্লুক নিয়ন্ত্রণ কর্মসূচির প্রধান তাতিয়ানা মিনেনকো জানান, তারা অন্তত ৫৬টি ভাল্লুকের উপস্থিতি নিশ্চিত করতে পেরেছেন।
তিনি বলেন, সব ধরনের ভাল্লুকই এসেছে। বাচ্চা সহ মা ভাল্লুকের দেখাও মিলেছে। তারা দেখতে শীর্ণ।    

প্রাণী সংরক্ষণবাদীরা বলছেন, জলবায়ু পরিবর্তনের জন্যই এমনটি ঘটেছে। তাপমাত্রা বৃদ্ধি পাওয়ায় উপকূলীয় বরফের স্তর দুর্বল হয়ে পড়ছে। সেখানে খাবারের সন্ধান করা কঠিন হয়ে পড়েছে তাদের জন্য। তাই খাবারের সন্ধানে মানব বসতিতে হাজির হয়েছে তারা। তাপমাত্রা কমে গেলে তারা ফের সমুদ্রে ফিরে যাবে।
এদিকে অন্যান্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, রাশিয়ার ওই অঞ্চলটিতে মানব বসতিগুলোয় শ্বেত ভাল্লুকের হাজির হওয়ার ঘটনা সাম্প্রতিককালে বেড়েছে। বিশেষ করে রাইরক্যাপি গ্রামটিতে প্রায়ই তাদের দেখা যাচ্ছে। গ্রামটিতে প্রায় ৭০০ মানুষের বসবাস। অনেকে গ্রামটি খালি করে দেয়ার আহ্বান জানিয়েছেন। উল্লেখ্য, চলতি বছরের শুরুর দিকে নোভায়া যেমালয়া নামের এক প্রত্যন্ত রুশ অঞ্চলে শ্বেত ভাল্লুকের উৎপাতে জরুরি অবস্থা জারি করা হয়।

প্রসঙ্গত, শ্বেত ভাল্লুক সাধারণত রাইরক্যাপি থেকে প্রায় ২.২ কিলোমিটার দূরে ক্যাপ শ্মিট অন্তরীপে বাস করে। ওয়ার্ল্ড ওয়াইড ফান্ড ফর ন্যাচার (ডব্লিউডব্লিউএফ) এর সংরক্ষণবাদী মিখাইল স্তিশভ জানান, সাম্প্রতিক বছরগুলোয় অন্তরীপটি উষ্ণ হয়ে ওঠেছে। তিনি বলেন, বরফ যদি পর্যাপ্ত পরিমাণে শক্ত থাকতো তাহলে তারা ইতিমধ্যেই সমুদ্রে ফিরে যেতো। তারা বরফ শক্ত হওয়ার অপেক্ষা করছে। আর এ সময়ে খাবারের সন্ধানে গ্রামের দিকে চলে এসেছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর