× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার

সবজির দাম কমে এলেও পিয়াজে এখনও অস্বস্তি

এক্সক্লুসিভ

অর্থনৈতিক রিপোর্টার | ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, ৭:২৬

ঢাকার বাজারে শীতকালীন সবজির সরবরাহ বাড়ায় ধীরে ধীরে কমে আসছে শাক-সবজির দাম। বেশিরভাগ সবজি এখন পাওয়া যাচ্ছে ৪০ থেকে ৬০ টাকায়। অন্যদিকে জাহাজে পিয়াজ আমদানি শুরু হলেও চীন আর মিশরের পিয়াজ ছাড়া দেশি ও অন্য দেশ থেকে আমদানি করা পিয়াজ বেশি দামে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া গরু ও খাসির মাংসের দাম না কমলেও কমেছে মুরগির দাম। রাজধানীর সেগুন বাগিচা, শান্তিনগর, রামপুরা ও কাওরান বাজার ঘুরে ও ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে এ তথ্য জানা গেছে।

বাজার ঘুরে দেখা গেছে, শীতকালীন শাক-সবজি ফুলকপি, বাঁধাকপি, মুলা, শালগম, শিম, পালংশাক, মুলা ও সরিষা শাকের সরবরাহ বাড়ায় রাজধানীর বাজারগুলোতে কিছু কিছু সবজির দাম কমেছে। যে শিম গত সপ্তাহ বিক্রি হয়েছে ১০০ টাকার উপরে তা এখন বিক্রি হচ্ছে ৪০ থেকে ৫০ টাকায়। আর পাকা টমেটোর দাম কেজিতে কমেছে ৩০ টাকার বেশি। ব্যবসায়ীরা জানান, শীতকালীন শাক-সবজির সরবরাহ বাড়ায় দাম কমতে শুরু করেছে।
সামনে সরবরাহ আরো বাড়বে। দামও কমবে বলে বিক্রেতারা মনে করেন।

কাওরান বাজারের ব্যবসায়ী সালাম বলেন, সপ্তাহের ব্যবধানে টমেটোর দাম কমেছে। এর কারণ বাজারে এখন কাঁচা টমেটোর পাশাপাশি দেশি পাকা টমেটোও আসছে। গত সপ্তাহে ৪০০ টাকা পাল্লা বিক্রি হওয়া টমেটো এখন ২৮০-৩০০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। এ হিসাবে কেজিতে টমেটোর দাম কমেছে ২০-২৫ টাকা। এদিকে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি পাকা টমেটো বিক্রি হচ্ছে ৭০-৮০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ১০০-১২০ টাকা।

সবজি ব্যবসায়ী আলম বলেন, শিম, টমেটো, মুলা, শালগমের দাম কমতে শুরু করেছে। এখন দিন যত যাবে, আস্তে আস্তে সব ধরনের সবজির দাম কমবে। অনেক সবজি ৩০ টাকা কেজির মধ্যে পাওয়া যাবে।
বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা, বাজারে নতুন আলু কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫০-৬০ টাকা, যা গত সপ্তাহে ছিল ৮০-১০০ টাকা। বরবটি বিক্রি হচ্ছে ৬০-৮০ টাকা কেজি, গত সপ্তাহেও সবজিটির দাম একই ছিল। ফুলকপি ও বাঁধাকপি আগের সপ্তাহের মতো ৩০-৪০ টাকা পিস বিক্রি হচ্ছে। পেঁপেও আগের মতো ৩০-৩৫ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। তবে সপ্তাহের ব্যবধানে বেগুনের দাম কিছুটা কমেছে। গত সপ্তাহে ৮০ থেকে ১০০ টাকা কেজি বিক্রি হওয়া বেগুনের দাম কমে ৪০ থেকে ৬০ টাকার মধ্যে বিক্রি হচ্ছে। মুলার কেজি ৫০ টাকা থেকে কমে ২০-৩০ টাকার মধ্যে চলে এসেছে। করলা আগের মতো ৫০ থেকে ৬০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে।

দক্ষিণ রামপুরার বাসিন্দা আকরাম বলেন, এখন শীতের সবজির ভর মৌসুম। বাজারে সব ধরনের শীতের সবজি রয়েছে। স্বাভাবিকভাবেই সব ধরনের সবজির দাম কমার কথা। শিম, মুলার দাম কিছুটা কমেছে, কিন্তু যে হারে সবজির দাম কমার কথা সে হারে কমেনি। এখনও ছোট ছোট এক পিস ফুলকপি ৪০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
এদিকে জাহাজে করে পিয়াজ আসলেও কমেনি পিয়াজের দাম। বাজার ও মানভেদে এ পিয়াজের কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮০ থেকে ১২০ টাকা। তবে কমেনি মিয়ানমার ও দেশি পিয়াজের দাম। আগের মতো দেশি পিয়াজ ২৫০-২৬০ টাকা এবং মিয়ানমারের পিয়াজ ২০০-২২০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া বাজারে নতুন পিয়াজ ১৯০ থেকে ২০০ টাকা, চীনা পিয়াজ ১২০ থেকে ১৩০ টাকা ও মিসরীয় পিয়াজ ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। পাইকারি বাজারে পাতাসহ পিয়াজ প্রতি কেজি ৬০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর