× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২০ জানুয়ারি ২০২০, সোমবার
অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসকের অভাব

খুলনা সদর হাসপাতালে এক সপ্তাহ ধরে অপারেশন বন্ধ রোগীদের চরম ভোগান্তি

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে | ৭ ডিসেম্বর ২০১৯, শনিবার, ৯:০১

 শুধুমাত্র অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসকের অভাবে খুলনা সদর হাসপাতালে এক সপ্তাহ অপারেশন বন্ধ রয়েছে। অপারেশনের রোগীদের অ্যানেস্থেশিয়া বা অজ্ঞানের জন্য একজন মাত্র চিকিৎসক ছিলো। তারও পদোন্নতি এবং বদলি হওয়ায় অপারেশন করতে পারছে না সার্জারি চিকিৎসকরা। ফলে অপারেশনের অপেক্ষায় রোগীরা পড়েছেন সীমাহীন ভোগান্তিতে। সংশ্লিষ্ট সূত্রে পাওয়া তথ্য মতে, খুলনা সদর হাসপাতালে অবকাঠামো ও জনবল না থাকলেও রোগীদের চাপ বরাবরই বেশি। যে কারণে হাসপাতালটি আড়াইশ’ শয্যা  ঘোষণা হয়েছে ২০১৭ সালে। অথচ পূর্বের একশ’ শয্যার এ হাসপাতালটির অনুমোদিত জনবলেরও এক তৃতীয়াংশের বেশি পদ শূন্য। ৩৪ জন চিকিৎসকের ৭টি পদ শূন্য।
১৬২টি নার্সিং পদের মধ্যে ২০টির বেশি পদ শূন্য রয়েছে। কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের মধ্যেও ৩৫টি পদ শূন্য। এমন ত্রাহী অবস্থার মধ্য দিয়ে হাসপাতালটি যখন দ্বিগুণ এর  বেশি রোগীর সেবা দিচ্ছেন ঠিক তখনই অ্যানেস্থেশিয়া বিভাগের একজন মাত্র বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক ডা. মো. মনিরুজ্জামানকে পদোন্নতি দিয়ে সাতক্ষীরা বদলি করা হয়েছে। ফলে বন্ধ হয়ে গেছে সকল ধরনের অপারেশন। গত বৃহস্পতিবার  থেকে হাসপাতালে সব ধরনের অপারেশন বন্ধ রয়েছে। এতে চরম বিপাকে পড়েছে অপারেশনের অপেক্ষায় থাকা ভর্তি  রোগীরা। সার্জারি বিভাগের কনসালট্যান্ট ডা. মো. রফিকুল ইসলাম বলেন, কিছু ছোটখাট অপারেশন ছাড়া সবকিছুই বন্ধ রয়েছে। কারণ অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক না থাকলে অপারেশন করা সম্ভব নয়। এতে রোগীর জীবন বিপন্ন হবে। তিনি জানান, একজন মাত্র চিকিৎসক ছিল অ্যানেস্থেশিয়ার তাকেও পদোন্নতি দিয়ে বদলি করা হয়েছে।
এখন  রোগীদের কষ্ট দেখতে হচ্ছে। এখানে কোনো অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক পদায়ন না করলে অপারেশন শুরু করা সম্ভব নয়। এরই মাঝে খুলনার সিভিল সার্জন ও সদর হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. এসএম আবদুর রাজ্জাক গত বৃহস্পতিবার থেকে অবসর গেছেন। নতুন কেউ এখনও আসেননি। হাসপাতালের দ্বিতীয় প্রধান আরএমও ডা. মো. মাহবুবুর রহমানও আছেন খুলনার বাইরে। ফলে একটি হাহাকার অবস্থা বিরাজ করছে খুলনা সদর হাসপাতালে। সদ্য বিদায়ী সিভিল সার্জন ডা. এসএম আবদুর রাজ্জাক বলেন, আমি গত বৃহস্পতিবার থেকে অবসর নিয়েছি। হঠাৎ করে একমাত্র অ্যানেস্থেশিয়া চিকিৎসক ডা.  মো. মনিরুজ্জামানকে পদোন্নতি দিয়ে সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে বদলি করা হয়েছে। এতে অপারেশন বিঘ্নিত হচ্ছে। আমার দায়িত্ব না থাকলেও আমি বার বার কথা বলছি। খুলনা  মেডিকেল কলেজ হাসপতাল থেকে সদ্য পদোন্নতি পাওয়া চিকিৎসক ডা. মো. আবদুস সামাদকে এখানে নিয়ে আসার  জোর প্রচেষ্টা চলছে। আশা করি একটা ব্যবস্থা হয়ে যাবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর