× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ৩০ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার

শুটিংয়ে বাকী-দিশার হতাশার দিন

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার, কাঠমান্ডু (নেপাল) থেকে | ৮ ডিসেম্বর ২০১৯, রবিবার, ৯:২২

কাঠমান্ডুর সাদদোপাতো স্পোর্টস কমপ্লেক্সের শুটিং রেঞ্জে গতকাল মূল আকর্ষণ ছিল ১০ মিটার এয়ার রাইফেলের মিক্সড ডাবলস। কমনওয়েলথ গেমসে জোড়া রৌপ্য জয়ী আবদুল্লাহ হেল বাকীর কারণেই এ ইভেন্টে স্বর্ণ জয়ের স্বপ্ন দেখছিল বাংলাদেশ। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলের মিশ্র দ্বৈতের ফাইনালে ভারতের দুই প্রতিযোগির সঙ্গে শুরুটা সমান তালেই করেছিলেন আবদুল্লাহ হেল বাকী ও আতকিয়া হাসান দিশা। ফাইনালে শুট অফে এক পর্যায়ে ৬-৪ পয়েন্টে লীডও নিয়েছিল বাংলাদেশ। এরপর আর নিজেকে ধরে রাখতে পারেননি বাকী। তুলনামূলক অনভিজ্ঞ দিশা শুটঅফে ভালো স্কোর গড়লেও বাকী সেটা পারছিলেন না। ফাইনালে বরাবরের মতো বাকী চাপ ধরে রাখতে না পারায় খেসারত দিয়ে এই ইভেন্টে স্বর্ণ  খোয়ালো বাংলাদেশ। ১০ মিটার এয়ার রাইফেলের বাছাই পর্বে শীর্ষে থেকেই ফাইনাল নিশ্চিত করেছিলেন বাকী।
ব্যক্তিগত এই ইভেন্টের ফাইনাল শুটঅফে বাকীর শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। শুটঅফের সময় যতো গড়িয়েছি বাকীও ততো খারাপ করেছেন। এতে ব্রোঞ্জে সন্তুষ্ট থাকতে হয়েছে তাকে। কাল একই হাল হওয়ার কারণ ব্যাখ্যা করতে গিয়ে বাকী বলেন, ‘আমি আসলে নিজের প্রতি মনযোগী ছিলাম। কীভাবে পারফেক্ট শট করা যায়, নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করা যায় সেই চেষ্টাই করেছিলাম। কিন্তু শেষ দিকে গিয়ে কেন জানি হচ্ছে না। শুটঅফে ভালো করেও স্বর্ণ হারানোর পর কষ্ট নেই আতকিয়া হাসান দিশার। তিনি বলেন, ‘স্বর্ণ জিততে না পারায় কষ্ট পাইনি। আমরা তো ফাইট দেয়ার সর্বোচ্চ চেষ্টা করেছি। খুব কাছেই ছিলাম। যা হয়েছে তাতেই আলহামদুলিল্লাহ।’ কেন হচ্ছে না এর কারণ জানাতে গিয়ে দিশা বলেন, ‘সমস্যা অনেক। আমি আমাদের প্রতিবেশী দেশ ভারতের কথা বলবো, তারা অনেক ক্যাম্প করছে এবং বাইরে অনেক ফাইনাল খেলছে। এটা তো আমাদের মনে হয় দ্বিতীয় ফাইনাল মিক্সড টিমে, এর আগে বাকুতে করেছিলাম। এর জন্যই হয়তো ফাইনাল টেম্পারমেন্ট নিতে পারছি না।’
এদিকে আজ ১০ মিটার পিস্তলে নামবেন গত আসরের স্বর্ণ জয়ী শাকিল আহম্মেদ। আগামীকাল একই ইভেন্টের মিক্সড ডাবলসে তার সঙ্গে লড়বেন মেয়েদের পিস্তলে রৌপ্য জয়ী আরদিনা ফেরদৌস আঁখি।
ভারোত্তোলন: পোখারায় মেয়েদের ৭৬ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচে ৮০ কেজি ও ক্লিন অ্যান্ড জার্কে ১০৫ কেজি মিলিয়ে মোট ১৮৫ কেজি ওজন তুলে স্বর্ণ জেতেন মাবিয়া আক্তার সীমান্ত। শ্রীলঙ্কার বিসি প্রিয়ান্তি স্ন্যাচ (৮৩ কেজি) ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক (১০১ কেজি) মিলিয়ে ১৮৪ কেজি তুলে রৌপ্য জেতেন।
ছেলেদের ৯৬ কেজি ওজন শ্রেণিতে স্ন্যাচ (১২০ কেজি) ও ক্লিন অ্যান্ড জার্ক (১৪২ কেজি) মিলিয়ে ২৬২ কেজি তুল স্বর্ণপদক জেতেন জিয়ারুল ইসলাম।
হ্যান্ডবল : মেয়েদের সেমিফাইনালে ভারতের কাছে ৪১-১৩ গোলে হেরেছে বাংলাদেশ। ছেলেদের সেমিফাইনালে পাকিস্তানের কাছে ২৮-১৭ গোলে হারে বাংলাদেশ।
বাস্কেটবল: মেয়েদের বিভাগে গ্রুপ পর্বে ভুটানের কাছে ৭৮-১৯ ব্যবধানে পরাজিত হয় বাংলাদেশ। বাস্কেটবল থ্রি অন থ্রি বিভাগে ছেলেদের প্রথম ম্যাচে নেপালের কাছে ২১-০৯  এবং দ্বিতীয় ম্যাচে ভারতের কাছে ২১-১১ ব্যবধানে হারে বাংলাদেশ।
কাবাডি: পুরুষ কাবাডিতে ভারতের কাছে ৪৪-১৯ পয়েন্টে হেরেছে বাংলাদেশ। প্রথমার্থে ভারত এগিয়ে ছিল ২৮-৮ পয়েন্টে। বাংলাদেশের পরের ম্যাচ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৮ই ডিসেম্বর সকাল ৯টায় আর্মড ফোর্স পুলিশ কমপ্লেক্সে।
অ্যাথলেটিক্স: শিলিং গৌহাটির গত আসরের রিলেতে ব্রোঞ্জ জিতেছে বাংলাদেশ। এবার কাঠমান্ডুর দশরথ স্টেডিয়ামে ছেলেদের ৪ গুণিতক ৪০০ মিটার রিলেতে আবু তালেব-সাইফুল ইসলাম-মাসুদ রানা-জহির রায়হান ৩ মিনিট ১৫ দশমিক ৫০ সেকেন্ড সময় নিয়ে চতুর্থ হয়েছেন। এ ইভেন্টে শ্রীলঙ্কা ৩ মিনিট ০৮ দশমিক ০৪ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণ জেতে। মেয়েদের ৪ গুণিতক ৪০০ মিটার রিলেতে শাবিয়া আল সোহা-সুমি আক্তার-শরিফা খাতুন-শিরিন আক্তারে গড়া বাংলাদেশ দল ৪ মিনিট ০ দশমিক ৫৫ সেকেন্ড সময় নিয়ে চতুর্থ হন।
সাঁতার: ছেলেদের ৫০ মিটার ব্রেস্টস্ট্রোকে আরিফুল ইসলাম ২৮.৩৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে রৌপ্য পদক পেয়েছেন। ভারতের সেলভারাস প্রেমা ২৮.০৬ সেকেন্ড সময় নিয়ে স্বর্ণ পান। ছেলেদের ৪০০ মিটার ইনডিভিজুয়াল মিডলেতে জুয়েল আহমেদ ৪ মিনিট ৪০.৮২ সেকেন্ড সময় নিয়ে রৌপ্য জিতেছেন। ভারতের শ্রীধর শিভা স্বর্ণ জিতেছেন।
কুস্তি: মেয়েদের ৫৫ কেজি ওজন শ্রেণিতে রিমি সরকার রৌপ্যপদক জিতেছেন। এই ইভেন্টে স্বর্ণপদক নেপালের। ছেলেদের ৯৭ কেজিতে ব্রোঞ্জপদক পেয়েছেন রশীদ হাওলাদার। স্বর্ণ ভারত ও রৌপ্য পাকিস্তানের। ছেলেদের ১০২ কেজিতে মোহাম্মদ মাইনুল ইসলাম সব মিলিয়ে ২৫০ কেজি তুলে রৌপ্য পদক জয় করেন। মেয়েদের ৮১ কেজিতে জহুরা খাতুন নিশা সব মিলিয়ে ১৬৮ কেজি রৌপ্য পদক জয় করেন। মেয়েদের ৮৭ (প্লাস) ওজন শ্রেণিতে ফিরোজা পারভীন ব্রোঞ্জ পেয়েছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর