× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ঢাকা সিটি নির্বাচন- ২০২০ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২২ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার

বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ ১৮ দিনেও মামলা নেয়নি পুলিশ

বাংলারজমিন

নোয়াখালী প্রতিনিধি | ১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ৮:৩২

নোয়াখালী জেলা শহরে বিয়ের প্রলোভনে ৮ মাস ধরে ধর্ষণ করেছে অফিসের মহিলা কর্মচারীকে। বিয়ে করতে অস্বীকার করায় সুধারাম থানায় অভিযোগ করার ১৮ দিন পার হলেও থানা কোনো আইনগত ব্যবস্থা বা মামলা গ্রহণ করেনি। ভিকটিম (২০) জানায়, নোয়াখালী জেলা শহরের মাইজদী বাজারের মনোয়ারা প্লাজার তৃতীয় তলায় অবস্থিত বিদেশী পণ্য বাজারজাতকরণ একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করত ভিকটিম (২০)। চাকরিরত অবস্থায় অফিসের কর্মকর্তা কামরুল হাসান শিমুলের সাথে তার সম্পর্ক গড়ে উঠে। এ সম্পর্কের সুবাদে কামরুল হাসান তাকে বিয়ের প্রলোভন র্দেখিয়ে ১লা এপ্রিল অফিসের ভিতর জোরপূর্বক ধর্ষণ করে। এরপর সে কান্নাকাটি করলে অফিসের অন্য কর্মকর্তা নুর হোসেন এর মধ্যস্থতায় কামরুল তাকে বিয়ের আশ্বাস দেয়। এরপর থেকে প্রতিদিন কামরুল হাসান, নুর হোসেনের সহায়তায় তাকে যৌন উত্তেজক ওষুধ খাইয়ে অফিসের ভেতরই ১লা এপ্রিল থেকে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত দিনে ২/৩ বার করে ধর্ষণ করতো। ১৮ই নভেম্বর পর্যন্ত সে নুর হোসেনের সামনে কামরুলকে বিয়ের জন্য চাপ দিলে কামরুল তাকে মারধর করে নুর হোসেনের সহায়তায় অফিস থেকে বের করে দেয়।
এরপর ভিকটিম ১৮ই নভেম্বর দুপুর ১২টায় সুধারাম থানায় এসে কামরুল হোসেন হাসান ও নুর হোসেনের বিরুদ্ধে ধর্ষণ, ধর্ষণের সহায়তা, অবৈধভাবে যৌন উত্তেজক ওষুধ বাজারজাতকরণ ও বিক্রির অভিযোগ এনে অভিযোগ করলে পুলিশ তদন্ত করে ব্যবস্থা নেবে বলে জানালেও ১৮দিন পরও পুলিশ কোন ব্যবস্থা নেয়নি বলে ভিকটিম জানায়, এদিকে কামরুল হাসান ও নুর হোসেনের লোকজন ভিকটিমকে অভিযোগ তুলে নেয়ার জন্য চাপ দিচ্ছে। তারা কখনও টাকার লোভ দেখাচ্ছে, কখনও হত্যার হুমকি দিচ্ছে। এ ভয়ে ভিকটিম এখন পালিয়ে বেড়াচ্ছে। সুধারাম থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) আবদুল বাতেন ঘটনার সত্যতা স্বীকার করে জানান, নেতৃস্থানীয়রা আপস মীমাংসা করে দিবে বলায় মামলা রের্কড করা হয়নি। প্রয়োজনে ভিকটিমকে ডেকে মামলা রের্কড করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md. Fazlul hoque
১২ ডিসেম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, ১০:৪৬

ভিকটিম নিজেই যৌন উত্তেজক ঔষধ বিপনন কাজে জড়িত ছিলেন,ফলাফল যা হবার তাই হলো ।বিয়ের প্রলোভনে আট মাস ধরে ধর্ষণ (?) বাস্তবতা যাই হোক ধর্ষণের সংজ্ঞায় আইন মোতাবেক ধর্ষকের শাস্তি নিশ্চিত করা উচিত এবং প্রয়োজনে আইন সংশোধন করে এ ধরনের ভিকটিমদেরকে ও আইনের আওতায় নিয়ে আসা উচিত তাহলে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ অনেকাংশে কমে যাবে ।

Jony
১৩ ডিসেম্বর ২০১৯, শুক্রবার, ১২:৩৯

This is not rape, but maybe fraud case. Looks like she started the physical relationship herself.

অন্যান্য খবর