× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার

পাকিস্তানকে কূটনৈতিকভাবে নিঃসঙ্গ করে দেয়ার আহ্বান বিপিন রাওয়াতের

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ১৬ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১:১৮

পাকিস্তানের প্রতি আরো একটি সতর্কতা দিলেন ভারতের চিফ অব ডিফেন্স স্টাফ (সিডিএস) জেনারেল বিপিন রাওয়াত। বৃহস্পতিবার তিনি ভারতের রাজধানী নয়া দিল্লিতে রাইসিনা ডায়ালগে বক্তব্য রাখেন। পাকিস্তানের দিকে ইঙ্গিত করে তিনি বলেন, যেকোনো দেশ যদি সন্ত্রাসে মদত দেয় তাহলে তাদেরকে কূটনৈতিকভাবে নিঃসঙ্গ করে রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একই সঙ্গে তিনি বিশ্বব্যাপী সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে সমন্বিত পদক্ষেপ নেয়ার আহ্বান জানান। এ খবর দিয়েছে অনলাইন জি নিউজ। জেনারেল বিপিন রাওয়াত বলেন, সন্ত্রাসের ভবিষ্যত হতে যাচ্ছে প্রচলিত লড়াইয়ের মতোই নোংরা। যতদিন কোন রাষ্ট্র থাকবে, যারা সন্ত্রাসকে সমর্থন দেয়, ততদিন সন্ত্রাস থাকবে। তিনি আরো বলেন, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে যুদ্ধ অব্যাহত থাকবে।
আমরা যতদিন এর শিকড় পর্যন্ত পৌঁছাতে না পারবো ততদিন এর সঙ্গেই বসবাস করতে হবে আমাদের। তাই এক্ষেত্রে শ্রেষ্ঠ প্রতিকার হতে পারে, (মদতদানকারী দেশকে) কূটনৈতিকভাবে একঘরে করে দেয়া।

ভারতের প্রভাবশালী থিংকট্যাংক অবজার্ভার রিসার্স ফাউন্ডেশনের আয়োজনে রাইসিনা ডায়ালগে বিশ্বের অন্য নেতাদের পাশাপাশি এতে বক্তব্য রাখেন জেনারেল বিপিন রাওয়াত। এতে তিনি বলেন, আমরা সন্ত্রাসের ইতি ঘটাতে পারি। তা হতে পারে শুধু ৯/১১ এর পর যুক্তরাষ্ট্র যেভাবে শুরু করেছিল সেই পথে। তারা বলেছিল, সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে বিশ্বব্যাপী আমাদের যুদ্ধ। তা করতে আপনাকে সন্ত্রাসীদেরকে নিঃসঙ্গ করে দিতে হবে। নিঃসঙ্গ করে দিতে হবে তাদেরকে, যারা সন্ত্রাসে মদত দেয়। এ বিষয়টি কর্মপরিকল্পনায় হাতে নিতে হবে। সন্ত্রাসকে নিঃসঙ্গ করে ফেলতে হবে। এমন কোনো দেশকে আপনার সঙ্গে রাখার প্রয়োজন নেই, যে দেশ সন্ত্রাসের বিরুদ্ধে আপনার সঙ্গে যুদ্ধে অংশীদার এবং একই সঙ্গে সন্ত্রাসে প্রক্সি ও মদত দিচ্ছে। এটা শুধু পাকিস্তানের জন্য নয়, সব দেশের জন্যই এটা হওয়া উচিত।

যুক্তরাষ্ট্র ও আফগানিস্তানের তালেবানদের মধ্যে শান্তি সংলাপকে সমর্থন করেন জেনারেল বিপিন রাওয়াত। তিনি বলেন, এ নিয়ে অবশ্যই সমঝোতায় আসতে হবে, যাতে তালেবানরা সন্ত্রাসী কর্মকা- বন্ধ করে। তাদের বোঝা উচিত, তাদেরকে রাজনীতির মূলধারায় আসতে হবে। তাই এই সমঝোতা হতে হবে টেকসই শান্তির জন্য, অস্থায়ী নয়। এর আগে তালেবানরা ক্ষমতায় ছিল। কিন্তু তাদের ক্ষমতার পিছনে ছিল বন্দুকের শক্তি। তাদের আদর্শকে পাল্টে দিতে হবে। শুধু তাহলেই এ অঞ্চলে শান্তি আসতে পারে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর