× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার

সিঁধ কেটে ঘরে ঢুকে গণধর্ষন

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ থেকে | ১৬ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৮:৪৪
প্রতীকী ছবি

মানিকগঞ্জের সিংগাইর উপজেলা চারিগ্রাম এলাকায় এক গৃহবধু (২৪) গণধর্ষণের শিকার হয়েছেন। বুধবার রাতে ঘরে সিঁধ কেটে ওই গৃহবধুর স্বামীকে আটকিয়ে রেখে পালাক্রমে ধর্ষণ করে। নির্যাতনের স্বীকার ওই গৃহবধুকে চিকিৎসার জন্য বৃহস্পতিবার ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। নির্যাতনের শিকার ওই গৃহবধুর স্বামী বাদি হয়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় মামলা করেছেন। পুলিশ ধর্ষণের ঘটনায় ৪ জনকে গ্রেপ্তার করেছে।

পারিবারিক ও পুলিশ সূত্রে জানা যায়, সিঙ্গাইর উপজেলার চারিগ্রাম এলাকায় দুই সন্তান ও স্বামীকে নিয়ে থাকতেন ওই গৃহবধু । বুধবার রাত ১২ টার দিকে ঘরের সিঁধ কেটে ভেতরে প্রবেশ করেন সাত-আটজন দুর্বৃত্ত। এ সময় টের পেয়ে স্বামী-স্ত্রী ঘুম থেকে জেগে ওঠেন। বাড়ি ফাঁকা স্থানে হওয়ায় তাদের চিৎকারেও প্রতিবেশীরা এগিয়ে আসেনি।
পরে ওই নারীর স্বামীকে হাত-পা বেঁধে পাশের ঘরের কক্ষে লেপ দিয়ে পেচিয়ে আটকে রাখেন ওই দুর্বৃত্তরা। এর পর পাঁচজন ওই নারীকে পালাক্রমে গণধর্ষণ করে চলে যায়।

বৃহস্পতিবার সকালে খবর পেয়ে পুলিশ ওই গৃহবধুকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ানস্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করে। পরে পুলিশ ভূক্তভোগী নারীর স্বামী দেয়া তথ্য মতে সিঙ্গাইরের চারিগ্রাম এলাকা থেকে মো. লেবু (৪০) নামের একজনকে প্রথমে আটক করে পুলিশ। এর পর একে একে আটক করা হয় মতিয়ার রহমান, আব্দুল মাজেদ ও মো. জহুরকে।

এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় ভূক্তভোগী নারীর স্বামী বাদি হয়ে স্ত্রীকে গণধর্ষণের অভিযোগে লেবু (৪০) মতিয়ার রহমান (৪৫) , আব্দুল মাজেদ (৪০) ও মো. জহুর (৩০)সহ অজ্ঞাতনাম আরো তিন চারজনকে আসামী করে মামলা করেছেন।

মামলার তদন্তকর্মকর্তা সিঙ্গাইর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হাবিবুর রহমান বলেন, এজাহার নামীয় ওই চারজনকে গণধর্ষন মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ভূক্তভোগী গৃহবধুর স্বাস্থ্য পরীক্ষা করা হয়েছে। শুক্রবার সকালে আসামীদের আদালতে পাঠানো হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Mohammed Islam
১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, ৪:৩৮

When we can stop this.

Mohammed Islam
১৭ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, ৫:৫৯

When we can stop this.

অন্যান্য খবর