× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার

রাজনগরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া

বাংলারজমিন

রাজনগর (মৌলভীবাজার) প্রতিনিধি | ১৮ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, ৮:০৯

মৌলভীবাজারের রাজনগরে আওয়ামী লীগের দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। রাজনগর থানার পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এদিকে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার সময় মনসুরনগর উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরজান আহমদের ‘ফরজান ফার্নিচার’ ও দু’টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এ সময় রাসেল ও শরিফ নামে দু’জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে বৃহস্পতিবার বিকাল চারটার সময় উপজেলা পরিষদের সামনে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাজনগর উপজেলায় সরকারিভাবে ধান সংগ্রহ নিয়ে গত কয়েকদিন থেকে আওয়ামী লীগের লোকজনের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছিল। এমন পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলা পরিষদের আইনশৃঙ্খলা কমিটি ও উপজেলা সমন্বয় সভা ছিল। এ সময় উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিলন বখ্‌ত ও উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান খান সভায় যোগদান করলে তাদের লোকজনও পরিষদে অবস্থান নেয়।
পরে পুলিশ এসে লোকজনদের পরিষদের বাহিরে চলে যেতে বলে। এ দিকে সভা শেষে বিকালের দিকে উপজেলা চেয়ারম্যানের লোকজন তার কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়। সভা শেষে ও সহকারী কমিশনারের (ভূমি) কার্যালয়ে একটি সাক্ষ্য দিয়ে উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিলন বখ্‌ত বের হয়ে আসেন। এ সময় উপজেলা চেয়ারম্যানের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান নেয়া লোকজন ও সাধারণ সম্পাদকের লোকজনের মধ্যে উসকানিমূলক কথাবার্তার জেরে উভয় পক্ষের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়। এ সময় মনসুরনগর ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি ফরজান আহমদের ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ‘ফরজান ফার্নিচার’ ও দু’টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়। এ ঘটনায় শরীফ (২৫) ও রাসেল (৪০) নামে দু’জন আহত হন। পরে পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন।
রাজনগর উপজেলা চেয়ারম্যান শাহজাহান খান বলেন, সকাল থেকেই পরিষদের অতিরিক্ত লোকজন ছিল। পুলিশ সবাইকে সরিয়ে দেয়। বিকালে আমার কার্যালয়ে লোকজন ছিলেন। মিলন বখ্‌ত সাহেবের লোকজন একটি ফার্নিচার দোকান থেকে বের হয়ে আমার কার্যালয়ের সামনে থাকা লোকজনদের ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে। এ সময় আমার দু’জন লোক আহত হয়। মামলা দেয়ার জন্য তারা হয়তো দোকান ভেঙে আমার লোকজনের ওপর দোষ চাপাচ্ছে। উপজেলা আওয়ামী লীগের সধারণ সম্পাদক মনসুরনগর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিলন বখ্‌ত বলেন, পরিষদের মিটিং ও এসিল্যন্ডের কার্যালয়ে স্বাক্ষ্য দিয়ে আমি ও ফতেহপুরের চেয়ারম্যান বের হয়ে আসি। আমি গাড়িতে করে চলে আসার পর চেয়ারম্যানের কার্যালয় থেকে লোকজন বের হয়ে এসে হামলা চালিয়ে একটি দোকান ও দু’টি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। রাজনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকমর্তা (ওসি) আবুল হাসেম বলেন, আওয়ামী লীগের উভয় পক্ষের লোকজনের মধ্যে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। মোটরসাইকেল ও দোকান ভাঙচুরের ব্যাপারে কোনো অভিযোগ এখনো পাইনি। অভিযোগ পেলে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর