× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার
জামালপুরে দুই পুলিশ সদস্যকে মারধর

১১ যুবলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা

বাংলারজমিন

জামালপুর প্রতিনিধি | ১৮ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, ৮:৪৩

 জামালপুরে পুলিশের কাজে বাধা ও পুলিশের দুই সদস্যকে মারধরের ঘটনায় জেলা যুবলীগের সভাপতিসহ ১১ জনের বিরুদ্ধে জামালপুর সদর থানায় মামলা হয়েছে। মামলায় অজ্ঞাত আরো ১৫-২০ জনকে আসামি করা হয়। এ ঘটনায় একজনকে আটক করেছে পুলিশ। জানা যায়,গত বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় জামালপুর পৌর শহরের গেইটপাড় এলাকায় পুলিশ বক্সের সামনে দিয়ে লাইসেন্স বিহীন মোটরসাইকেলে চালিয়ে যাচ্ছিলেন তিন আরোহী মো. মনিরুজ্জামান সজন, মো.শাকিল ও মো. রিয়াদ। এ সময় পুলিশ বক্সের সামনে দায়িত্ব পালনকারী পুলিশের সার্জন আব্দুল্লাহ আল মামুন লাইসেন্সবিহীন ওই মোটরসাইকেলটিকে থামাতে বলে।  পরে মোটরসাইকেল আরোহী তিনজনই পুলিশ বক্সের সামনে এলে তাদের গাড়ির লাইসেন্স, কাগজপত্র এবং হেলমেটের কথা বলা হলে তারা যুবলীগ নেতা শুভকে ফোন করেন। ফোন পেয়ে ওই যুবলীগ নেতা পুলিশ বক্সে এসে মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দিতে বলেন। পুলিশ তার কথায় রাজি না হলে শুভ তার ফোন দিয়ে জেলা যুবলীগের সভাপতি রাজন সাহা রাজুকে ফোন দিয়ে পুলিশের সার্জন আব্দুল্লাহ আল মামুনকে ফোনটি ধরিয়ে দেন। তিনিও মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দেয়ার কথা বলেন।
পুলিশ সার্জন মোটরসাইকেলটি ছেড়ে দিতে অপরাগত জানালে জেলা যুবলীগের সভাপতি রাজন সাহা রাজু বেশ কিছু নেতা-কর্মীকে সাথে নিয়ে পুলিশ বক্সের সামনে আসেন। তখনও পুলিশ সার্জন মোটরসাইকেলটি ছাড়তে না চাইলে তারা ২ পুলিশ সদস্যকে মারধর করে। এ সময় তারা আটককৃত মোটরসাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নেয়। পরে ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ সদস্য উপস্থিত হলে তারা দ্রুত স্থান ত্যাগ করেন। এ সময় পুলিশ মোটর সাইকেলসহ মো. মনিরুজ্জামান সজন নামের একজনকে আটক করেন। আহত দুই পুলিশ সদস্যকে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। এ ঘটনায় বৃহস্পতিবার রাতেই পুলিশের সার্জন আব্দুল্লাহ আল মামুন বাদী হয়ে জামালপুর সদর থানায় মামলাটি দায়ের  করেন। এ ব্যাপারে জামালপুর সদর থানার ওসি মো. সালেমুজ্জামান বলেন, পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায় একটি নিয়মিত মামলা দায়ের করা হয়েছে। একজনকে আটক করা হয়েছে এবং বাকি আসামিদেরকে গ্রেপ্তারের চষ্টা চলছে। তবে জেলা যুবলীগের সভাপতি রাজন সাহা রাজু পুলিশকে মারধরের ঘটনা অস্বীকার করেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর