× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৫ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার

নারায়ণগঞ্জে দুই যুবককে নির্যাতনকারী আওয়ামী লীগ নেতা সকালে গ্রেপ্তার, বিকালে জামিন

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, নারায়ণগঞ্জ থেকে | ১৮ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, ৮:৪৩

 নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লায় ছাগল চুরির অভিযোগে দুই যুবককে অমানবিক নির্যাতনের মামলার প্রধান আসামি আওয়ামী লীগ নেতা আলাউদ্দিন হাওলাদারকে গ্রেপ্তার করেছে ফতুল্লা থানা পুলিশ। শুক্রবার ভোররাত ৪টার দিকে ঢাকার ওয়ারী এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। গ্রেপ্তারকৃত আলাউদ্দিন হাওলাদার কুতুবপুর ইউনিয়নেন ৫নং নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সভাপতি ও একই ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য। এদিকে গ্রেপ্তারের পর বিকালেই আদালত থেকে জামিন পায় আলাউদ্দিন হাওলাদার। শুক্রবার বিকালে নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো. আফতাবুজ্জামানের আদালতে তার জামিন শুনানি হয়। এরআগে পুলিশের তৎপরতায় মামলার বাদী নাজমা বেগম আদালতে আসামি আলাউদ্দিন হাওলাদারের পক্ষে হলফনামা দাখিল করেন। এসময় নাজমা বেগম আদালতকে বলেন, আসামি জামিনে গেলে তার কোন আপত্তি নেই। পরে শুনানি শেষে আদালত আসামি আলাউদ্দিন হাওলাদারের জামিন মঞ্জুর করেন।
অভিযোগ রয়েছে, আসামীর পক্ষ নিয়ে পুলিশ মামলার বাদী নাজমা বেগমকে ‘ম্যানেজ’ করে। এবং ঢাকার ওয়ারী থেকে আলাউদ্দিন হালাদারকে নিয়ে আসে পুলিশ। সবকিছু ঠিকঠাক করে দ্রুত তাকে আদালতে পাঠায়। এবং অল্প সময়ের মধ্যে তার জামিনও হয়ে যায়। ফতুল্লা থানার ওসি আসলাম হোসেন জানান, এসআই সালেকের নেতৃত্বে পুলিশের একটি টিম তথ্য প্রযুক্তির সহায়তায় আলাউদ্দিন হাওলাদারকে শুক্রবার ভোররাত ৪টার দিকে ঢাকার ওয়ারী থেকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাকে আদালতে পাঠানো হয়। উল্লেখ্য, চলতি বছরের ১লা জানুয়ারি ফতুল্লার কুতুবপুর ইউনিয়নের মুসলিমপাড়া এলাকার আব্দুর রব মাস্টারের ছেলে নাঈম (২৫) ও একই এলাকার রাতুল (৩০) নামে দুই যুবককে ছাগল চোর আখ্যা দিয়ে ধরে  নেয়া হয় কুতুবপুরে আলাউদ্দিন হালাদারের ব্যক্তিগত কার্যালয়ে। সেখানে দুই যুবককে মধ্যযুগীয় কায়দায় পেটানোর পর পুলিশের সোপর্দ করা হয়। ৯ই জানুয়ারি নির্যাতনের ওই ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ফেসবুকে ভাইরাল হয়। এবং গণমাধ্যমে ফলাও করে সংবাদ প্রকাশিত হয়। তোলপাড় শুরু হয় এলাকায়। এক পর্যায়ে ১০ই জানুয়ারি রাতে নির্যাতনের শিকার নাঈমের মা নাজমা বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় আলাউদ্দিন মেম্বারকে প্রধান আসামি করে ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। মামলার পর থেকে গা-ঢাকা দেয় আলাউদ্দিন মেম্বার। পরে ১১ই জানুয়ারি পুলিশ মামলার ৩ ও ৪ নাম্বার আসামি রবিন ও ইউনুছকে গ্রেপ্তার করে। বাকি দুই আসামি জিহাদ ও গ্রিল স্বপন পলাতক।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর