× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার

বুরুন্ডি ম্যাচকে ‘কঠিন পরীক্ষা’ মানছেন ডিফেন্ডাররা

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ২২ জানুয়ারি ২০২০, বুধবার, ৮:৪৫

দুই ম্যাচে টুর্নামেন্টের সর্বাধিক ৭ গোল করে সেমিফাইনাল নিশ্চিত করেছে বুরুন্ডি। ফাইনালে উঠার লড়াইয়ে সেই বুরুন্ডিকেই পেয়েছে বাংলাদেশ। আগামীকাল আফ্রিকান দেশটির বিপক্ষে মাঠে নামার আগে তাই বাড়তি সতর্ক স্বাগতিক দলের ডিফেন্ডাররা, তবে ভীত নন। ডিফেন্ডার রিয়াদুল ইসলাম রাফি জানিয়েছেন, বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপের সেমিফাইনালে রক্ষণ সামলানোর চ্যালেঞ্জ নিতে মুখিয়ে আছেন তারা।
মরিশাসকে ৪-১ ও সিশেলসকে ৩-১ গোলে উড়িয়ে ‘বি’ গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হয়ে সেমিতে উঠেছে বুরুন্ডি। ফিলিস্তিনের কাছে ২-০ গোলে হারা বাংলাদেশ শ্রীলঙ্কার বিপক্ষে ৩-০ ব্যবধানে জিতে ‘এ’ গ্রুপের রানার্সআপ হয়ে এসেছে শেষ চারে। ৪ গোল নিয়ে এখন পর্যন্ত সর্বাধিক গোলদাতার তালিকায় শীর্ষে বুরুন্ডির এনশিমিরিমানা জসপিন। মরিশাসের বিপক্ষে হ্যাটট্রিক করেন তিনি। সিশেলসের বিপক্ষে করেন এক গোল।
অপরদিকে চোট আর কার্ডের থাবায় বাংলাদেশের রক্ষণের অবস্থা জেরবার। জ্বরের কারণে আগেই ছিটকে যান ডিফেন্ডার ইয়াসিন খান। কার্ডের কারণে নেই আরেক নির্ভরযোগ্য ডিফেন্ডার তপু বর্মণ। রিয়াদুল ইসলাম রাফি, বিশ্বনাথ ঘোষ, রহমত মিয়াদের মতো তরুণদের ওপরই রক্ষণ সামলানোর দায়িত্ব। এদের মধ্য থেকে রাফি জানালেন চ্যালেঞ্জ নিতে প্রস্তুত তারা। তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলে যারা আছে তাদের মধ্যে পার্থক্য ১৯-২০। তবে তপু ও ইয়াসিন ভাই না থাকলে একটু পার্থক্য হয়েই যায়। তাদের একজন থাকলেও বিষয়টা অন্যরকম হতো। ভয় নিলেই ভয়। বুরুন্ডির বিপক্ষে আমাদের ডিফেন্ডারদেরকে এটাকেই চ্যালেঞ্জ হিসেবে নিতে হবে। আমি নিজের জন্যও চ্যালেঞ্জ হিসেবে নেবো।’ নিজের উপর বাড়তি দায়িত্বের কথা জানিয়ে এই ডিফেন্ডার বলেন, ‘অবশ্যই আমার ওপর এখন বেশি দায়িত্ব। যেহেতু ডিফেন্সে সিনিয়র কেউই নাই। রহমত, বিশ্বনাথ আছে। ওদের সঙ্গে কম্বিনেশন করে খেলতে হবে। ওদেরকে অনুপ্রাণিত করতে হবে।’ তপু-ইয়াসিনের না থাকা নিয়ে রিয়াদুল বলেন, ‘যাদের থাকার কথা তারাই তো নাই। এখন কোচ যাকে দেন, তাদেরকে নিয়ে রক্ষণ সামলাতে হবে। জাতীয় দলে অনেকে ডাক পায়। সবাই মাঠে খেলার সুযোগ পায় না। আমি মনে করি, যে সুযোগ পাবে সে কাজে লাগাবে। দেশের জন্য কিছু করবে।’ গ্রুপ পর্বে দুই ম্যাচ মিলিয়ে বাংলাদেশ হজম করে দুই গোল। দুটিই ফিলিস্তিন ম্যাচে। শ্রীলঙ্কা ম্যাচে ক্লিনশিট নিয়ে মাঠ ছেড়েছিল দল। ২০ বছর বয়সী রাফি জানান, বুরুন্ডি ম্যাচেও গোল না খাওয়া প্রধান লক্ষ্য তাদের। এদিকে শেখ জামাল ধানমন্ডি ক্লাব মাঠে উরুর চোট সেরে পুরোদমে অনুশীলন করেন জামাল ভূঁইয়া।  সেমিফাইনালে খেলার ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী।  সেমিফাইনাল নিয়ে জামাল বলেন, ‘আমি এখন সুস্থ। আশা করি, পরের ম্যাচে খেলতে পারবো। আমরা দেখেছি বুরুন্ডির ফরোয়ার্ডরা অনেক ভালো। তাদের অধিনায়ক এনশিমিরিমানা জসপিন চার গোল করেছেন। তাছাড়া শারীরিকভাবে তারা আমাদের চেয়ে অনেক শক্তিশালী। তপু নেই, তাই এখন ডিফেন্স কীভাবে সাজাবেন, সেটা কোচই ভাল জানেন। যদিও তপু গুরুত্বপূর্ণ খেলোয়াড় ছিল। তবে আমাদের দলে রায়হান আর মানিক আছে। কোচ সিদ্ধান্ত নিবেন কাকে খেলাবেন।’ জাতীয় দলে নিয়মিত হওয়ার পর খুব বেশি ম্যাচ মিস করেননি জামাল। ২০১৮ সালের ২৯শে আগস্ট নীলফামারীতে শ্রীলংকার বিপক্ষে প্রীতি ফুটবল ম্যাচে খেলতে পারেননি চোটের কারণে। এবার একই দলের বিপক্ষে উরুর চোটে মাঠে নামতে পারেননি। বঙ্গবন্ধু গোল্ডকাপে এক ম্যাচ খেলা জামাল এখনো গোলের দেখা পাননি। বুরুন্ডির বিপক্ষে গোল করতে চান মধ্যমাঠের এ কান্ডারি। জামাল বলেন, আমরা গোল হজম করতে চাই না। জয়ের সামর্থ্য রয়েছে আমাদের। আমি ব্যক্তিগতভাবে গোল করতে চাই।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর