× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার

মানিকগঞ্জে ঘরে ঢুকে মেয়েকে বেঁধে মাকে হত্যা

বাংলারজমিন

স্টাফ রিপোর্টার, মানিকগঞ্জ থেকে | ২৩ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:৩৯

মানিকগঞ্জে ঘরে ঢুকে  মেয়েকে বেঁধে মাকে শ্বাসরোধে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল সকাল ১০টার দিকে জেলা শহরের দক্ষিণ সেওতা এলাকায় ঘাতকরা ঘরে ঢুকে এই নির্মম হত্যাকাণ্ডটি ঘটিয়েছে। নিহত মাহমুদা বেগম (৪৫) এলাকার জহিরুল ইসলামের স্ত্রী। তবে হত্যাকাণ্ডটি উদ্‌ঘাটনে পুলিশ তৎপরতা চালাচ্ছে।
পুলিশ, প্রতিবেশী ও নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, মানিকগঞ্জ শহরের দক্ষিণ সেওতা এলাকায় জহিরুল ইসলাম তার নিজস্ব পাঁচ তলা ভবনের দোতলার একটি ইউনিটে পরিবার নিয়ে বসবাস করছেন। সকাল ১০টার দিকে কয়েকজন দুর্বৃত্ত তাদের ওই ইউনিটে প্রবেশ করে। এ সময় বাসার টয়লেটে ছিলেন জহিরুল ইসলামের মেয়ে জ্যোতি আক্তার। আর কবুতরের খাবার দিতে জহিরুল বাসার ছাদে অবস্থান করছিলেন।
স্ত্রী মাহমুদা তার কক্ষে চিৎকার করলে মেয়ে টয়লেট থেকে বেরিয়ে এগিয়ে আসা মাত্রই তার হাত-মুখ বেঁধে পাশের কক্ষে আটকে রাখে। এরপর দুর্বৃত্তরা  মাহমুদাকে শ্বাসরোধে হত্যার পর দ্রুত পালিয়ে যায়।  
বেলা ১১টার দিকে সরজমিন নিহত মাহমুদা আক্তারের বাড়ি গিয়ে দেখা যায়, হত্যাকাণ্ডের ঘটনাটিকে কেন্দ্র করে আশেপাশের লোকজনের ভিড় বেড়ে যায়। এ সময় অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) হাফিজুর রহমান, সদর থানার ওসি রকিবুজ্জামানসহ পুলিশ সদস্যরা সেখানে যান। বেলা ১২টার দিকে পুলিশ সুপার রিফাত রহমান শামীম ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেন।
নিহত মাহমুদা আক্তারের মেয়ে জ্যোতির সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, মায়ের চিৎকারের শব্দে আমি টয়লেট থেকে বের হওয়া মাত্রই তিনজন অপরিচিত লোক আমার চোখ-মুখ ও হাত-পা বেঁধে ফেলে। এরপর আমাকে একটি কক্ষে আটকে রাখে। এসময় আমি পাশের রুম থেকে মায়ের চিৎকারের শব্দ শুনতে পাই। মাকে হত্যা করার পর দুর্বৃত্তরা পালিয়ে যায়।  
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার হাফিজুর রহমান বলেন, ওই নারীকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করা হয়েছে। ঘটনাস্থলে রশি পাওয়া গেছে। খুনিরা বাইরে থেকে রশি নিয়ে এসেছিল। এটি একটি পরিকল্পিত হত্যাকাণ্ড বলে প্রাথমিক তদন্তে ধারণা করা হচ্ছে। তবে অধিক তদন্ত ছাড়া হত্যাকাণ্ডের রহস্য সম্পর্কে নিশ্চিত করে কিছু বলা যাবে না। সদর থানার ওসি রকিবুজ্জামান জানান, মরদেহ ময়নাতদন্তের পর জেলা সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় হত্যা মামলা হবে বলে তিনি জানান।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর