× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার

কষ্টার্জিত জয় রিয়ালেরও গ্রিজম্যানে মান বাঁচলো বার্সার

খেলা

স্পোর্টস ডেস্ক | ২৪ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, ৮:৫৮

তৃতীয় বিভাগের দল ইউনিয়ন দেপোর্তিভো ইবিজা (ইউডি ইবিজা)। ফুটবলের পুঁচকে এ দলের বিপক্ষে কিনা ঘাম ছুটে গেল বার্সেলোনার। বুধবার ইউডি ইবিজার বিপক্ষে কোপা দেল রে রাউন্ড-৩২’র ম্যাচে নবম মিনিটে পিছিয়ে পড়ে বার্সা। আর তারা তা ধরে রাখে ৭২তম মিনিট পর্যন্ত। খেলা শেষের ১৮ মিনিট আগে আঁতোয়ান গ্রিজম্যানের গোলে সমতায় ফেরে কাতালান জায়ান্টরা। এরপর ম্যাচের যোগ করা সময়ে গ্রিজম্যানের দ্বিতীয় গোলে নিশ্চিত হয় শেষ ষোলো। এদিন বার্সেলোনার সঙ্গে কোপা দেল রে’র শেষ ষোলো নিশ্চিত করে রিয়াল মাদ্রিদও। গ্যারেথ বেল, ব্রাহিম দিয়াজ ও আত্মঘাতী গোলের সুবাদে রিয়াল ৩-১ ব্যবধানে হারায় ইউনিয়নিস্তা দে সালামাঙ্কাকে।
তবে এই ম্যাচেও ৬০ মিনিট পর্যন্ত ছিল ১-১ সমতা।
লিওনেল মেসিসহ বার্সেলোনার মূল দলের অনেকেই বিশ্রামে ছিলেন এ ম্যাচে। কিন্তু তৃতীয় বিভাগের একটি দলের বিপক্ষে বার্সার বাজে নৈপুণ্য দেখে হতাশ খোদ কোচ কিকে সেতিয়েনও। দেপোর্তিভো ইবিজার জন্মই ২০১৫তে! সেগুন্দা ডিভিশন ‘বি’তে খেলে তারা। ম্যাচ শেষে বার্সার নতুন কোচ সেতিয়েন বলেন, ‘দলের খেলা আমার পছন্দ হয়নি, বিশেষ করে প্রথমার্ধে। তবে আমি বুঝতে পারছি কৃত্তিম ঘাস ও ওদের আক্রমণত্মক ফুটবল ম্যাচটা কঠিন করে তুলেছিল।’ বার্সার মতো দলের বিপক্ষে শেষ বাঁশি পর্যন্ত লড়েছেন, দেপোর্তিভো ইবিজার কোচ পাবলো আলফারোর কাছে এটাই বড় প্রাপ্তি। তিনি বলেন, ‘আমি আমার দল, খেলোয়াড়দের নিয়ে সত্যিই গর্বিত।’
ইবিজার বিপক্ষে গোলের মধ্য দিয়ে বার্সেলোনার জার্সিতে সব প্রতিযোগিতায় গোল করার চক্র পূর্ণ হলো গ্রিজম্যানের। ম্যাচ শেষে এই ফরাসি তারকা বলেন, ‘ওদের শুরুটা ভালো ছিল। ওরা জানে মাঠটা কেমন। আমাদের জন্য সুযোগ তৈরি করা কঠিন হয়ে পড়ে। প্রথমার্ধে আমরা কোনো শট নিতে পারিনি লক্ষ্যে।’ সেতিয়েনের ৩-৪-৩ ফরমেশনের সঙ্গে খাপ খাইয়ে নিতেও কষ্ট হচ্ছে গ্রিজম্যানদের। তিনি বলেন, ‘তিনজন সেন্টারব্যাক নিয়ে খেলার সিস্টেমটা আমাদের জন্য নতুন। আমাদের এটার ওপর কাজ করতে হবে।’
রিয়াল মাদ্রিদের প্রতিপক্ষ ইউনিয়নিস্তা দে সালামাঙ্কাও সেগুন্দা ডিভিশন ‘বি’তে খেলে। নিজেদের মাঠে ১৮ মিনিটে পিছিয়ে পড়েও তারা। গোল করেন গ্যারেথ বেল। দ্বিতীয়ার্ধে সমতায় আনে ইউনিয়নিস্তা। কিন্তু ৬২তম মিনিটে আত্মঘাতি গোল খেয়ে আর রূপকথা গড়া হয়নি তৃতীয় বিভাগের দলটির। যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে তৃতীয় গোল হজম করে তারা। লক্ষ্যভেদ করেন তরুণ উইঙ্গার ব্রাহিম দিয়াজ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর