× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২১ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার

ছোট, কিন্তু অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ- তামবাদু

প্রথম পাতা

কূটনৈতিক রিপোর্টার | ২৪ জানুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, ৯:১৬

আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের (আইসিজে) আদেশের পর তাৎক্ষণিক প্রতিক্রিয়ায় মিয়ানমারের বিরুদ্ধে গণহত্যার অভিযোগে দায়ের করা মামলার বাদী গাম্বিয়ার আইনমন্ত্রী আবুবকর মারি তামবাদু বলেছেন, রোহিঙ্গাদের দুর্ভোগ লাঘবে আদালতের রায় একটি ছোট
পদক্ষেপ, তবে এটি অবশ্যই অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় বিশ্বকে এখন আরও দ্রুত গতিতে এগিয়ে আসতে হবে। বৃহস্পতিবার এক অন্তবর্তী আদেশে মিয়ানমারকে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষা নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট পদক্ষেপ নেয়ার নির্দেশ দিয়েছে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত আইসিজে। আদেশগুলো হলো- মিয়ানমারের সেনাবাহিনী ও অন্যান্য সশস্ত্রবাহিনীগুলোকে সব ধরনের গণহত্যার অপরাধ ও গণহত্যার ষড়যন্ত্র থেকে বিরত থাকার নির্দেশ, গণহত্যা সনদের ধারা ২ এর আওতায় মিয়ানমার রাষ্ট্র ও সরকারকে বাধ্যতামূলকভাবে রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সার্বিক সুরক্ষা নিশ্চিত করা, রোহিঙ্গাদের হত্যা, নিপীড়ন বন্ধ এবং বাস্তুচ্যুতির মতো কর্মকাণ্ড থেকে মিয়ানমারের বিরত থাকা, গণহত্যা সংক্রান্ত জাতিসংঘ কনভেনশন আবশ্যিকভাবে পালন, রাখাইনে গণহত্যার প্রমাণ ধ্বংস হয় এমন কোন কর্মকাণ্ড থেকে বিরত থাকা এবং মিয়ানমারের সশস্ত্র বাহিনী যেনো ফের কোনো গণহত্যা ঘটাতে না পারে তার কড়া ব্যবস্থা নেয়া।

মিয়ানমার রাষ্ট্রকে আদালতের নির্দেশনা অবশ্যপালনীয় হিসাবে বাস্তবায়ন এবং ৪ মাস পর মিয়ানমারকে আদালতে প্রাথমিক রিপোর্ট দিতে সময় বেঁধে দিয়েছেন আদালত। আদেশের পর মিয়ানমারের প্রতিনিধি বা আইনজীবীরা কোন প্রতিক্রিয়া দেখাননি। নেপি’ডর তরফেও এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত কোন প্রতিক্রিয়া আসেনি। আদালতে উপস্থিত জেনেভাস্থ জাতিসংঘ অফিসের বাংলাদেশ স্থায়ী প্রতিনিধি রাষ্ট্রদূত শামীম আহসান আদেশকে একটি বড় পদক্ষেপ হিসেবে অভিহিত করেছেন। রোহিঙ্গা সঙ্কটের বড় ভিকটিম প্রায় ১১ লাখ বাস্তুচ্যুত মিয়ানমার নাগরিককে মানবিক কারণে অস্থায়ী আশ্রয় দিয়েছে বাংলাদেশ।
ওই সঙ্কটের একটি শান্তিপূর্ণ সমাধান বিশেষত বাস্তুচ্যুত রোহিঙ্গাদের স্বেচ্ছা ও নিরাপদ প্রত্যাবাসনে আদালতের অন্তবর্তী আদেশ এবং সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা রাখাইন পরিস্থিতির উন্নতিতে সহায়ক হবে বলে আশা করে ঢাকা। দ্য হেগে সৌদি রাষ্ট্রদূত আবদুল আজিজ আবুহামেদ মামলার এই রায়কে রোহিঙ্গাদের সুরক্ষায় একটি বড় অগ্রগতি বলে মন্তব্য করেছেন। রোহিঙ্গা প্রতিনিধি তুন খিন এই রায়কে ‘মাইলফলক’ বলে অভিহিত করেছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
শামসুররহমান উজ্জ্বল
২৩ জানুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, ১২:০৪

শান্তিপূর্ণ ভাবেও যে উচিৎ শিক্ষা দেয়া যায় এই মামলাটি পরিছন্ন একটি উদাহরণ । সমসাময়িক বিশ্ব নেতৃবৃন্দের এখানথেকে শিক্ষা নেয়া অতীব জরুরী। ধন্যবাদ আপনাকে মিঃ আবুবকর মারি তামবাদু।

অন্যান্য খবর