× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২০ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার

মেডিকেল অফিসার থাকলেও কনসালটেন্ট সংকট খুলনার অধিকাংশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার, খুলনা থেকে | ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, ৮:৪৫

প্রতিমাসেই সিভিল সার্জনের দপ্তর থেকে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরে প্রতিবেদন পাঠিয়ে জনবলের চিত্র তুলে ধরা হয়। যার কপি দেয়া হয় খুলনার স্বাস্থ্য পরিচালক এবং মহাখালী স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক বরাবর। কিন্তু সংকট থেকেই যায়। বিশেষ করে খুলনা জেলার ৯টি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে মেডিকেল অফিসার পর্যায়ের চিকিৎসকের অভাব না থাকলেও চরম সংকট অবস্থা বিরাজ করছে কনসালটেন্ট পর্যায়ের চিকিৎসকদের। দাকোপ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা ডা. মো. মোজাম্মেল হক নিজামী জানান, হাসপাতালটি ৫০ শয্যার হলেও বর্তমানে রোগী থাকে ৮০ জনের বেশি। গ্রীষ্ম মওসুমে রোগীর সংখ্যা একশ’ ছাড়িয়ে যায়। হাসপাতালটিতে ৩৯তম বিশেষ বিসিএস’র ডাক্তার পদায়ন করা হয়েছে আটজন। আগে থেকে সেখানে পদায়ন আছেন আটজন চিকিৎসক।
এ ছাড়া আটটি ইউনিয়ন উপ-স্বাস্থ্যকেন্দ্রে পদায়নকৃত আটজন এবং পূর্বেও ইউনিয়ন পর্যায়ের নয়জন চিকিৎসকও ডিউটি করেন হাসপাতালে। জরুরি, আন্তঃ ও বহির্বিভাগে নিয়মিত রোগী দেখছেন মেডিকেল অফিসার পর্যায়ের এসব চিকিৎসকরা। কিন্তু ৫০ শয্যার হাসপাতালের জন্য যেখানে ১০ জন কনসালটেন্ট থাকার কথা সেখানে রয়েছেন মাত্র একজন গাইনি কনসালটেন্ট। বাকি কনসালটেন্ট, জুনিয়র কনসালটেন্ট ও জেনারেল সার্জারির কাজ চালানো হয় মেডিকেল অফিসার পর্যায়ের চিকিৎসক দিয়ে। দাকোপের পাশাপাশি জেলার অন্য সব উপজেলা হাসপাতালের চিত্রও প্রায় একই। ফুলতলা উপজেলা হাসপাতালে আটজন চিকিৎসক সংকট থাকলেও নেই কোনো নার্সের সংকট। এ হাসপাতালে সর্বমোট ৩৫ জন জনবল সংকট রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. শেখ মোহাম্মদ কামাল হোসেন। তেরখাদা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প.প. কর্মকর্তা, জুনিয়র কনসালটেন্ট, সার্জারি, জুনিয়র কনসালটেন্ট, মেডিসিন, জুনিয়র কনসালটেন্ট, অ্যানেসথেসিয়াসহ নয়জন জুনিয়র কনসালটেন্টের পদ শূন্য রয়েছে। গাইনি কনসালটেন্ট থাকলেও তিনি খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে সংযুক্তি রয়েছেন।
পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সার্জারি, গাইনি, মেডিসিন এবং অ্যানেসথেসিয়া বিভাগের জুনিয়র কনসালটেন্ট রয়েছেন পদের বিপরীতে কর্মরত। এমনকি পদের বিপরীতে কর্মরত আছেন প্যাথলজিস্ট ও অ্যানেসথেটিস্টও। ওই হাসপাতালটিতে বর্তমানে আটজন চিকিৎসকের পদ শূন্য রয়েছে বলেও জানান উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তা ডা. নীতিশ চন্দ্র গোলদার। কয়রা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেও বর্তমানে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তাসহ ১০টি কনসালটেন্টের পদ শূন্য রয়েছে। এ ছাড়া সহকারী সার্জন ও মেডিকেল অফিসারের পদও শূন্য রয়েছে বলে উপজেলা স্বাস্থ্য ও প. প. কর্মকর্তার কার্যালয়ের এক প্রতিবেদনে দেখা যায়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর