× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৮ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার
ডেকান হেরাল্ডের রিপোর্ট

মিজোরামে বাংলাদেশের নিষিদ্ধ আনসার আল ইসলামের ২ সন্ত্রাসীর বিরুদ্ধে চার্জশিট

বিশ্বজমিন

মানবজমিন ডেস্ক | ২৫ জানুয়ারি ২০২০, শনিবার, ১১:৩১

ভারতে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর পরিকল্পনার দায়ে আটক দুই বাংলাদেশীর বিরুদ্ধে মিজোরামে জাতীয় তদন্ত সংস্থার (এনআইএ) বিশেষ এক আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে এনআইএ। এতে বলা হয়েছে, তারা বাংলাদেশে নিষিদ্ধ সন্ত্রাসী সংগঠন আনসার আল ইসলামের সদস্য। ভারতে সন্ত্রাসী হামলার পরিকল্পনা করছিল তারা। শুক্রবার দাখিল করা ওই চার্জশিটে অভিযুক্ত করা হয়েছে নরসিংদির বাহেরচর গ্রামের মাহমুদ হাসান ওরফে শরিফুল ইসলাম (২৫) ও মাগুরার দোহারপার গ্রামের মোহাম্মদ সা’দ হোসেনের (৩১) বিরুদ্ধে। ভারতীয় দন্ডবিধির ১২০বি, ৪১৯, ৪৬৫ ও ৪৭১ ধারা, ফরেনার্স অ্যাক্টের ১৪ ধারা ও অবৈধ কর্মকাণ্ড প্রতিরোধ বিষয়ক আইনের ১৮ ধারায় তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ আনা হয়েছে। এ খবর দিয়েছে ভারতের অনলাইন ডেকান হেরাল্ড।

এতে বলা হয়, ২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত ৯ মাসে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালানোর জন্য ব্যাঙ্গালোরের বিভিন্ন স্থানে অবস্থান করতে থাকে বাংলাদেশভিত্তিক সন্ত্রাসী মাহমুদ হাসান। শুক্রবার ভারতের জাতীয় গোয়েন্দা সংস্থা (এনআইএ) তাদের অভিযোগপত্রে এসব দাবি করেছে।
এতে আরো বলা হয়েছে, মাহমুদ হাসান ও মোহাম্মদ সা’দ হোসেন বাংলাদেশে নিষিদ্ধ আনসার আল ইসলামের সদস্য। গত বছর তাদের অবস্থান ছিল মিজোরামে। তখন তাদেরকে অনুপ্রবেশকারী হিসেবে সন্দেহ হয় মোমিত জেলার স্থানীয়দের। ফলে স্থানীয় লোকজন তাদেরকে আটক করেন। এরপর তাদেরকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়।

এ বিষয়ে শুক্রবার আদালতে দেয়া চার্জশিটে এনআইএ বলেছে, ওই দুই আসামী অবৈধ উপায়ে ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত দিয়ে ২০১৮ সালের নভেম্বরে প্রবেশ করে ত্রিপুরায়। তারপর থেকে ভুয়া আধার কার্ড ব্যবহার করে তারা তাদের অবস্থান ও পরিচয় গোপন করতে থাকে। তাদেরকে এই ভুয়া আধার কার্ড দিয়েছে বাংলাদেশে তাদের ইন্ধনদাতারা। তদন্তে আরও পাওয়া গেছে, ভারতে ষড়যন্ত্র করে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে আগরতলা থেকে ব্যাঙ্গালোরে গিয়েছিল অভিযুক্ত মাহমুদ হাসান ওরফে শরিফুল ইসলাম। ২০১৮ সালের নভেম্বর থেকে ২০১৯ সালের জুলাই পর্যন্ত সে অবস্থান করে ব্যাঙ্গালোরে। সেখানে নিজেকে গোপন করতে সে ঘন ঘন অবস্থান পরিবর্তন করে।

এতে আরো বলা হয়, ইন্ধনদাতার নির্দেশমতো অভিযুক্ত ব্যক্তি আনসারুল্লাহ বাংলা নামের আরেকটি সন্ত্রাসী গ্রুপের একজন গ্রেপ্তার হওয়া সদস্যকে আর্থিকভাবে সহায়তা করে যাচ্ছিল। আনসারুল্লাহ বাংলা’র ওই সদস্য বর্তমানে রয়েছে কলকাতার জেলে। পরে অভিযুক্ত দু’জন তাদের বাংলাদেশী ইন্ধনদাতার পরামর্শে ত্রিপুরা ও মিজোরাম থেকে অস্ত্র কেনার চেষ্টা করে, যাতে ভারতে তারা সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাতে পারে। তদন্তকালে তাদের ডিজিটাল ডিভাইস থেকে বিপুল পরিমাণ অপরাধমুলক ডকুমেন্ট উদ্ধার করা হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর