× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার

তাড়াশে সরকারি খাল দখল করে পুকুর খনন

বাংলারজমিন

তাড়াশ (সিরাজগঞ্জ) প্রতিনিধি | ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৮:১৬

সিরাজগঞ্জের তাড়াশে প্রবাহমান সরকারি খাল দখল করে এবং ফসলী জমি কেটে পুকুর খনন করলেও রহস্য জনক কারনে প্রসাশন নিরব ভুমিকা পালন করছেন। পানি প্রবাহের গুরত্ব পুর্ন এ খালটি ভরাট হলে জলাবদ্ধতায় ২০ হাজার হেক্টর ফসলী জমি অনাবাদী হয়ে পড়ার আশংকা করছেন এলাকাবাসী। জানাগেছে তাড়াশ ভৃঁইয়াগাতী রাস্তায় তাড়াশ সদর হতে ৩ কিলোমিটার পুর্ব দিকে রাস্তার দক্ষিনে সরকারী দখল করে ওপুকুরটি খনন করছেন মাধাইনগর ইউনিয়নের ওয়াশিন গ্রামের প্রভাবশালী ব্যক্তি নজরুল ইসলাম মুন্টু। জাতীয় ভৃমি নীতি ২০০১ উপেক্ষা করে ফসলী জমিতে পুকুর খনন এবং প্রভাব খাটিয়ে সরকারী খাল দখল করে পুকুর খনন করলেও ওই প্রভাবশালীর বিরুদ্ধে কোন ব্যবস্থাই নিচ্ছেনা প্রসাশন। এদিকে পানি প্রবাহের ওই গুরত্বপুর্ন সরকারী খালটি ভরাট হওয়ায় একটু বৃষ্টি হলেই ধাপ ওয়াশীন সেরাজপুর কাস্তা,বেত্রাশীন, গুয়ারাখী, পৌষার,ধানকুন্টি সহ প্রায় ২০ টি গ্রামের ২০ হাজার হেক্টর ফসলী জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি অনাবাদী হয়ে পড়ার আশংকা করছেন এলাকাবাসী। ওই এলাকার আক্কাছ আলী,খোরশেদ আলম,শহিদুল ইসলাম,হাবিবুর রহমান,ফারুক হোসেন সহ শত শত এলাকাবাসীর দাবী ফসলী জমি রক্ষাথেই প্রবাহমান জন গুরত্বপৃর্ন ওই সরকারী খানটি দখল মুক্ত রাখা হোক। সরকারী খাল দখল করে পুকুর খনন কাজে ব্যস্ত মুন্টু সরকারের ছেলে মোস্তফা সরকার স্বগর্বে বলেন, সকল দিক ম্যানেজ করেই পুকুর খনন করছি। লেখা-লেখি করে কোন লাভ হবে না।
এ ব্যপারে তাড়াশ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ইফ্‌ফাত জাহান,কোন প্রভাবশালী ফসলী জমি এবং সরকারী খাল দখল করে পুকুর খনন করতে পারেন না।
পুকুর খনন কারীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে। এটির বিরুদ্ধেও দ্রুত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর