× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার

১০ গ্রামের ভরসা সাঁকো

বাংলারজমিন

সাজিদুর রহমান সাজু, কমলগঞ্জ (মৌলভীবাজার) থেকে | ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৮:১৮

কমলগঞ্জের ধলাই নদীতে সেতুর অভাবে ১০টি গ্রামের হাজারো মানুষের যাতায়াতের একমাত্র ভরসা হচ্ছে বাঁশের সাঁকো। কমলগঞ্জের মাধবপুর ইউনিয়নের ধলাইপার এলাকায় ধলাই নদীর উপরের এ বাঁশের সাঁকো দিয়ে মাধবপুর আলীনগর ও আদমপুর ইউনিয়নের লোকজন এক ইউনিয়ন হতে অন্য ইউনিয়নে যেতে হলে এ সাঁকো ব্যবহার করেন। এছাড়া সারা বছরই জীবনের ঝুঁকি নিয়ে এই তিন ইউনিয়নের টিলাগাঁও, ভাষাণীগাঁও, শিমুলতলা, রানীরবাজার, ঘোড়ামারা, তিলকপুর, পদ্মছড়া, শিববাজার  লঙ্গুরপারসহ ১০টি গ্রামের শ’ শ’ শিক্ষার্থী এ সাঁকোটি ব্যবহার করে স্কুল, কলেজে যাতায়াত করে। বর্তমানে শীত মৌসুমে এ বাঁশের সাঁকো নির্মিত হলেও বর্ষা মৌসুমে নৌকাই তাদের একমাত্র ভরসা। বর্ষা মৌসুমে নদীর স্রোত বেড়ে গেলে বিকল্প যাতায়াত হিসেবে উপজেলা সদর ১০ কিলোমিটার অথবা মাধবপুর ইউনিয়ন ঘুরে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ও স্থানীয়দের যেতে হয়। স্থানীয়রা জানান, রানীবাজারসহ অত্র ইউনিয়নের শ’ শ’ মানুষ এ ধলাই নদীর উপরের এই খেয়াঘাটের বাঁশের সাঁকো ব্যবহার করেন। সাঁকোটি থাকায় সহজে এ পার থেকে ওপারে যাওয়া যায়। গ্রামবাসী দীর্ঘদিন ধরে স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের কাছে এই খেয়াঘাটে একটি সেতু নির্মাণের দাবি জানালেও দাবিটি উপেক্ষিত।
অথচ এখানে একটি সেতু নির্মিত হলে ৩টি ইউনিয়নের যাতায়াত ব্যবস্থা সহজিকরণসহ সার্বিক চিত্র পাল্টে যাবে। মাধবপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পুষ্প কুমার কানু বলেন, ধলাইপাড় এলাকায় ধলাই নদীতে একটি সেতু নির্মাণ করা হলে ১০ গ্রামের পাশাপাশি তিনটি ইউনিয়নের মধ্যে যোগাযোগের সেতু বন্ধন তৈরি হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর