× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ২২ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শনিবার

শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত

দেশ বিদেশ

স্টাফ রিপোর্টার | ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৯:০৪

রাজধানীর শেখ বোরহানুদ্দীন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট কলেজে শিক্ষক প্রতিনিধি নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে মার্কেটিং বিভাগের কামরুল হাসান, অর্থনীতি বিভাগের শাহ উম্মে সালমা ইয়াসমিন এবং ব্যবস্থাপনা বিভাগের মো. বদরুল ইসলাম বিপুল ভোটে নির্বাচিত হয়েছেন। এই নির্বাচন বন্ধের জন্য একাধিকবার হস্তক্ষেপ করে কিছু শিক্ষক। পরবর্তীতে বিশ্ববিদ্যালয়ের গভর্নিং বডি (সংশোধিত) সংবিধি ২০১৯ অনুসারে সব শিক্ষকের চাপে কলেজ কর্তৃপক্ষ এই নির্বাচন করতে বাধ্য হয়। গতকাল সকাল ৯টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ করা হয়। মোট ৭৪জন ভোটারের মধ্যে ৫জন ভোটদানে বিরত ছিলেন। পরাজয় নিশ্চিত জেনে এই ৫জনের মধ্যে ২জন কলেজের নির্বাচন বন্ধে নানা পায়তারা করেন, কিন্তু তারা শোচনীয়ভাবে পরাজয়বরণ করেন। কলেজের জমি কেনা ও নানা উন্নয়নের নামে অর্থ ব্যয়ে অস্বচ্ছতা নিয়ে সম্প্রতি গভর্নিং বডির সাবেক সভাপতি ও শিক্ষক প্রতিনিধিদের বিরুদ্ধে শিক্ষকরা আন্দোলন গড়ে তোলেন।
সাবেক সভাপতি জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য। বিশ্ববিদ্যালয়েরই সংবিধি অনুসারে এই নির্বাচন অনুষ্ঠানের এখতিয়ার প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষের। শনিবার ভোটগ্রহণকালে উপস্থিত ছিলেন, স্থানীয় সংসদ সদস্য হাজী মো. সেলিম। আরো উপস্থিত ছিলেন, আহমদ বাওয়ানী স্কুল ও কলেজের অধ্যক্ষ মোশারফ হোসেন মুনশী মুকুল, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগ নেতা লায়লা আক্তার রাত্রি, ছাত্রলীগের সাবেক সহ-সভাপতি সাগর আহমেদ শাহীন প্রমুখ। নির্বাচন পরিচালনা করেন, সহযোগী অধ্যাপক মনিরুজ্জোহা, প্রভাষক ফারাহ নাজ ও আহাদ বিশ্বাস। পর্যবেক্ষক ছিলেন, অধ্যাপক নুরুল হক।
প্রার্থীদের মধ্যে কামরুল হাসান ৫৩, শাহ উম্মে সালমা ইয়াসমিন ৫০ এবং বদরুল ইসলাম ৪৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেন। অন্যদিকে, প্রতিদ্বন্দ্বী বাদল চন্দ্র অপু ১১ ও আবু নাঈম মো. রাফি ৮ ভোট পেয়েছেন। অপর দু’ প্রার্থী শারমিনা কুলসুম চৌধুরী ১২ এবং ড. ছরোয়ার হোসেন ৭ ভোট পেয়েছেন। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, নির্বাচনে সাত প্রার্থীর মধ্যে ৫জনই ভোট চেয়ে অধ্যক্ষের কাছে চিঠি দেন। এছাড়া কলেজের স্টাফ কাউন্সিলের সভায় অধিকাংশ শিক্ষক ভোট দাবি করেন। নির্বাচনেও ৯৩ শতাংশ ভোটাধিকার প্রয়োগ করেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর