× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৯ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার

‘তামিম ছাড়া সবাই হতাশ করেছে’

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ২৬ জানুয়ারি ২০২০, রবিবার, ৯:১১

প্রথম ম্যাচে তাও বল হাতে লড়াই করতে পেরেছিল বাংলাদেশ। পাকিস্তানকে খেলতে হয়েছিল ১৯.৩ ওভার পর্যন্ত, হারিয়েছিল ৫টি উইকেট। কিন্তু গতকাল পাত্তাই পায়নি টাইগাররা। সিরিজের দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে স্বাগতিক দল বাবর আজম ও মোহাম্মদ হাফিজের ব্যাটে চড়ে মাত্র ১ উইকেট হারিয়ে, ২০ বল হাতে রেখেই পৌঁছে যায় জয়ের বন্দরে। একইসঙ্গে সিরিজও নিশ্চিত হয়ে যায় তাদের। বাংলাদেশের ১৩৬/৬ সংগ্রহের জবাবে ১৬.৪তম ওভারে জয় নিশ্চিত করে পাকিস্তান। লাহোরের গাদ্দাফি স্টেডিয়ামে ম্যাচ শেষে টাইগার অধিনায়ক খোলামেলা স্বীকার করে নেন ব্যাটসম্যানদের ব্যর্থতার কারণেই মেলেনি জয়। আসলেও তাই।
ব্যাট হাতে কেবলমাত্র তামিম ইকবাল খেলেছেন ৫৩ বলে ৬৫ রানের ইনিংস। এরপর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ২১ রান করেন আফিফ হোসেন। দুই অঙ্ক ছোঁয়া অন্য ব্যাটসম্যান মাহমুদুল্লাহর ব্যক্তিগত সংগ্রহ ১২ রান। অবশ্য তামিম ফিফটি হাঁকালেও তার ইনিংসের স্ট্রাইকরেট ও খেলার ধরন নিয়ে সন্তুষ্টির সুযোগ খুবই কম। কেন না ইনিংস সূচনা করতে নেমে ১৮ ওভার পর্যন্ত খেললেও দলকে বড় পুঁজি এনে দিতে ব্যর্থ হন দেশসেরা ওপেনার । অথচ মোকাবেলা করেন ৫৩টি বল। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে যেকোনো ওপেনার এত বেশি বল খেললে তার কাছে প্রত্যাশাটাও বেশি থাকে দলের। তবু মন্দের ভালো হিসেবে তামিমের ফিফটিই বাংলাদেশকে এনে দিয়েছিল ১৩৬ রানের সংগ্রহ। ম্যাচ শেষে পরাজয়ের ব্যাপারে হতাশা প্রকাশ করে বাংলাদেশ দলের অধিনায়ক মাহমুদুল্লাহ রিয়াদ বলেন, ‘ব্যাট হাতে আমরা নিজেদের সামর্থ্যের ছাপ রাখতে পারিনি। শুধুমাত্র তামিমই যা খেলেছে। অন্তত ১৫০-১৬০ রান করতে হতো। সে চেষ্টাটা ছিল আমাদের। তবে কৃতিত্ব অবশ্যই পাকিস্তানের বোলারদের।’ টাইগার অধিনায়ক আরও বলেন, ‘আমরা নিজেদের ইনিংসের শেষটা ভালো করতে পারিনি। এখনই নিশ্চিত বলতে পারছি না যে শেষ ম্যাচে আমরা কোন পরিকল্পনা নিয়ে খেলবো। হয়তো বেঞ্চে থাকা খেলোয়াড়দের পরীক্ষা করে দেখা হবে। তবে আমাদের শক্তভাবে ঘুরে দাঁড়াতে হবে এবং ম্যাচটাও জিততে হবে।’ শুরুর দুই টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের হারের প্রধান কারণ বাজে ব্যাটিং। প্রথম টি-টোয়েন্টিতে বাংলাদেশের ইনিংস ছিল ৪৫টি ডটবল। আর গতকালের পরিসংখ্যানটা আরো এক কাঠি বেশি। লাহোরে গতকাল বাংলাদেশের পুরো ইনিংসে ছিল ৪৭টি ডটবল। অন্যদিকে প্রথম টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের ইনিসংসে ডটবল ছিল ৩৩টি। গতকাল বিষয়টিতে আরো উন্নতি দেখায় স্বাগতিক ব্যাটসম্যানরা। দ্বিতীয় টি-টোয়েন্টিতে পাকিস্তানের পুরো ইনিংসে ছিল ২৯টি ডটবল। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজে পাকিস্তানের ব্যাটিংয়ে অভিজ্ঞদেরই জয়জয়কার। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের আগে দীর্ঘ বিরতিতে পাকিস্তান দলে ফেরানো হয় দুই অভিজ্ঞ ব্যাটসম্যান মোহাম্মদ হাফিজ ও শোয়েব মালিককে।  প্রথম টি-টোয়েন্টি ম্যাচজয়ী ৫৮* রানের ইনিংস খেলেন বয়স ৩৮ ছুঁইছুঁই শোয়েব মালিক। আর গতকাল টাইগারদের বোলারদের হতাশায় ডোবান ৩৯ বছর বয়সী পাক ব্যাটসম্যানস মোহাম্মদ হাফিজ। ৪৯ বলের ইনিংসে দলের সর্বোচ্চ ৬৭ রান করেন তিনি। তিন নম্বরে ব্যাট হাতে হাফিজ হাঁকান ৯টি চার ও একটি ছক্কা। বাংলাদেশের বিপক্ষে সিরিজের আগে হাফিজ সবশেষ আন্তর্জাতিক টি-টোয়েন্টি ম্যাচ খেলেছিলেন ২০১৮ সালের নভেম্বরে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর