× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ২১ সেপ্টেম্বর ২০২০, সোমবার

৯৬ বছর ধরে বিনামূল্যে খাওয়ানো হয় যেখানে

রকমারি

মো. শেফাউল করিম | ২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, ১২:১২

১৯২৪ সালের কথা। হঠাৎ খাদ্যাভাব দেখা দিলো ঢাকায়। ক্ষুধার যন্ত্রণায় কাতরাচ্ছে মানুষ। প্রতিদিন না খেয়ে থাকছে হাজার হাজার লোক। মানুষের এমন আহাজারি দেখে নবাবপুরের স্থানীয় জমিদারের তিন ছেলে ক্ষুধার্ত মানুষের যন্ত্রণা অনুভব করলেন। সামর্থ্য অনুযায়ী ভার নিলেন ১২৫ জন মানুষের। প্রতিদিন এই মানুষগুলোকে খাওয়ানোর ব্যবস্থা করলেন তারা। পিতার নামে করলেন মদনমোহন অন্নছত্র ট্রাস্ট।
এরপর থেকে এক-দুই দিন নয়, টানা ৯৬ বছর ধরে অভূক্ত মানুষের এই খাবারের ব্যবস্থা চলে আসছে।

নবাবপুরের স্থানীয় জমিদার মদনমোহন পালের তিন ছেলে হলেন- রজনীকান্ত পাল, মুরলীমোহন পাল আর প্রিয়নাথ। এখানে ধর্ম-জাত-পাতের কোনো ভেদাভেদ নেই। ক্ষুধার্ত অবস্থায় যিনি আসবেন, তিনিই খেতে পাবেন।

ট্রাস্টের ব্যবস্থাপক পরিমল কৃষ্ণ ভট্টাচার্য বলেন, মানুষের কষ্ট দেখে তখন তাদের খুব খারাপ লাগে। তাই পিতার নামে মদনমোহন পাল অন্নছত্র ট্রাস্ট এস্টেট গঠন করলেন। নিজেদের ৯টা বাড়ি লিখে দিলেন এই  ট্রাস্টের নামে। ওই ৯টা বাড়ি এখন মার্কেট। সেই আয় দিয়েই চলে ট্রাস্ট।

জানা যায়, প্রতিদিন সকাল ৮টার দিকে রান্না শুরু হয়। বেলা ১১টা থেকে শুরু হয় খাবার বিতরণ। উচু, নিচু, ধর্ম, জাতপাত ভুলে সবাই এক হয়ে যান এখানে। কেউ বসে খাচ্ছেন, কেউ পরিবারের সদস্যদের জন্য নিয়ে যাচ্ছেন। এরই মধ্যে খাবার শেষ হয়ে গেলে, আবার নতুন করে রান্না হয়।

পাচক স্বপন চক্রবর্তী বললেন, ১২৫ জন দিয়ে অন্নছত্র শুরু হলেও এখন রোজ দুপুরে প্রায় আড়াইশ’ জনের রান্না হয়। প্রতিদিন ৩৫ কেজি চাল ১ মণ সবজি আর ৫ কেজি ডাল রান্না করেন তিনি। ট্রাস্টের শুরু থেকে এই তিনটি পদই রান্না হয়ে আসছে। অন্নছত্রের একজন নিয়মিত মেহমান মো. রফিক মিয়া (৭০) জানান, তিনি ২০ বছর ধরে এখানে খাবার খেয়ে আসছেন। এখানে খাবার ভালো। বসা একটু কষ্ট হলেও এখানকার  সেবকদের ব্যবহার অনেক ভালো। সবাইকে ভালোভাবে খাবার খাওয়ানোর চেষ্টা করেন।  ট্রাস্টের আরেক মেহমান সালমা বেগম বললেন, এখানে বিভিন্ন আচার অনুষ্ঠানে বিভিন্ন রকম খাবার রান্না হয়। যেমন পায়েস, সেমাই, পোলাও, বিরানি- সেগুলো আমাদের খাওয়ানো হয়।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Md. Shahidul Islam
২৮ আগস্ট ২০২০, শুক্রবার, ৬:১৮

Many many thanks for yor work.

মো: রফিকুল ইসলাম
১৬ মার্চ ২০২০, সোমবার, ২:৫৮

দাদা আপনাদেরকে অনেক অনেক ধন্যবাদ। আপনারা অকাতরে যে কাজটি করে যাচ্ছেন সত্যিকারে এটাই মহানুভবতা ও মানবতা।

Syed Ahmad Jakir
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৫:৪৫

AMEEN

md nurul amin
৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, ২:৪৯

ট্রাষ্টের নামে কোন একাউন্ট থাকলে আমার সামর্থ্য অনুযায়ী আমি হত দরিদ্র মানুষের খাবার বাবদ কিছু সহযোগিতা করতে চাই। আমার মেইল নম্বরে একাউন্ট নাম্বার পাঠালে উপকৃত হবো। আমি বাংলাদেশের ধনবান ব্যক্তিদেরকে এই মহতি কাজে সরিক হওয়ার জন্য বিনীত অনুরোধ করছি।

md.mizanur rahman
৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, ২:০৪

i do help.

Md. Delwar Hossain
২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, ৫:২৪

we are very proud for the trust authority.

Salim Chowdhury
২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, ৪:২৪

Very Good Job

Wadud
২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, ৪:১৩

Very good.

মোহাম্মদ লাল মিয়া ম
২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, ২:৫৮

আল্লাহ সকল ধনবান ব্যক্তিকে মানবতার কল্যানে কাজ করার তৌফিক দান করুন।

md.saheb ali
২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, ১২:৫৯

নিশ্চিতরূপে ভাল কাজ। সকলের উচিত এরকম ভাল কাজ করা।

মোঃ আব্দুল কুদ্দুস
২৮ জানুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, ১২:৪২

সব ধনকুবের দল একাজে আসলে গরীবের আরো অনেক উপকার হতো। ধন্যবাদ দিয়ে ছোট করতে চাইনা। তাদের জনকল্যাণমূলক কাজের জন্য দোয়া রইল।

অন্যান্য খবর