× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার

করোনা ভাইরাস: পশ্চিমবঙ্গে আইসোলেশন ওয়ার্ডে পর্যবেক্ষণে ৪ জন

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, মঙ্গলবার, ১১:৩৭

করোনাভাইরাস গোটা বিশ্বেই আতঙ্ক তৈরি করেছে। তবে ভারতে ইতিমধ্যেই তৃতীয় ভাইরাস আক্রান্তকে শনাক্ত করা হয়েছে। ফলে ভারতে এখন পর্যন্ত করোনা ভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৩। তিনজনই কেরালার বাসিন্দা। চীন থেকে সম্প্রতি দেশে ফিরেছেন তারা। কেরালা সরকার করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার প্রেক্ষিতে একে রাজ্য বিপর্যয় হিসেবে ঘোষণা করেছে। পশ্চিমবঙ্গের চারজনকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে নিবিড় পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। এরা সকলেই কেরালার করোনা ভাইরাস আক্রান্তদের সঙ্গে একই বিমানে চীন থেকে কলকাতায় এসেছেন।
এদের মধ্যে এক তরুণীকে উত্তরবঙ্গ মেডিকেল কলেজে ভর্তি রাখা হয়েছে।

অন্যদিকে কলকাতায় আইডি হাসপাতালে ভর্তি করে আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে তিনজনকে। এর মধ্যে একজন কলকাতার গাঙ্গুলি বাগানের, একজন উত্তর ২৪ পরগণার নৈহাটির এবং একজন পশ্চিম মেদিনীপুরের বাসিন্দা। এরা সকলেই কর্মসূত্রে চীনে ছিলেন।  সোমবার কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তরফে একটি বিবৃতি প্রকাশ করে বলা হয়েছে, কেরালায় তৃতীয় করোনাভাইরাস আক্রান্তের খবর মিলেছে। আক্রান্ত ব্যক্তি চীনের উহান থেকে ফিরেছেন। তার শরীরে করোনাভাইরাস ধরা পড়েছে। হাসপাতালে পৃথক ভাবেই রাখা হয়েছে তাকে। রোগির অবস্থা স্থিতিশীল। কেরালার স্বাস্থ্যমন্ত্রী কেকে শৈলজা জানিয়েছেন, আক্রান্তকে এই মুহূর্তে কাসরগড়ের কাঞ্চনগড় জেলা হাসপাতালে রাখা হয়েছে। তবে আক্রান্তরা সকলেই কেরালার হলেও তিনটি ঘটনাই আলাদা আলাদা জায়গায় ধরা পড়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি। চার দিন আগে প্রথম ঘটনাটি সামনে এসেছিল মধ্য কেরালার ত্রিশূর থেকে।

আলাপ্পুঝা থেকে রবিবার দ্বিতীয় ঘটনাটি সামনে আসে। এ দিন তৃতীয় ঘটনাটি সামনে এসেছে  কাসরগড থেকে। এই মুহূর্তে কেরালার বিভিন্ন জেলায় ১৭০০-রও বেশি মানুষকে পর্যবেক্ষণে রাখা হয়েছে। হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে রাখা হয়েছে ৭০ জনকে। প্রথম যে ব্যক্তি আক্রান্ত হয়েছেন, তার অবস্থা স্থিতিশীল বলে জানা গিয়েছে। চীন থেকে ফেরত আসা সমস্ত মানুষকে স্বাস্থ্য দফতরে রিপোর্ট করতে বলা হয়েছে। এমনকি ১ জানুয়ারির পর চীন গিয়েছেন, এমন ব্যক্তিদের স্থানীয় স্বাস্থ্যকেন্দ্রে রিপোর্ট করতে নির্দেশ দিয়েছে স্বাস্থ্য দফতর। জ্বর, কাশি এবং শ্বাসকষ্টের মতো উপসর্গ দেখা দিলে সঙ্গে সঙ্গে চিকিৎসা কেন্দ্রে যেতে বলা হয়েছে। করোনাভাইরাসের সংক্রমণ থেকে বাঁচতে যখন চূড়ান্ত সতর্কতা নেয়া হচ্ছে, তখনই এই রোগ ছড়ানোর আতঙ্ক মাথাচাড়া দিয়েছে মধ্যপ্রদেশে।

জানা গিয়েছে, সন্দেহভাজন দুই রোগিকে হাসপাতালের আইসোলেশন ওয়ার্ডে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না। তাদের মধ্যে আছেন ২০ বছরের এক তরুণ, যিনি সম্প্রতি উহান থেকে ফিরেছেন। অন্যদিকে তিন দিন আগে চীন থেকে জবলপুর ফেরা আরও এক যুবকেরও খোঁজ মিলছে না। চীন থেকে দিল্লির বিমান ধরেছিলেন জবলপুরের যুবক। সেই বিমানেরই একজনের মধ্যে করোনাভাইরাসের সংক্রমণ ধরা পড়ায় আগাম সতর্কতা নিতে জবলপুরের যুবককে আইসোলেশনে রাখা হয়েছিল। তবে রবিবার থেকে সেই যুবককে খুঁজে পাওয়া যাচ্ছে না।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর