× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবর
ঢাকা, ১৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, সোমবার

খানসামায় কাশ্মীরি আপেল কুলে সাফল্য

বাংলারজমিন

চিরিরবন্দর (দিনাজপুর) প্রতিনিধি | ১৪ ফেব্রুয়ারি ২০২০, শুক্রবার, ৭:৪৪

কাশ্মীরি আপেল কুল। দেখতে অনেকটাই আপেল ফলের মতো। পুরো শরীর জুড়ে সবুজ ও হালকা হলুদের উপর লাল। এটি অধিক পুষ্টিযুক্ত, সুস্বাদু ও জনপ্রিয়। ন্যাশনাল এগ্রিকালচার টেকনোলজি  প্রোগাম (এনএটিপি-২)’র মাধ্যমে নিরাপদ ও বিষমুক্ত কাশ্মীরী আপেল কুল চাষ করে প্রথম বছরেই সাফলতা পেয়েছেন খানসামা উপজেলার নেউলা গ্রামের কৃষক হাফিজউদ্দিন। আপেল কুল চাষি হাফিজউদ্দিন জানান, কৃষি বিভাগের পরামর্শ ও সহযোগিতায় গত বছরের জুন মাসে ৪৫ শতক জমিতে ৮০টি কাশ্মীরী আপেল কুলগাছ রোপণ করেন। ওই বাগানের মধ্যে সাথী ফসল হিসেবে উচ্চমূল্যের ফসল রসুনও চাষ করেন। চারা রোপণের মাত্র ৮ মাস পর এবারই গাছে প্রথম ফল ধরেছে।
প্রতিটি গাছে ফলও ধরেছে ৬-৭ কেজি করে। বাজারে প্রতিকেজি আপেল কুল ৮০-১০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
তিনি আরো জানান, স্বল্প সময়ে গাছে কুলের ভালো ফলন  হয়েছে। এটি সুস্বাদু ও আকর্ষণীয় রং হওয়ায় বাজারে আপেল কুলের চাহিদাও ব্যাপক। এটি চাষাবাদে লাভবান হওয়া সম্ভব।
খানসামা উপজেলা কৃষি অফিসার মো. আফজাল হোসেন জানান, এনটিপি-২ প্রকল্পের আওতায় কৃষককে কাশ্মীরি আপেল কুল চাষে উদ্বুদ্ধ করা হয়। কাশ্মীরি আপেল কুলের ফলন ও বাজারে চাহিদাও মোটামুটি সন্তোষজনক। এ কারণে ইতিমধ্যেই অনেক কৃষক বাগান করার ইচ্ছা পোষণ করেছেন। কৃষকরা যদি কৃষি বিভাগের পরামর্শে যথাযথভাবে এ জাতের কুল চাষ করেন, তাহলে দেশের কৃষি ক্ষেত্রে নতুন দিগন্তের সূচনা উন্মোচন হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর