× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ৩১ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার

আমার সিদ্ধান্ত ‘সঠিক’

খেলা

স্পোর্টস রিপোর্টার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, ৮:২২

৬ উইকেট হারিয়ে দলের সংগ্রহ ৫৬০ রান। আর ব্যক্তিগত ২০৩ রানে ক্রিজে মুশফিকুর রহীম। বাংলাদেশের লিড ২৯৫ রান। ঠিক তখনই ইনিংস ঘোষণা করলেন অধিনায়ক মুমিনুল হক। তৃতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে এসে মুশফিক জানালেন, ইনিংস ঘোষণার কথা জানতেন না তিনি। তার সামনে ৩০০ করার সুযোগ ছিল। তবে অধিনায়ক মুমিনুল মনে করেন, তার ইনিংস ঘোষণার সিদ্ধান্ত সঠিক ছিল। দৈনিক মানবজমিনকে তিনি বলেন, ‘সেই মুহূর্তে এমন সিদ্ধান্ত নেয়া ছাড়া কোন উপায় ছিল না।
কারণ বৃষ্টির শঙ্কা ছিল। শেষ বিকেলে বৃষ্টি হয়েছেও। ইনিংস ও ১০৬ রানের ব্যবধানে জয়ই বলে দিচ্ছে ভুল করিনি আমি।’ সংবাদ সম্মেলনে জয় নিয়ে নিজের অবস্থান তুলে ধরেন বাংলাদেশের টেস্ট অধিনায়ক।
প্রশ্ন: নেতৃত্বে প্রথম তিন টেস্টে ইনিংস ব্যবধানে হারের পর জয়, কতটা স্বস্তিদায়ক?
মুমিনুল: ঠিক স্বস্তি নয়। খেলোয়াড়রা দল হিসেবে কীভাবে কাজ করবে, কীভাবে খেলবে সেই জিনিসটা আমি সবসময় দেখতে চেয়েছিলাম। প্রথম ইনিংস থেকে আপনারা হয়তো খেয়াল করেছেন। পেস বোলার থেকে শুরু করে স্পিনার, এমনকি ব্যাটসম্যানরা পর্যন্ত দলের জন্য যা দরকার তা করেছে। আমার কাছে মনে হয় এ কারণেই এমন ফল এসেছে।
প্রশ্ন: ব্যাটিংয়ের পাশাপাশি ফিল্ডিংয়ে অবদান রেখেছেন, এটি কতটা ভালো লাগে?
মুমিনুল: একটু অবদান রাখতে পারলে তো ভালো। আমার কাছে মনে হয়, অধিনায়ক হিসেবে এবং দলের একজন সদস্য হিসেবে সবসময় সবার কাছে এটা কাম্য, যদি আপনি কিছু করতে পারেন। আমার মনে হয়, আমি দলের জন্য কিছু অবদান রাখতে পেরেছি। আমার কাছে মনে হয়, ছোট ছোট অবদান রাখাটাও অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।
প্রশ্ন: বিদেশে ভালো করার চ্যালেঞ্জ কতটা?
মুমিনুল: আমি বিদেশের মাটিতে সেঞ্চুরি নিয়ে খুব বেশি চিন্তা করি না। কারণ এটা পুরোপুরি মানসিক ব্যাপার। এটা নিয়ে আমি খুব বেশি কথাও বলবো না। আমি চাই না খারাপভাবে আমার মাথায় এটা ইমপ্যাক্ট করুক।
প্রশ্ন: পেস সহায়ক উইকেটে খেলা কতটা কার্যকরী হয়েছে?
মুমিনুল: দেশেও যেমন টেস্ট জিততে চাই তেমনি স্বপ্ন দেখি বিদেশেও ভালো ক্রিকেট খেলবো। সেই হিসেবে চিন্তা করলে আমাকে পেস বোলারদের বোলিং করাতে হবে, তারা বোলিং না করলে শিখবে না। আর এ কারণেই উইকেটটা এভাবে তৈরি করা। এটা আসলে চ্যালেঞ্জ না। আমরা তৈরি ছিলাম যে এমন কিছু করতে পারবো। আল্লাহ্‌?র কাছে শুকরিয়া যে আমরা ব্যাপারটা ভালোভাবে হ্যান্ডেল করতে পেরেছি।
প্রশ্ন: কতটা চাপে ছিলেন?
মুমিনুল: আমি জানি না, আমাকে দেখে আপনাদের কখনও আন্ডার প্রেশার মনে হয়েছে কিনা। তবে আমার নিজের কাছে মনে হয় না। আমি সবসময় আশাটা বড় রাখতে চেষ্টা করি। কোনো সময় আন্ডার প্রেশার ছিলাম না।
প্রশ্ন: মুশফিককে পাকিস্তান সফরে চান?
মুমিনুল: অধিনায়ক হিসেবে আমি সবসময় চাই সাকিব ভাই পর্যন্ত আসুক। যদিও সেটা সম্ভব নয়। অবশ্যই আমি মুশফিক ভাইকে চাই পাকিস্তান সিরিজে।
প্রশ্ন:  মাঠের ভেতরে অধিনায়কত্ব করতে কতটা কঠোর হতে হয়?
মুমিনুল: আমার নেতৃত্ব শুরু হয়েছিল বিসিএল, এনসিএল দিয়ে। ওই জায়গায় প্রথম প্রথম এরকমই (নরম) ছিলাম। পরে দেখলাম যে স্বভাব বদলাতে হবে। যারা মাঠে থাকে তারা জানে। এখন একটু এগ্রেসিভ থাকতে হয়। সবাইকেই ঝাড়ি মারি (হাসি।)

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
kamal Ahmed
২৭ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বৃহস্পতিবার, ৭:০৪

ডিসিশন সঠিক ছিল। আশা করি পাকিস্তানের বিপক্ষে মুশি ৩০০ রান করবে।

অন্যান্য খবর