× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ১ এপ্রিল ২০২০, বুধবার

দীর্ঘ খরার পর

বিনোদন

স্টাফ রিপোর্টার | ২৬ ফেব্রুয়ারি ২০২০, বুধবার, ৮:৪৫

একটা সময় দেশীয় চলচ্চিত্রের গান মানেই ছিলেন রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিন। অসংখ্য জনপ্রিয় গান তারা চলচ্চিত্রে  উপহার দিয়েছেন, যেগুলো কালজয়ী হয়ে আছে। তাদের বাইরে নারী কণ্ঠশিল্পীদের মধ্যে সে সময় প্লেব্যাকে উজ্জ্বল স্বাক্ষর রেখেছেন শাম্মী আখতার, সামিনা চৌধুরী, আবিদা সুলতানা প্রমুখ। এরপর নব্বই দশকে রুনা লায়লা ও সাবিনা ইয়াসমিনের পাশাপাশি কনকচাঁপা একটি শক্ত অবস্থান তৈরি করেন প্লেব্যাকে। অসংখ্য জনপ্রিয় গান তিনিও উপহার দিয়েছেন। কনকচাঁপার পাশাপাশি রিজিয়া পারভীন, বেবী নাজনীন এবং ডলি সায়ন্তনীও ঢালিউডের প্লেব্যাকে অসংখ্য হিট গান উপহার দিয়েছেন। পরবর্তিতে নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি ধারাবাহিকভাবে বেশ কিছু জনপ্রিয় গান উপহার দেন। এর পরবর্তী বেশ দীর্ঘ সময় কোনো নারী কণ্ঠশিল্পী দীর্ঘদিন প্লেব্যাকে স্থায়ী হতে পারেন নি।
এরমধ্যে দু-একজনের গান জনপ্রিয় হলেও তারা টিকে থাকতে পারেননি সময়ের সঙ্গে। তবে দীর্ঘ খরার পর প্লেব্যাকে অন্যরকম একটি অবস্থান তৈরি করতে সক্ষম হয়েছেন দিলশাদ নাহার কনা।   অডিও গানে প্রথম পরিচিতি গড়ে উঠলেও ধীরে ধীরে চলচ্চিত্রের গানেও তার উজ্জ্বল উপস্থিতি দেখা গেছে। আর গত কয়েক বছরে সিনেমায় টানা অনেক জনপ্রিয় গান উপহার দিয়েছেন তিনি। হয়ে উঠেছেন এ সময়ের প্লেব্যাক কুইন। কণ্ঠের পাশাপাশি তার কমিটমেন্ট, সময়ানুবর্তিতা, অধ্যবসায়, পরিশ্রম তাকে সিনেমার গানে এনে দিয়েছে শক্ত অবস্থান। ‘প্রজাপতি’ ‘দিল দিল দিল’, ‘ও হ্যা শ্যাম’, ‘প্রেমের বাক্স’, ‘মন জানে তুই’, ‘ও ডিজে’, ‘রসিক আমার’, ‘প্রেমের রাজা’, ‘তুই কি আমার হবিরে’ গানগুলো ধারাবাহিকভাবে শ্রোতাপ্রিয়তা পেয়েছে তার। শুধু তাই নয়, বর্তমানে তার হাতে রয়েছে প্রায় এক ডজন নতুন ছবির গান। প্লেব্যাকের বাইরেও কনার বেশ কিছু গানের ভিডিও আলোচনায় আসে ব্যাপকভাবে। নিজের প্লেব্যাক যাত্রা নিয়ে কনা বলেন, এখন পর্যন্ত প্রায় দেড়শ ছবিতে গান করেছি আমি। এরমধ্যে থেকে অনেক গানই শ্রোতারা পছন্দ করেছেন। এটা আমার জন্য বড় পাওয়া। কারণ প্লেব্যাক আমার ভালোবাসার জায়গা। সিনেমার গান গাইতে আমি সবচেয়ে বেশি স্বাচ্ছন্দ্যবোধ করি। এখানে কাজ করতে গিয়ে অন্যরকম অভিজ্ঞতা হয়েছে আমার, যেটা কাজে লাগছে দিন দিন। এ পর্যন্ত আসাটা কিন্তু আমার জন্য সহজ ছিল না। স্ট্রাগল করতে হয়েছে অনেক। আর সত্যি বলতে কাজের প্রতি সততা থাকলে একটা না একটা সময় সফলতা আসেই। আমি সেটাই
বিশ্বাস করি। আমার হাতে বেশ কিছু ছবির গানের কাজ রয়েছে। সর্বশেষ ‘লন্ডন লাভ’ ছবিতে কণ্ঠ দিলাম। আশা করছি ভালো কিছু গান সামনেও উপহার দিতে পারবো।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর