× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনসাক্ষাতকাররকমারিপ্রবাসীদের কথামত-মতান্তরফেসবুক ডায়েরিবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকলকাতা কথকতা
ঢাকা, ৩০ অক্টোবর ২০২০, শুক্রবার

সাত মাস পর মুক্ত ফারুক আবদুল্লাহ্‌

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১৪ মার্চ ২০২০, শনিবার, ৮:৩৭

জম্মু-কাশ্মীর থেকে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর পরই সমালোচনার অভিযোগে বন্দি করা হয়েছিল সেখানকার তিনবারের মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ্‌, তার পুত্র ওমর আবদুল্লাহ্‌, মেহবুবা মুফতিসহ অসংখ্য রাজনৈতিক নেতাকে। এই নিয়ে বিরোধীরা সোচ্চার হয়েছেন বারে বারে। দুদিন আগেই আট বিরোধী নেতা ভারত সরকারের কাছে অবিলম্বে ফারুক আবদুল্লাহ্‌র মুক্তি দাবি করেছিলেন। সেই সঙ্গে ফারুক আবদুল্লাহ্‌র পুত্র ওমর আবদুল্লা এবং উপত্যকার আর এক সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মেহবুবা মুফতির মুক্তির দাবিও জানিয়েছিলেন তারা। এরপরেই জম্মু-কাশ্মীরের স্বরাষ্ট্র দপ্তর সাবেক মুখ্যমন্ত্রী ফারুক আবদুল্লাহ্‌কে মুক্তি দেয়ার সিদ্ধান্তের কথা জানিয়েছে। সাত মাস বন্দি রাখার পর মুক্তির এই সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। তবে ওমর এবং মেহবুবাকে মুক্তি দেয়া নিয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়নি। ফারুকের কন্যা সাফিয়া আবদুল্লাহ্‌ খান টুইটারে জানিয়েছেন, আমার পিতা এখন আবার মুক্ত।
ন্যাশনাল কনফারেন্স থেকে পাঁচবার সংসদ সদস্য হওয়া ফারুক তিনবার মুখ্যমন্ত্রীও ছিলেন। এখনো তিনি লোকসভার সদস্য। গত ৫ই আগস্ট জম্মু-কাশ্মীরের বিশেষ মর্যাদা বিলোপের পর তাকে বন্দি করা হয়। এরপর  ১৭ই আগস্ট  ফারুক আবদুল্লাহ্‌র ওপর জননিরাপত্তা আইন প্রয়োগ করেছিল কেন্দ্রীয় সরকার। এই আইনে বিনা বিচারে দু’বছর পর্যন্ত কাউকে আটকে রাখা যায়। এই প্রথম এই আইনে কোনো রাজনৈতিক নেতাকে আটক রাখা হয়েছিল। গত ডিসেম্বরে তার বন্দিদশার মেয়াদ আরো তিন মাস বাড়ানো হয়েছিল। সেই মেয়াদ পূর্ণ হবার পরই তার মুক্তির নির্দেশ দেয়া হয়েছে। ফারুককে এতদিন তার শ্রীনগরের গুপকার রোডের বাড়িতেই অস্থায়ী কারাগার তৈরি করে আটকে রাখা হয়েছিল।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর