× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেটকলকাতা কথকতাখোশ আমদেদ মাহে রমজান
ঢাকা, ৬ জুন ২০২০, শনিবার

পশ্চিমবঙ্গে প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত

ভারত

কলকাতা প্রতিনিধি | ১৮ মার্চ ২০২০, বুধবার, ৯:৪৫

ভারতে করোনা ভাইরাসে সংক্রমিত রোগীর সংখ্যা বেড়েই চলেছে। এদিন পর্যন্ত এই সংখ্যা গিয়ে দাঁড়িয়েছে ১৪২ জনে। মঙ্গলবার পশ্চিমবঙ্গে প্রথম করোনা ভাইরাসের রোগী শনাক্ত করা হয়েছে। লন্ডনফেরত  এক যুবকের রক্তে মিলেছে কভিড-১৯ ভাইরাসের উপস্থিতি। গত ১৫ মার্চ যুবকটি লন্ডন থেকে কলকাতায় বাড়িতে ফেরেন। বর্তমানে বেলেঘাটা আইডি হাসপাতালে ভর্তি রয়েছেন তিনি। তার মা পশ্চিমবঙ্গ সরকারের এক উচ্চপদস্থ আমলা। বিমানবন্দরে যুবকটির শারীরিক পরীক্ষা করা হয়।
কিন্তু সংক্রমণ ধরা পড়েনি। উপসর্গও ছিল না। তাকে গৃহবন্দি থাকতে নির্দেশ দেয়া হয়েছিল। জানা গেছে, লন্ডনে একটি পার্টিতে গিয়েছিলেন ওই যুবক। ওই পার্টির কয়েকজন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন জানার পরই পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে বেলেঘাটার আইডি হাসপাতালে পাঠানো হয়। সোমবার তাকে বেলেঘাটা হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। হাসপাতাল সূত্রে খবর, ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব কলেরা অ্যান্ড এন্টেরিক ডিজিজেস (নাইসেড)-এ যুবকের লালা রসের নমুনা পরীক্ষার জন্য পাঠানো হয়েছিল। মঙ্গলবার রাতে সেই রিপোর্ট এসেছে। তখনই জানা গিয়েছে, রিপোর্ট পজিটিভ। অর্থাৎ যুবকের শরীরের করোনা ভাইরাসের উপস্থিতি রয়েছে। স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ এই খবর নিশ্চিত করেছে। জানা গেছে, যুবকটির মা ও বাবাকে কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়েছে। যে গাড়িতে করে বিমানবন্দর থেকে বাড়িতে ফিরেছিলেন সেই গাড়ি চালকেরও কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। শুধু তাই নয়, ওই যুবকের কাছাকাছি যারা ছিলেন তাদেরও খুঁজে কোয়ারেন্টিনের ব্যবস্থা করা হচ্ছে বলে স্বাস্থ ও পরিবার কল্যাণ দপ্তর সূত্রে জানানো হয়েছে। গত কয়েকদিনে ওই যুবক কোথায় কোথায় গিয়েছিলেন, কাদের সংস্পর্শে এসেছেন, তারও খোঁজ চলছে। এদিকে, পশ্চিমবঙ্গে করোনা সংক্রমণ ঠেকাতে বহুবিধ ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে। এদিনই জানানো হয়েছে, সিনেমা ও টিভি ধারাবাহিকের সব ধরনের শুটিং বন্ধ থাকছে। রিয়েলিটি শোয়ের শুটিংও বন্ধ রাখার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। অন্যান্য রাজ্যের মতোই পশ্চিমবঙ্গে সমস্ত ঐতিহাসিক স্থাপত্য ও স্মারক দর্শন বন্ধ রাখা হয়েছে। বন্ধ রাখা হয়েছে সমস্ত মিউজিয়াম ও সৌধও। ধর্মীয় স্থানে জমায়েত নিয়ন্ত্রণের অনুরোধ জানানো হয়েছে। মঙ্গলবার থেকে চিড়িয়াখানা দর্শণার্থীদের জন্য বন্ধ করে দেয়া হয়েছে। বন্ধ করে দেয়া হয়েছে সব ধরণের মেলা ও জমায়েত। করোনা আতঙ্কে মানুষ বাড়ি থেকে বেরোনো কমিয়ে দিয়েছে। ফলে কমে গিয়েছে পথেঘাটে মানুষের আনাগোনা। বহু ব্যবসা প্রতিষ্ঠান আপাতত বন্ধ রয়েছে। অফিস কাছারিতেও উপস্থিতির হার অনেক কম। আদালতও বন্ধ রাখা হয়েছে। সম্প্রতি ‘হু’-এর সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকরা নিজের মোবাইলটির দিকও খেয়াল রাখতে বলছেন! মোবাইল থেকে করোনা ছড়ায় না ঠিকই, তবে করোনা-ঠেকাতে মোবাইল পরিষ্কারের একটা ভূমিকা রয়েছে বলেই দাবি ‘হু’-এর সঙ্গে যুক্ত চিকিৎসকদের।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর