× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার

করোনা ঝুঁকিতে অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স

করোনা আপডেট

স্টাফ রিপোর্টার | ২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ১:১১

করোনা ভাইরাস আতঙ্কে কাঁপছে বিশ্ব। উহান থেকে এই ভাইরাস এরই মধ্যে ছড়িয়ে পড়েছে সারা দুনিয়ায়। ভাইরাসটিতে মারা গেছেন ১৩ হাজারের অধিক মানুষ। প্রতি মিনিটে বাড়ছে মৃত্যুর সংখ্যা। বাংলাদেশেও এ ভাইরাস নিয়ে তৈরি হয়েছে উদ্বেগ, উৎকণ্ঠা। সরকারের রোগতত্ত্ব, রোগ নিয়ন্ত্রণ, ও গবেষণা প্রতিষ্ঠান থেকে পাওয়া তথ্যে বর্তমানে বাংলাদেশে আক্রান্ত ২৪ জন। আর মৃত্যু হয়েছে দুই জনের। আজ রোববার ভোরেও সিলেটে করোনা সন্দেহে আইসোলেশনে থাকা লন্ডন ফেরত এক নারীর মৃত্যু হয়েছে।
এ অবস্থায় পরিস্থিতি খারাপ হচ্ছে- এমনটাই ধারণা অনেকের। গত কয়েকদিনে অনেক মানুষই ঢাকা ছেড়েছেন। যদিও বিদেশ ফেরত বেশিরভাগ মানুষ ফিরে গেছেন গ্রামে। গ্রামের মানুষের মধ্যে এ নিয়ে সচেতনতাও কম।

এদিকে, রাজধানীর রাস্তা এখন অনেকটাই ফাঁকা। খুব প্রয়োজন ছাড়া ঘর থেকে বের হচ্ছেন না মানুষ। কিন্তু সেখানেও নেই স্বস্তি। প্রতিটি মুহূর্তেই চারদিকের খবরে দম বন্ধ হওয়ার অবস্থা। আর করোনা নিয়ে শহরে নতুন ঘটনায় আরো বেশি উদ্বেগ দেখা দিয়েছে মানুষের মধ্যে। শনিবারই মিরপুর উত্তর টোলারবাগের একটি ভবনে করোনায় আক্রান্ত হয়ে এক বৃদ্ধের মৃত্যু হয়। ঘটনার পর থেকে সে ভবনটি ‘লকডাউন’ হয়ে যায়। ওই ভবনে ৩০টি পরিবারের বাস। এ নিয়ে বেশ কিছু উদ্বেগজনক খবরও জানা যাচ্ছে। এসব বাসায় যারা বাহির থেকে এসে কাজ করতেন তাদের অবস্থান এখনও নিশ্চিত করা যায়নি। এই ভবনের লোকজন কেমন আছেন সে ব্যাপারে এখনো তেমন কোন খোঁজখবর নেয়া হয়নি। এটাও বলা হচ্ছে, যে বৃদ্ধ মারা গেছেন তিনি কোনো বিদেশ ফেরত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসেননি। তাহলে তিনি কার মাধ্যমে সংক্রমিত হলেন তারও অনুসন্ধান প্রয়োজন।

ঢাকা শহরে এমন অনেক অ্যাপার্টমেন্ট কমপ্লেক্স আছে যেখানে ৬০-৭০টি পরিবার বসবাস করে। এসব ভবনের মানুষেরা উদ্বেগ নিয়ে বসবাস করছেন। কমপ্লেক্সের কোনো ফ্ল্যাটে বেশি মাত্রায় করোনা আক্রান্ত দেশ থেকে কেউ এসেছেন কি-না তা জানার উপায় নেই। আসলে তিনি হোম কোয়ারেন্টিনে রয়েছেন কি-না সেটিও নিশ্চিত করা সম্ভব হচ্ছে না। করোনা ভাইরাস অতিমাত্রায় ছোয়াচে হওয়ায় একটি ফ্ল্যাটে কেউ আক্রান্ত হলে শুধু ওই ফ্ল্যাট নয়, পুরো ভবনের মানুষই ঝুঁকির মধ্যে পরে যান। এই অবস্থায় মানুষের মধ্যে চিন্তা আরো বাড়ছে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ১২:৪৩

যেখানে ৪০০০ বিদেশী আসার তালিকা ই নাই মাত্র ১৩৭ জন তালিকাভুক্ত বাকিরা মুক্ত ঘুরে বেড়ায় তারা ইতিমধ্যে হাজার হাজার লোকের মাঝে ছড়িয়ে দিয়েছে রোগ। যদি ৩৮৬৮ জনের মাঝে ১০/১৫ জনও আক্রান্ত ব্যক্তি থাকে। ঐ ১০/১৫ কাদের সঙ্গে মিশেছে কিভাবে চিহ্নিত করা যাবে । দায়িত্ববোধহীনতা মহামারী ডেকে আনবে। ঘনবসতিপূর্ণ বাংলাদেশে কত তাড়াতাড়ি ছড়াবে কল্পনাতীত ।

অন্যান্য খবর