× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ২৮ মার্চ ২০২০, শনিবার

ভৈরবে এক ইতালি ফেরত প্রবাসীর মৃত্যু

করোনা আপডেট

স্টাফ রিপোর্টার, কিশোরগঞ্জ থেকে | ২৩ মার্চ ২০২০, সোমবার, ১০:৩৬

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ইতালি ফেরত এক প্রবাসী মারা গেছেন। তিনি গত ২৯শে ফেব্রুয়ারি দেশে ফেরেন। গতকাল রাত ১১টার দিকে তিনি মারা যান। এ ঘটনায় উপজেলা প্রশাসন দু’টি বেসরকারি হাসপাতালে মানুষের চলাচল সীমিত করেছে। ওই ব্যক্তির বাড়ির চারপাশের ১০টি ঘরের মানুষের চলাচলও সীমিত করা হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ব্যক্তি দেড় যুগ আগে ইতালিতে যান। তার দুই ছেলেও ইতালি প্রবাসী। গত ২৯শে ফেব্রুয়ারি তিনি দেশে ফেরেন। দেশে ফেরার পর তিনি এলাকায় স্বাভাবিক চলাফেরা করেন।
শনিবার থেকে ওই ব্যক্তি জ্বর ও শ্বাসকষ্টে ভুগছিলেন। তার বয়স ৬০। সবশেষ তথ্যমতে মারা যাওয়া ব্যক্তিকে বিশেষ ব্যবস্থায় দাফনের ব্যবস্থা করছে স্বাস্থ্য বিভাগ।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
রিপন
২৪ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার, ১২:২০

রেমিট্যানস পাঠিয়ে যে দেশটির অর্থনীতির চাকা সচল রেখেছিলে বহু কষ্টে, সেই দেশটিই তোমার জীবন-চাকাকে সচল রাখতে একটি ফুটো পয়সাও খরচা করেলো না। কৃতঘ্নতার নগ্ন চেহারা দেখে গিয়েছো। মরণের ওপারে তোমার বিদেহী আত্মা শান্তি পাক, এই দুর্ভাগা জনপদের হে একদার অধিবাসী!

আবুল কাসেম
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ১১:১০

ভৈরবের ইতালি ফেরত ইনি নাকি লোকালয়ে চলাফেরা ও মসজিদে নামাজ আদায় করেছেন। বিদেশ থেকে আগতদের বাধ্যতামূলক হোম কোয়ারেনটাইনে থাকার কথা ছিল। এখানে এই নিয়ম মানা হয়নি। ফলশ্রুতিতে তাঁর জীবনও গেল, এলাকাও ঝুঁকিতে পড়লো। তাই সারাদেশে নজরদারি করা হোক, বিদেশ থেকে আগতদের উপর। সবাই সতর্ক হোন, নিয়ম মেনে চলুন। শুধু সরকারের দিকে তাকিয়ে থাকলে চলবেনা। আমাদেরও নাগরিক দায়িত্ব আছে। কর্তব্য আছে। আমাদের নিরাপত্তার বিষয় আমাদের নিজেদের ভাবা উচিত নয় কী?

আবুল কাসেম
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ১০:১৪

এতেই বুঝা গেল, বিদেশ থেকে আসা লোকজন দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ছড়িয়ে ছিটিয়ে আছে। ২৯ শে ফেব্রুয়ারী ইনি দেশে ফিরেন। তাহলে জানুয়ারী থেকে মার্চের মাঝামাঝি সময়ে কতজন বিদেশ থেকে দেশে এসেছেন, দেশের কোন এলাকায় এসেছেন তার পরিসংখ্যান কী আছে? ভৈরবের এই মৃত্যুতে শংকিত না হয়ে পারা যায়না। দ্রুত সারাদেশে ছড়িয়ে পড়ে কিনা ভাইরাস ! চীন, তাইওয়ান ও সিঙ্গাপুর কীভাবে ভাইরাস আক্রমণ প্রতিহত করেছে অভিজ্ঞতা বিনিময় করে পদক্ষেপ নেয়া অত্যাবশ্যক। তাদের কাছ থেকে বিশেষজ্ঞ ডাক্তার নার্সও আনা যায়। সংক্রমণ বাড়ছে জ্যামিতিক হারে। আমাদের তৎপরতা সে রকম হওয়া দরকার। আমদের চিকিৎসকদের নিরাপত্তা বিধান এখনো হয়নি। সরঞ্জামের অপ্রতুলতা এখনো কাটিয়ে ওঠা যায়নি। ভয় ও শংকা তাই বাড়ছে। দেশ ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানের দায়িত্ব যাদের হাতে তাদের প্রতি মানুষের ভরসার জায়গায় টুকু নষ্ট না হোক এই প্রত্যাশা আমাদের ন্যায্য দাবী। নির্বাচন খেলা ও আতসবাজি ফোটানোতে মগ্ন হওয়া আত্মঘাতি।

mohammed mashud
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ১০:০৫

মি. ওবায়েদুল কাদের কাক্কু বলেছেন,"আমরা করোণা ভাইরাস থেকে ভয়ঙ্কর (শক্তিশালী)" | আল্লাহ swt. উনাকে সহি বুঝ দান করুণ - আমীন l

বাহাউদ্দিন বাবলু
২২ মার্চ ২০২০, রবিবার, ৯:৫৪

সরকার বাহাদুররা পুরা বাংলাদেশকে ঝুকিতে ফেলায়ে দিলো।

Raju
২৩ মার্চ ২০২০, সোমবার, ১০:৪৬

প্রবাস ফেরত তথা ইতালী ফেরত দের অসচেতনতা ই আমাদের দূর্ভোগ ডেকে আনছে,তারা এখন দেশে না আসলে কি হইত?তাদের দেশে প্রবেশ করতে দেওয়াই ভূল হইছে।সব airport lock-down করা উচিৎ, অন্তত ১ মাসের জন্য পুরো দেশের সবাই কে home কেয়ারেন্টাইন বাধ্যতামূলক করা হউক।

অন্যান্য খবর