× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ৫ এপ্রিল ২০২০, রবিবার
মা-ছেলের শরীরে করোনার উপসর্গ

গাইবান্ধাজুড়ে আতঙ্ক

শেষের পাতা

উত্তরাঞ্চল প্রতিনিধি | ২৪ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার, ৮:৫৯

সাদুল্ল্যাপুরের একটি বিয়ে বাড়িতে যাওয়া মা-ছেলের শরীরে করোনা উপসর্গ দেখা দেয়ায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে জেলাজুড়ে। করোনা ঠেকাতে স্থানীয় প্রশাসন উপজেলা জুড়ে লকডাউন ঘোষণার সিদ্ধান্ত নিলেও তা অনুমোদন পায়নি জেলা প্রশাসনের। তবে বিদেশি অতিথি ওই বিয়ে বাড়িতে দাওয়াত খাওয়ার পর প্রবাসী মা-ছেলের আক্রান্ত হওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় প্রশাসনের সভায় লকডাউনের সিদ্ধান্তের বিষয়টি সামনে আসে। পরে আক্রান্ত ওই প্রবাসীকে গাইবান্ধা শহরের খাপাড়ার বাড়িতে হোম কোয়ারেন্টিনে রাখা হয়। আর লকডাউন ঘোষণা করা হয় বিয়ে বাড়ি।  এ ঘটনার পর আক্রান্ত দুই প্রবাসী মা-ছেলে গাইবান্ধায় চলে আসেন তার বাড়িতে। এ অবস্থায় গাইবান্ধায় করোনা আক্রান্ত, সাদুল্লাপুরে ও পৌর পার্ক লকডাউন ঘোষণার পর আতংক ছড়িয়ে পড়ে গোটা জেলা জুড়ে। কমে এসেছে গ্রাম থেকে শহরগামী মানুষের সংখ্যা। প্রভাব পড়েছে ব্যবসা বাণিজ্যে।
লোকজনের চলাচল কমে গেছে। গাইবান্ধা জেলা হাসপাতালে সীমিত হয়েছে চিকিৎসা সেবা। রোগীশূন্য হয়ে পড়েছে হাসপাতাল। রোগীরা ভর্তি থাকলেও তাদের চিকিৎসা দেয়ার মতো প্রয়োজনীয় জনবল না থাকায় রোগীদের বাড়িতে যেতে পরামর্শ দিচ্ছেন। সে আতংকে রোগীরা হাসপাতাল ছাড়ছেন। গাইবান্ধার কয়েকটি বাজারে লোক সমাগম থাকলেও আগের তুলনায় অনেক কমেছে। ঢাকা ও আশপাশের জেলাগুলোর সাথে বাস যোগাযোগ তুলনামূলক ভাবে কমে এসেছে।  শহরের দোকানপাট খোলা থাকলেও ক্রেতাদের দেখা মিলছে না। গাইবান্ধায় গত ২৪ ঘণ্টায়  বিদেশ ফেরত করোনা ভাইরাসে ২ আক্রান্ত ব্যক্তি সহ ১৩৯ জনকে হোম কোয়ারেন্টাইনে রাখা হয়েছে। এর মধ্য ৪ জন চীনের নাগরিক। আর আক্রান্ত মা ও ছেলে । এরা দুজনই আমেরিকা প্রবাসী ।
গাইবান্ধা জেলা সিভিল সার্জন ডা. এ বি এম আবু হানিফ জানান,  জেলার ৫ উপজেলার ১০৪ জন ব্যক্তিকে হোম কোয়ারেন্টিনে শহরের খাপাড়ায় রাখা হয়েছে। আক্রান্ত মা-ছেলেকে স্বাস্থ্য বিভাগ  থেকে খোঁজখবর নেয়া হচ্ছে। এরা গত কয়েকদিন আগে দেশে ফিরেছে। হোম কোয়ারেন্টাইনে থাকা ব্যক্তিরা নিয়ম না মানলে  তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর