× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ৩১ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার

রংপুরে ৩ ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করবে সেনাবাহিনী

অনলাইন

স্টাফ রিপোর্টার, রংপুর থেকে | ২৪ মার্চ ২০২০, মঙ্গলবার, ৫:০৬

করোনা ভাইরাস মোকাবেলায় রংপুর জেলায় ৩টি ভাগে বিভক্ত হয়ে কাজ করবে সেনাবাহিনী। বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিতে ব্যবস্থা নেয়া হবে। মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসনের সাথে সেনাবাহিনীর কর্মকর্তাদের বৈঠকে এ সিদ্ধান্ত হয়। জেলা প্রশাসক কক্ষে সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের প্রায় আড়াই ঘণ্টার বৈঠকে করোনা প্রতিরোধে নানা পরিকল্পনা গ্রহণ করা হয়। এতে জেলার স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকর্তারাও অংশ নেন। এছাড়া করোনা মোকাবেলায় উপজেলাগুলোতে প্রশাসনের পক্ষ থেকে পিপিই সরবরাহ করা হচ্ছে। প্রতিটি বেসরকারি হাসপাতালকে ২০ বেডের আইসোলেশন প্রস্তুত রাখতে বলা হয়েছে। শ্রমজীর্ব মানুষের খাদ্যের চাহিদা মেটাতে কেন্দ্রীয় নির্দেশ অনুসারে ব্যবস্থা নেয়ার কথা জানিয়েছে প্রশাসন।


রংপুর জেলা প্রশাসক আসিব আহসান বলেন, সারা দেশের মত রংপুরে করোনা মোকাবেলায় সেনাবাহিনী ও প্রশাসনের প্রস্তুতি সভা হয়েছে। সভায় রংপুর সেনানিবাসের মেজর ইমাম, লে. কর্নেল নাসির ও লে. কর্নেল তারেকসহ সেনাবাহিনীর সদস্যরা অংশ নেন। এ সময় জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকসহ সিভিল সার্জন হিরম্ব কুমার উপস্থিত ছিলেন। সভায় বিদেশ ফেরত ব্যক্তিদের হোম কোয়ারেন্টাইন নিশ্চিত করতে জেলা প্রশাসনের সাথে কাজ করবে সেনাবাহিনী। জেলা জনসমাগম এড়ানো ও জনসমাবেশ যেন তৈরি না হয় সেটি নিশ্চিত করবে সেনাবাহিনী। সেনাবাহিনীর দলগুলো জেলার আইসোলেশন সেন্টার ও প্রাতিষ্ঠানিক কোয়ারেন্টাইন পরিদর্শন করবে। সেখানকার সক্ষমতা, দুর্বলতা চিহ্নিত করে প্রয়োজনী ব্যবস্থা নেবে। এছাড়া করোনার কারণে পরিস্থিতি খারাপ হলে সেটি প্রশাসন সেনাবাহিনীকে নিয়ে কিভাবে মোকাবেলা করবে তা নির্ধারণ করা হবে। জেলা প্রশাসক বলেন, সেনাবাহিনী ৩টি ভাগে বিভক্ত হয়ে করোনা ভাইরাস মোকাবেলা করবে। এর মধ্যে একটি দল বদরগঞ্জ-তারাগঞ্জ, একটি দল পীরগঞ্জ-গঙ্গাচড়া এবং অপর একটি দল রংপুর সদর, পীরগাছা, কাউনিয়া, মিঠাপুকুর এবং রংপুর সিটি কর্পোরেশন এলাকায় নিয়োজিত থাকবে। মঙ্গলবার সকল উপজেলা সেনাবাহিনীর দল উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাদের সাথে আলোচনা করে কর্মকৌশল নির্ধারণ করবে। আমরা আশা করছি করোনা মোকাবেলা করতে আমরা সক্ষম হবো। তিনি আরও বলেন, করোনায় কোন ব্যক্তি মারা গেলে প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রস্তুতি রয়েছে। আড়াইশ পিপিই সিভিল সার্জন, সিটি কর্পোরেশনের কাছে আছে। উপজেলাগুলোতে তা সরবরাহ করা হচ্ছে। সংশ্লিষ্টরা পিপিই পরিধান করে করোনায় আক্রান্তদের চিকিৎসা দেবে। প্রতিটি বেসরকারী হাসপাতাল ২০ বেডের আইসোলেশন বিভাগ প্রস্তত রেখেছে। তবে করোনা রোগীদের জন্য আমরা এখন পর্যন্ত আইসিইউ প্রস্তুত করতে পারিনি। সেটির চেষ্টা চলছে।  এছাড়া অনেক শ্রমজীবী মানুষ ঢাকা থেকে ফিরে আসছে। কর্মহারা এসব মানুষের জন্য আমরা মন্ত্রণালয়ে কথা বলেছি। তারা বিষয়টি নিয়ে ভাবছে। ওএমএস অথবা কোন কর্মসৃজন বা যে কোন কর্মসূচির মাধ্যমে তাদের সহযোগিতা করা যায় কি না কেন্দ্রীয় নির্দেশনা অনুসারে পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে। তবে আমাদের পর্যাপ্ত খাদ্য মজুদ রয়েছে। তাই চিন্তার কোন কারণ নেই।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
অন্যান্য খবর