× প্রচ্ছদ অনলাইনপ্রথম পাতাশেষের পাতাখেলাবিনোদনএক্সক্লুসিভভারতবিশ্বজমিনবাংলারজমিনদেশ বিদেশশিক্ষাঙ্গনরকমারিপ্রবাসীদের কথাবই থেকে নেয়া তথ্য প্রযুক্তি শরীর ও মন চলতে ফিরতে ষোলো আনা মন ভালো করা খবরকরোনা আপডেট
ঢাকা, ৪ এপ্রিল ২০২০, শনিবার

ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কমেছে ৭০ ভাগ রোগী

অনলাইন

মতিউল আলম, ময়মনসিংহ থেকে | ২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, ১:০৭

করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি রোগীর সংখ্যা প্রায় ৭০ শতাংশ কমে গেছে। আতঙ্কে রোগীরা নিজেরাই ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন। হাসপাতালটি ঘুরে দেখা গেছে অধিকাংশ ওয়ার্ডে ১০-১৫ জন করে রোগী ভর্তি অবস্থায় চিকিৎসা নিচ্ছে। এর আগে স্বাভাবিক অবস্থায় ২৪ বেডের একেকটি ওয়ার্ডে কমপক্ষে বিছানাসহ মেঝেতে কমপক্ষে ১০০ থেকে ১২০ জন রোগী চিকিৎসা নিতে দেখা গেছে।

করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে রোগী কমে যাওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে হাসপাতালে উপ-পরিচালক ডা. লক্ষী নারায়ণ মজুমদার জানান, আগে যেখানে প্রতিদিন গড়ে সাড়ে ৩ হাজার থেকে ৪ হাজার রোগী হাসপাতালে ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিয়েছে। করোনা ভাইরাসের আতঙ্কের কারণে রোগী কমে গিয়ে মঙ্গলবার হাসপাতালে রোগী ভর্তি আছে ১ হাজার ২৭ জন। দিন দিন আরও রোগী কমে আসবে বলেও জানান তিনি।

হাসপাতালের ১ নম্বর গাইনী ওয়ার্ডের ইনচার্জ সিনিয়র স্টাফ নার্স আফিয়া খাতুন জানান, স্বাভাবিক অবস্থায় ২৪ বিছানার বিপরীতে প্রতিদিন গড়ে ৯০ থেকে ১১০ জন রোগী ভর্তি থাকতো। করোনা ভাইরাসের আতঙ্কে গত এক সপ্তাহ  থেকে রোগী কমতে কমতে মঙ্গলবার ১৫ জন রোগী ভর্তি থেকে চিকিৎসা নিচ্ছেন। আতঙ্কের কারণে রোগীরা নিজেরাই ছুটি নিয়ে বাড়ি ফিরে যাচ্ছেন বলেও জানান তিনি।

হাসপাতালের কর্মচারীরা জানান, আগে রোগীর স্বজন ও দর্শনার্থীদের কোনভাবেই সামাল দেয়া যেতোনা।
করোনা ভাইরাসের কারণে হাসপাতালে দর্শনার্থী আসা বন্ধ হয়ে গেছে। প্রয়োজন ছাড়া হাসপাতালে কোন লোকজন আসছে না বলেও জানান তিনি।

এদিকে ডাক্তার, নার্সদের মাঝে আতঙ্ক বিরাজ করছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক জনৈক ডাক্তার জানান, ডাক্তারের জীবনের নিরাপত্তা দেয়ার সরঞ্জাম যথেষ্ট নয়। ফলে নিজে বাঁচবে না রোগী বাঁচাবে। এনিয়ে দুচিন্তায় রয়েছেন ডাক্তার, নার্স, কর্মচারীরা। জ্বর, সর্দি, কাশির রোগী ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আসলে তাকে এসকে হাসপাতালে যাওয়ার পরার্মশ দিচ্ছেন।

অবশ্যই দিতে হবে *
অবশ্যই দিতে হবে *
পাঠকের মতামত
**মন্তব্য সমূহ পাঠকের একান্ত ব্যক্তিগত। এর জন্য সম্পাদক দায়ী নন।
Kazi
২৫ মার্চ ২০২০, বুধবার, ৬:৫৫

Good symptom that visitors are not coming to increase unnecessary gathering. This is what important issues at this time to reduce contact of people.

অন্যান্য খবর